ভাইরাল

‘পড়বো না রাজমিস্ত্রী হবো, পৃথিবীর সব স্কুল ভেঙে দেবো’, রাজমিস্ত্রি হয়ে পৃথিবীর সব স্কুল ভেঙে দেওয়ার ইচ্ছা প্রকাশ এক প্রতিবাদী পড়ুয়ার, দেখে হাসি থামছে না নেটিজেনদের

বর্তমান পরিস্থিতিতে হাসতে ভুলে যাচ্ছে মানুষ। বাড়িতে বসেই চলছে একাধিক অফিসের কাজ। পরিবারের সদস্যদের সাথে সময় কাটানোর পরিমাণ কমেছে অনেকের। এমন পরিস্থিতিতে সোশ্যাল মিডিয়া বর্তমান যুগে সকল মানুষের কাছে বিনোদনের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ মাধ্যম হয়ে উঠেছে। আর সেখানেই প্রায়ই কিছু কিছু মজার ভিডিও ভাইরাল হয় যা মানুষের মন ভালো করে দেয়। বর্তমান যুগে হাসানোর লোকের অভাব। তাই সোশ্যাল মিডিয়ার মাধ্যমে যদি নেটিজেনদের একাংশ হাসতে পারেন, তাহলে মন্দ কি?

সম্প্রতি সোশ্যাল মিডিয়ার পাতায় একটি ভিডিও ভাইরাল হয়েছে যা দেখে হাসি থামতেই চাইছে না নেটিজেনদের। ছোটবেলায় পড়াশোনার জন্য কমবেশি সকলেই মার খেয়েছি মায়ের কাছে। তবে সেইসময় প্রতিবাদী গলায় কথা বলার সাহস পায়নি অনেকেই। পড়তে ইচ্ছা না করলেও মার খাওয়ার ভয়ে চুপচাপ পড়তে বসেছি আমরা। তবে সম্প্রতি এক ভাইরাল হওয়া ভিডিওতে এক প্রতিবাদী পড়ুয়ার যে রূপ দেখা গেলো তা দেখে অবাক অনেকেই।

করোনা আবহে স্কুল ও কলেজ পড়ুয়াদের যে এক বিপুল ক্ষতি হয়েছে তা অস্বীকার করার জায়গা নেই। তারা স্কুল যেতে ভুলে গিয়েছে। মাঝে কয়েক মাসের জন্য স্কুল খুললো আবারও তালা পড়েছে স্কুল-কলেজের গেটে। পড়াশোনার পাশাপাশি বাচ্চাদের স্কুল যাওয়াতেও এসেছে অনীহা। সেইরকমই পরিস্থিতির শিকার এক পড়ুয়ার ভিডিও ভাইরাল হয়েছে সোশ্যাল মিডিয়ায়।

ভাইরাল হওয়া ভিডিওতে এক পড়ুয়াকে পড়তে বসে মায়ের কাছে মার খেয়ে রীতিমতো চিৎকার করে কাঁদতে দেখা গিয়েছে। তার বক্তব্য সে পড়াশোনা করবে না। বড় হয়ে সে লোকের বাড়িতে কাজ করে খাবে। দরকার সে রাজমিস্ত্রি হয়ে পৃথিবীর সমস্ত স্কুল ভেঙে দেবে। তার এমন কথা শুনে তার মা রেগে যায় আরো। তাকে লাঠি দিয়ে মারার চেষ্টা করলে সে খাটের উপরেই হাঁটুর ওপর ভর দিয়ে অর্ধেক দাঁড়ানো অবস্থায় তার মাকে বলতে থাকে তাকে যেন আরও মারে, বেশি করে মারে। এই দৃশ্যের ভিডিও তার মা ক্যামেরাবন্দি করে শেয়ার করে দিয়েছেন সোশ্যাল মিডিয়ার পাতায়।

এই ভিডিও শেয়ার হওয়ার সাথে সাথেই ঝড়ের গতিতে ভাইরাল হয়েছে এই ভিডিও। ভিডিওটিতে বাচ্চাটির কথার টান শুনেই বোঝা যাচ্ছে ভিডিওটি বাংলাদেশের। এই ভিডিও সোশ্যাল মিডিয়ায় ভাইরাল হতেই হাসছেন নেটিজেনদের একাংশ। হাসি থামতেই চাইছে না তাদের। তবে নেটিজেনদের একাংশের দাবি এমন মনোভাব আর পরিস্থিতি চলতে থাকলে ভবিষ্যতে আর কোন বাচ্চাই স্কুলমুখী হতে চাইবে না।

Back to top button