Story

‘আমিও ভাল অভিনয় পারি, প্রমাণের কোনও প্রয়োজন নেই’! সাক্ষাৎকারে এমন বক্তব্য করলেন সুপারস্টার অঙ্কুশ হাজরা

টেলিভিশনের বড় পর্দার একজন অন্যতম জনপ্রিয় অভিনেতা হলেন অঙ্কুশ হাজরা, দীর্ঘ কয়েক বছর হয়ে গেছে অঙ্কুশ টলিউড ইন্ডাস্ট্রিতে নিজের পরিচয় গড়ে তুলেছে। তার ঝুলিতে রয়েছে অসংখ্য হিট ছবি। শেষ কয়েক বছর সেভাবে টেলিভিশনের রুপোলি পর্দায় দেখা না গেলেও আবার নিজের নতুন কাজ নিয়ে পর্দায় ফিরছেন অঙ্কুশ। তিনি OTT প্লাটফর্মেও পা রাখতে চলেছেন।

শিকারপুর ওয়েব সিরিজের হাত ধরেই ওটিটি প্লাটফর্মে ডেবিউ করছেন অঙ্কুশ। এ বছর ২৮ তম চলচ্চিত্র উৎসবের দেখা যায়নি অঙ্কুশকে শুটিংয়ের কারণে কলকাতায় থাকতে পারেননি অভিনেতা। যার জন্য আখ ক্ষেপণ করেছেন এক সাক্ষাৎকারে সেই কথা জানিয়েছেন অঙ্কুশ।

এছাড়াও সাক্ষাৎকারে অভিনেতাকে প্রশ্ন করা হয় “ইন্দ্রদীপ দাশগুপ্তের ছবিতে ‘বিষ্ণু সেন’কে দর্শকদের কেমন লাগছে বুঝবেন কী করে?” উত্তরে অঙ্কুশ জানান “ছবির ট্রেলার মুক্তি পেয়েছে। অনুরাগী, ভক্তরা দেখে প্রশংসায় ভরিয়ে দিচ্ছেন। এটা দেখেই বুঝতে পারছি, চরিত্র হয়ে উঠতে পেরেছি। সবাই আমায় আমার মতো করেই বুঝতে পারছেন।” এরপরে অঙ্কুশ কে প্রশ্ন করা হয় একদম ভিন্ন স্বাদের ছবি, পরিচালক ইন্দ্রদীপ দাশগুপ্ত— ডাক পেতেই বুক দুরুদুরু? অঙ্কুশ জানান না, কোনও টেনশন নয়। বরং, উত্তেজনা ছড়িয়েছিল। নতুন কিছু করতে গেলে যে উত্তেজনাটা আমার দরকার হয়। যখনই দেখলাম, একদম ভিন্ন লুক, ভিন্ন ধারার অভিনয় করতে হবে. যা দর্শক আগে দেখেননি, আমি উৎসাহিত। গল্পটা যখন শুনলাম, গভীরতা ছুঁয়ে গেল। এমনিতেই ইন্দ্রদীপদার ছবি মানেই গভীর ভাবনা। এটাও ব্যতিক্রম নয়। তাই ডাক পেতেই দ্বিতীয়বার ভাবিনি।

এর পরের প্রশ্ন “একদম সাদামাঠা চরিত্রই বা কোথায়! ইতিহাসের অধ্যাপক থেকে রাজনীতিতে বদলে যাওয়া ‘বিষ্ণু সেন’। যার গায়ে মাওবাদীর তকমা। এ রকম চরিত্র আগে দেখেছেন?” অঙ্কুশ উত্তর দেন সেরকম দেখিনি। তবে গল্পে প্রচুর পড়েছি। আর এমন অনেক মানুষকে দেখেছি যে প্রচুর ওঠাপড়ার মধ্যে দিয়ে গিয়েছে। পালিয়ে বেড়িয়ে অবশেষে কারও কাছে আশ্রয় পেয়েছে। বাস্তবে খুব সাদামাঠ মানুষ, যার হাতে তথাকথিত ক্ষমতা নেই। যে চাইলেও সব বদলে দিতে পারে না— তার মনের অবস্থাটা বুঝতে পারি। ‘বিষ্ণু সেন’-এর আচরণে এই দিকগুলো ফুটিয়ে তোলার চেষ্টা করেছি। বলতে পারেন, এগুলোই আমার প্রস্তুতি ছিল। এ রকম কোনও মানুষের সঙ্গে সরাসরি কথাবার্তা বা পরিচয় হয়নি।

এরপর অভিনেতা কে প্রশ্ন করা হয় উইন্ডোলা সঙ্গে কবে তাকে পাকাপাকি ভাবে ঘর বাঁধতে দেখা যাবে অঙ্কুশ জানান “দাম্পত্যের থেকে কিছু কম কাটাচ্ছি বলে তো মনে হচ্ছে না! টানা এত গুলো বছর আমাদের সব কিছু এক সঙ্গে। খাওয়া, কাজ, বেড়াতে যাওয়া, মিটিং করা—সব কিছু। এর পরেও কি বিয়ের প্রয়োজন? ভাবলেই কেমন যেন ল্যাদ খাই।”

Back to top button