Story

পরিবারের অমতে ১৩ বছরের বড় ধর্মেন্দ্রকে বিয়ে, বিয়ের পরের দিনেই হেমা মালিনীকে বিধবার পোশাক পরতে বলা হয়েছিল

বলিউডের অন্যতম প্রথম সারির অভিনেত্রী ছিলেন হেমা মালিনী। অসংখ্য জনপ্রিয় হিট ছবি উপহার দিয়েছেন নিজের অসংখ্য দর্শকদের। একদিনে তিনি বলিউডের ড্রিম গার্ল হয়ে ওঠেননি। ড্রিম গার্ল হয়ে ওঠার পিছনে তার অনেক কঠোর পরিশ্রম রয়েছে। সেই সময়ের সুন্দরী অভিনেত্রী দের মধ্যে তিনি অন্যতম ছিলেন। সুন্দরী হওয়ার পাশাপাশি তিনি একজন দক্ষ অভিনেত্রী ছিলেন, তা বলার অপেক্ষা রাখে না।

সম্প্রতি তার জীবনের একটি অজানা তথ্য উঠে এসেছে সকলের সামনে। অভিনয় সূত্রেই ধর্মেন্দ্রর সাথে প্রেম হেমা মালিনীর। একসাথে বহু ছবিতে অভিনয় করেছেন তারা। একসময়ের হিট জুটি ছিল ধর্মেন্দ্র-হেমা মালিনী। পরবর্তীকালে তারা বিবাহ বন্ধনে আবদ্ধ হন। ১৯৮০ সালে বিয়ে হয় তাদের। বিয়ের পর ৪১ বছর সুখী দাম্পত্য জীবন কাটাচ্ছেন তারা। বর্তমানে অভিনেত্রীর বয়স ৭৩।

জানা যায়, অভিনেত্রীর সঙ্গে ধর্মেন্দ্রর যেদিন বিয়ে হয়েছিল তারপরের দিনেই দুজনের শুটিংয়ের ডেট ছিল। বিয়ের পরের দিনেই ঠিক সময়ে তারা শুটিং ফ্লোরে উপস্থিত হয়ে গিয়েছিলেন। তবে হেমা মালিনী শুটিং ফ্লোরে ঢুকেই বকা খেয়ে ছিলেন মনোজ কুমারের কাছে। তাকে না জানিয়ে অন্য ছবির কাজ হাতে নেওয়ায় বকা খেয়েছিলেন অভিনেত্রী। সেইসময় ‘ক্রান্তি’ ও ‘রাজিয়া সুলতান’ এই দুটি ছবির শুটিং একসাথে চালাচ্ছিলেন অভিনেত্রী।

সেদিন শুটিং ফ্লোরে গিয়ে মনোজ কুমারকে অভিনেত্রী একটু তাড়াতাড়ি শুটিংয়ের কাজ শেষ করার কথা বলেছিলেন। কারণ তার পরেই তার অন্য ছবির শুটিংয়ে যাওয়ার কথা ছিল। আর এই কথা বলাতেই মনোজকুমার ক্ষুব্দ হয়ে অভিনেত্রীকে বেশ কয়েকটা কথা শুনিয়ে দিয়েছিলেন। তিনি তাকে জানিয়েছিলেন, অন্য ছবিতে কাজ করার আগে তার একবার অন্তত তার অনুমতি নেওয়ার প্রয়োজন ছিল।

তবে বিয়ের পরেরদিনই শুটিংয়ের জন্য অভিনেত্রীকে বিধবার পোশাক পরতে বলা হয়েছিল। অভিনেত্রী বিয়ের পরের দিন এই সেই পোশাক পরতে রাজি ছিলেন না। সেদিন সাদা শাড়ি পড়ে শুটিং করতে তার মন চাইছিল না। তাই সেদিন রীতিমতো বিরক্ত হয়েই শুটিং বাতিল করে ফিরে গিয়েছিলেন হেমা মালিনী। সম্প্রতি সোশ্যাল মিডিয়ার হাত ধরেই সেই তথ্য উঠে এসেছে সকলের সামনে।

Back to top button