পোষ্ট অফিসের চমৎকার স্কিম! মাত্র ১০ হাজার টাকা সেভিংস করলে পেয়ে যাবেন ১৬ লক্ষ টাকা

পোষ্ট অফিসের স্কিম মানেই হল সুরক্ষিত ইনভেস্টমেন্ট আর সঠিক রিটার্ন। ব্যাংকের থেকেও সুরক্ষিত রিটার্ন পাওয়ার একমাত্র জায়গা হল পোষ্ট অফিস।

তাই পোষ্ট অফিসের নতুন স্কিমটিও ছোটো ইনভেস্টমেন্ট করবার জন্য একদম উপযোগী। সামান্য টাকা ইনভেস্ট করে বেশ বড় আকারের একটি ম্যাচুউরিটি বেনিফিট পেয়ে যেতে পারেন। কিভাবে এখুনি জেনে নিন নতুন স্কিমটির ব্যাপারে।

এই স্কিমটিতে খুব অল্প পরিমাণে টাকা ইনভেস্ট করে শুরু করতে পারবেন। প্রতি মাসে ১০০ টাকা করে ইনভেস্ট করতে পারবেন এই স্কিমে। এই স্কিমের সব থেকে বড় সুবিধা হল সর্বোচ্চ যত খুশি টাকা আপনি ইনভেস্ট করতে পারবেন এখানে, কোনো রকম ফিক্সড এমাউন্ট নেই এখানে।

আপনাকে অন্তত ৫ বছরের জন্য একাউন্ট খুলতে হবে। এর থেকে কম সময়ের জন্য খুলতে পারবেন না। প্রত্যেক তিনমাসের জমানো টাকার উপর সুদ ক্যালকুলেট করে যোগ করা হয়।

পোষ্ট অফিসের বর্তমান সুদ হল ৫.৮ শতাংশ। নিয়মমাফিক প্রত্যেক তিন মাসে কেন্দ্র সরকারের তরফ থেকে ছোট সেভিংস গুলিতে সুদের হার ঘোষণা করা হয়ে থাকে।

আপনি যদি প্রতি মাস মিলিয়ে এই স্কিমে ১০ বছরের জন্য ১০ হাজার টাকা করে ইনভেস্ট করেন তাহলে ম্যাচুউরিটি হলে পেয়ে যাবেন ১৬,২৬৪৭৬ টাকা। অর্থাৎ যা আপনি ইনভেস্ট করছেন তার দ্বিগুণ ফেরত পাচ্ছেন। এই স্কিমটি বিশেষ করে সদ্য হওয়া পিতা মাতাদের জন্য তৈরি করা হয়েছে। বাচ্চার ভবিষ্যতের কথা ভেবে পিতা মাতা এই স্কিমে ইনভেস্ট করতে পারেন।

তবে এই স্কিমের কিছু নিয়ম রয়েছে যেগুলো একাউন্ট হল্ডারকারী কে অবশ্যই পালন করতে হবে। যেমন কোনো মাসে যদি টাকা জমা দিতে না পারে না কোনো কারণে জমা দেওয়ার দিন চলে যায় এবং নিদৃষ্ট্ সময়ে টাকা না জমা পরে তাহলে জরিমানা ভরতে হতে হবে। টাকা জমা দিতে দেরি হলেও প্রতিমাসে ১ শতাংশ জরিমানা দিতে হতে হবে।

৪ মাস পরপর টাকা জমা না করলে একাউন্ট বন্ধও হয়ে যেতে পারে। তবে একাউন্ট বন্ধ হয়ে গ্রাহক আগামী দু মাস পর আবার একাউন্ট চালু করতে পারবেন। কিন্তু হ্যাঁ জমানো টাকা কিন্তু গ্রাহক ফেরত পাবেন না। তাহলে বোঝা গেলো নতুন স্কিমটির সব নিয়মাবলী।