বলিউড

১২ দিনের সদ‍্যোজাতর জন‍্য দুধ পাম্প করে শুটিং ফ্লোরে ফিরলেন জনপ্রিয় কমেডিয়ান ভারতী সিং, এত তাড়াতাড়ি শুটিং ফ্লোরে ফেরা নিয়ে নেটিজেনদের কটাক্ষের শিকার হলেন তিনি

সম্প্রতি কয়েকদিন আগেই মা হয়েছেন ভারতের প্রথম মহিলা কমেডিয়ান ভারতী সিং। মা হওয়ার পরে বারো দিনের মাথাতেই আবার নিজের কাজের জগতে ফিরে গিয়েছে ভারতী। গর্ভাবস্থা তেও তিনি কাজ থেকে ছুটি নেননি। ডেলিভারি হওয়ার পর কিছুদিন বিশ্রাম নিয়েই শুটিং ফ্লোরে ফিরেছেন তিনি। তবে সন্তানের জন্ম দেওয়ার কয়েকদিনের মধ্যেই তার এই কাজে ফেরা অনেকেই ভালো চোখে দেখছেন না। নেটিজেনদের একাংশ যেমন ভারতীর পাশে এসে দাঁড়িয়েছেন, তার এই সাহসিকতার প্রশংসা করেছেন। আবার অন্য অংশ নিন্দায় ভরিয়ে দিয়েছে। এত ছোট্ট বাচ্চাকে বাড়িতে রেখে এত তাড়াতাড়ি শুটিং করতে আসার কি দরকার ছিল এত কিসের তাড়াহুড়ো এই সমস্ত কটাক্ষ শুনতে হয়েছে।

এই সমস্ত ট্রোলের যোগ্য জবাব ও দিয়েছেন ভারতী। তিনি বলেছেন তাদের কাজে এরকম বাড়িতে বসে থাকার সুবিধা নেই। অনেকেই আছে যারা সন্তান জন্মের এক সপ্তাহ পর থেকেই কাজের জগতে ফিরে যান। অনেক কাজ রয়েছে যেগুলো তাকে করতেই হবে। তার জন্য বাড়িতেই নবজাতককে রেখে আসতে হবে। তবে নবজাতককে দেখার জন্য বাড়ির বাকি সদস্যরা রয়েছেন। নবজাতকের খেয়াল তারাই রাখছে।

ভারতী এটাও জানিয়েছেন যে তিনি নবজাতকের জন্য যথেষ্ট পরিমাণ দুধ পাম্প করে রেখে আসেন। যাতে তার খাবারের কোন অসুবিধা না হয়। এছাড়া অনেকেই বলছেন যে এবারে একটি মেয়ে হলে পরিবার সম্পন্ন হবে। ভারতী সিং তাদের উদ্দেশ্যে বলেছে যদি কেউ তাকে গ্যারান্টি দিয়ে বলতে পারে দ্বিতীয়বার মেয়ে হবে তাহলে সে মা হতে রাজি। কারণ ভারতী ও চায় যে এবার তার একটি কন্যা সন্তান হোক। ৩রা এপ্রিল মা হয়েছেন ভারতী সিং। ছেলে মুখ দেখে দারুণ খুশি তিনি ফুটফুটে এক পুত্রসন্তানের জন্ম দিয়েছেন তিনি। হাসপাতাল থেকে বাড়িতে আসার পথে পাপারাজ্জিদের ভিড় জমে ছিল তার বাড়ির সামনে পাপারাজ্জিদের ক্যামেরার সামনে হাসিমুখে পোজ দিয়ে দাঁড়িয়ে ছিলেন ভারতি।

নিজেদের ইউটিউব চ্যানেলে সন্তান জন্ম হওয়ার সময় একটি ভিডিও ক্লিপ শেয়ার করেছেন ভারতীয় এবং হর্ষ এবং ক্যাপশনে লিখেছেন ‘আমাদের পুত্রসন্তান সুস্থভাবে ভূমিষ্ঠ হয়েছে। আমরা এখনো বিশ্বাস করতে পারছি না ও আমাদের মাঝে এসে পড়েছে। এটা স্বপ্নের মতো। সফরটা খুব আবেগঘন ছিল আর এটা আমাদের কাছে সবথেকে আনন্দকর মুহূর্ত। নিজের সন্তানকে প্রথম বার কোলে নেওয়ার অনুভূতিটা শ্রেষ্ঠ। আমাদের মতোই আমাদের সন্তানকেও ভালবাসা দেবেন।’

Back to top button