“যদি সহবাসই করে থাকেন তাহলে মুখ্যমন্ত্রী কি সহবাসের অনুষ্ঠানে গিয়েছিলেন?” নিখিল – নুসরতের বিয়ের অনুষ্ঠানে যাওয়া নিয়ে তুমুল বিতর্কের মুখে পড়লেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়

“বিয়ে হয়নি আমাদের আমরা লিভ ইন সম্পর্কে ছিলাম” এমনই মন্তব্য করে বিতর্কে জড়িয়েছেন সাংসদ তথা অভিনেত্রী নুসরত জাহান। ইতিমধ্যেই নিখিল ও নুসরতের বিচ্ছেদ নিয়ে সমস্ত জল্পনার অবসান ঘটিয়েছেন অভিনেত্রী।

তার বক্তব্য তিনি নাকি কোনো বিয়েই করেননি। তুরস্কে যে বিয়ে হয়েছিল ভারতে সেই বিয়ে আইনত বৈধ নয় বলেই জানিয়েছেন তিনি। বিদেশে গিয়ে বিয়ে করলেও তার বিয়ের রিসেপশন কলকাতাতেই হয়েছিল এবং সেখানে উপস্থিত ছিলেন স্বয়ং মুখ্যমন্ত্রী। সেই নিয়েও শুরু জল্পনা।

সেই অনুষ্ঠান নিয়ে কটাক্ষ শুরু হয়েছে নেট দুনিয়ায়। অনেকেই প্রশ্ন তুলতে শুরু করেছেন মুখ্যমন্ত্রী তাহলে কিসের অনুষ্ঠানে গিয়েছিলেন? এই নিয়ে তুমুল আলোচনা শুরু হয়ে গিয়েছে নেট দুনিয়ায়।

বেশ কিছুদিন ধরেই অভিনেত্রী ও নিখিল জৈন এর সম্পর্ক নিয়ে চলছিল জল্পনা কল্পনা। দুজনের সম্পর্ক যে শেষের দিকে চলে গেছিল সেটি দুজনের ভাব ভঙ্গিতেই স্পষ্ট ছিল। কিছুদিন আগেই এই বিষয়ে সিলমোহর লাগান ব্যাবসায়ী নিখিল। সম্প্রতি কোর্টে নুসরতের বিরুদ্ধে মামলাও করেছেন তিনি।

এই সমস্ত কিছুর সূত্রপাত ঘটে নুসরতের গর্ভবতী হয়ে পড়ার খবর নিয়ে। নেটিজেনদের প্রশ্ন যদি এতদিন কোনো রকম সম্পর্কেই ছিলেন না তাহলে নুসরতের সন্তানটি কার।

এই মন্তব্যে অভিনেত্রী বলেন, “এটি পুরোটাই আমার একান্ত ব্যাক্তিগত ব্যাপার, আমি চাইব না অন্যকেউ এই বিষয় নিয়ে মাথা ঘামায়।” নুসরতের বিরুদ্ধে মামলা করাতে নুসরত নিখিল ও তার পরিবারের বিরুদ্ধে টাকা ও গয়না হাতানোর অভিযোগ এনেছেন।

২০২৯ সালে তুরস্কে বেশ ধুমধাম করেই বিয়ে করেন অভিনেত্রী নুসরত ও নিখিল। হিন্দু এবং খ্রিস্টান দুই মতে তাদের বিয়ে হয় এবং কলকাতায় হয় রিসেপশন। নুসরত জানিয়েছেন ভারতের আইন মতে এই বিয়ে বৈধ নয়।

কেননা নুসরত মুসলিম ও নিখিল একজন হিন্দু এবং ইন্ডিয়ান স্পেশাল ম্যারেজ আ্যক্ট অনুযায়ী এই বিয়ের কোনো স্বীকৃতি নেই। কিন্তু নির্বাচনী হলফনামায় নুসরত নিজেকে বিবাহিত বলেই দাবি করেছেন।

নেট দুনিয়ায় এই নিয়ে তৈরি হয়েছে তুমুল বিতর্ক। নেট নাগরিকদের বক্তব্য তাহলে নুসরত কলকাতায় রিসেপশন কিসের দিয়েছিলেন, আর মুখ্যমন্ত্রীও “সহবাসের” রিসেপশনে উপস্থিত ছিলেন।