বিনোদন

“বিয়ে বাঁচিয়ে রাখার সব চেষ্টাই করেছিলাম, কিন্তু সব চেষ্টা বিফলে গেল”, দ্বিতীয় বিয়েও টিকলো না অভিনেত্রী মিয়া খালিফার!

পর্নস্টার মিয়া খলিফার নাম সেভাবে কারোরই অজানা নয় বিশেষ নতুন প্রজন্মের কাছে। নতুন প্রজন্ম এখন হামেশাই পর্ন সাইটে ঘুরে বেড়ায়। বলা যায় তারা মিয়া খলিফার ফ্যান। তবে মিয়া খালিফার আগেই টেকেনি প্রথম বিয়ে। এবারে দ্বিতীয় বিয়েও টিকলো না তার। সংসার ভাঙার সিদ্ধান্ত নিলেন জনপ্রিয় পর্ন তারকা।

মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে বসবাস করলেও মিয়া খালিফা জন্মগ্রহণ করেন লেবাননের। একসময় পরিবার থেকে তাকে পরিত্যাগ করা হয়। কারণ তিনি লেবাননের মেয়ে হয়ে বোরখা পড়েন এবং থ্রীসাম করেন। যদিও থ্রিসাম এর অর্থ নতুন প্রজন্মের কাছে অজানা নয় তবে যারা জানেন না তাদের জন্য জানিয়ে রাখা ভাল, এর অর্থ দুইয়ের অধিক ব্যক্তির সাথে যৌনসঙ্গমে লিপ্ত হওয়া।

বৈরুতে জন্ম এই সুন্দরী মিয়াখালিফার। তিনি ২০১৫ সালে যদিও পর্ন জগত ছেড়ে দিয়েছেন তবু তাকে সবাই মিয়াখালিফা বলেই চেনেন। ২০১১ সালে অভিনেত্রী এই জগতে প্রবেশ করেছিলেন। প্রবেশের পর থেকে এক বছরের মধ্যেই অভিনেত্রী ১১ টি পর্ন মুভি করেছেন। মিয়া খলিফার পরিবার ছিল অত্যন্ত রক্ষণশীল ক্যাথলিক। সেই ধর্মের পরিবারে বেড়ে উঠলেও পরবর্তীকালে মিয়া খালিফা সেই ধর্ম অনুসরণ করেননি।

শোনা যায় তার বয়স যখন মাত্র ১৮ বছর তখন তিনি বিবাহবন্ধনে আবদ্ধ হন, তবে স্বাভাবিক ভাবেই সে বিয়ে দীর্ঘস্থায়ী হয়নি। আসলে বেশীরভাগ সময়ই দেখা যায় ম্যাচিউরিটি অভাবের কারণে অনেক ক্ষেত্রেই ছোট বয়সে বিয়ে করলেও সেই বিয়ে ভেঙে যায়। সেই সম্পর্ক ভাঙার পর থেকেই মিয়া খালিফা হয়ে ওঠেন পর্নহাব এর অন্যতম জনপ্রিয় পর্নস্টার। টেক্সাস বিশ্ববিদ্যালয় থেকে ইতিহাস বিভাগে স্নাতক পর্নস্টার দ্বিতীয়বার বিয়ে করেন।

২০১৯ সালে সুইডিশ শেফ রবার্ট স্যান্ডবার্গের সঙ্গে আংটি বদল করেন নায়িকা। কিন্তু খুব অল্পসময়ের মধ্যেই স্বামীর সঙ্গে ছাড়াছাড়ি হয়ে যায় তার। এ প্রসঙ্গে অভিনেত্রী লিখেছেন, ‘আমরা দু’জনেই বেশ জোরের সঙ্গে বলতে পারি বিয়ে বাঁচিয়ে রাখার সব চেষ্টা আমরা দু’জনেই করেছিলাম। কিন্তু গত ১ বছর থেরাপি বা সমস্ত চেষ্টা সত্ত্বেও তা কার্যকর হল না। তবে একথা বলতে পারি আমরা একে-অপরের খুব ভালো বন্ধু হয়ে থাকব সব সময়।’

 

View this post on Instagram

 

A post shared by Mia K. (@miakhalifa)

Facebook Notice for EU! You need to login to view and post FB Comments!
Back to top button