ভাইরাল

‘শার্ক ট্যাঙ্ক ইন্ডিয়া’ এই বিজনেস রিয়্যালিটি শো থেকে ৬টি শেখার জিনিস রয়েছে, জানুন

বর্তমান যুগে আমাদের চারপাশের অর্থনৈতিক পরিকাঠামো ভেঙে পড়েছে অনেকটাই। এর মধ্যে বহু মানুষ কাজ হারিয়েছেন। নিজেদের মতো করে উপার্জনের জন্য অনেকে ব্যবসা শুরু করেছেন। আর তাদের মাঝে খুব কম সময়ের মধ্যেই এই বিজনেস রিয়্যালিটি শো ‘শার্ক ট্যাঙ্ক ইন্ডিয়া’ ভীষণভাবে জনপ্রিয় হয়ে উঠেছে। এই শো থেকে শেখার রয়েছে অনেক কিছুই। মূলত ছটি জিনিস শিক্ষণীয় রয়েছে এই বিজনেস রিয়্যালিটি শো থেকে। সেগুলি হল-

১) ব্যাবসার ঝুঁকি কতটা বোঝা যায় :
কোন এক ইন্টারপ্রেনারের কাছ থেকে তাদের বিজনেস সম্পর্কে জানার পর সার্ক সিদ্ধান্ত নেয় সেখানে টাকা ইনভেস্ট করবে কি করবেনা। যদি শার্ক ইনভেস্ট করতে রাজি হয়, তার মানে তিনি মনে করছেন ভবিষ্যতে ঐ কোম্পানির উন্নতি হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে।

২) দীর্ঘমেয়াদি পরিকল্পনা:
এই পরিকল্পনার অর্থ হলো ভবিষ্যতের কথা মাথায় রাখা। বিশেষ করে খুচরা ব্যবসায়ীদের ক্ষেত্রে দীর্ঘমেয়াদি পরিকল্পনার কথা ভীষণভাবে মাথায় রাখা প্রয়োজন। কারণ যে পরিমাণ অর্থ কোন এক ব্যবসায়ী তার নিজের ব্যবসায় ইনভেস্ট করছে, তা বিভিন্ন সময় বিভিন্ন রূপ নিতে পারে। এটি বিশেষ করে প্রতিযোগিতার কথা বলে।

৩) প্রতিযোগিতা এবং আর্থিক দিক:
এই বিজনেস রিয়্যালিটি শোতে প্রায়ই ব্যবসায়ীদের জিজ্ঞাসা করা হয় তারা একাই নিজেদের ব্যবসার মালিক কিনা! অর্থাৎ ব্যবসাটা তারা একাই চালান কিনা! এক্ষেত্রে প্রতিযোগিতার বাজারে বাকিদেরকে টপকে এগিয়ে যাওয়া কঠিন হবে। এছাড়াও নেট লাভ, গ্রস প্রফিট, সেলস, হোয়াইটলেবেলের মতো বিষয়গুলি বোধগম্য করে নেওয়া ভীষণভাবে প্রয়োজন। তাতে ব্যবসাতে সুবিধা হয়। কেউ যদি সব দিক থেকে প্রস্তুত থাকেন তাহলে শার্ক ট্যাঙ্ক ইন্ডিয়ার তরফ থেকে ইনভেস্টমেন্ট পেতে পারেন।

৪) প্রোগ্রামে যাওয়ার আগের প্রস্তুতি:
উল্লেখ্য, এই বিজনেস রিয়্যালিটি শোতে যে ৭ বিচারক রয়েছেন তারা যথেষ্ট বড় মাপের মানুষ। তাদের সামনে কথা বলার জন্য যথেষ্ট কনফিডেন্স নিয়ে এবং ভালো মানের আইডিয়া নিয়ে উপস্থিত হতে হবে। তাদের বিভিন্ন ধরনের প্রশ্নের সামনে টিকে থাকার জন্য উত্তর রাখতে হবে নিজের কাছে। তা না হলে তাদের সামনে টিকে থাকা খুবই কঠিন।

৫) টিম ওয়ার্কয়ের মূল্য:
এই রিয়্যালিটি শোতে বিচারকরা শুধুমাত্র কোম্পানি কিংবা মালিকের ব্যাপারে জিজ্ঞাসা করেন না। কোম্পানির বাকি সমস্ত কর্মচারীদের এবং কোম্পানির অন্যান্য বিভাগগুলো নিয়েও আলোচনা করেন। যদি কোন কোম্পানির দীর্ঘমেয়াদি পরিকল্পনা না থাকে কিংবা টিমওয়ার্ক না থাকে তাহলে বুদ্ধিমান ইনভেস্টর এসে সেই কোম্পানিতে ইনভেস্ট করবেন না।

৬) প্রতিক্রিয়া লক্ষ্য করুন:
আপনি নিজের যে বিজনেস আইডিয়া নিয়ে ঐ ৭ বিচারকের সামনে গিয়ে দাঁড়াবেন তা শুনে তাদের প্রতিক্রিয়া খুব ভালোভাবে লক্ষ্য করতে হবে। কারণ আপনি যে সব সময় ঠিক হবেন তা কিন্তু নয়। তারা আপনার কথা শুনে ঠিক কি কি বলছেন এবং কি কি প্রতিক্রিয়া দিচ্ছেন! তা ভালোভাবে মাথায় ঢুকিয়ে নিতে হবে। এমনকি ব্যবসার ক্ষেত্রে গ্রাহকদের মতামত জানা ভীষণভাবে প্রয়োজনীয়, তা না শুনলে ব্যবসার উন্নতি হবে না।

Back to top button