ভাইরাল

ফুগলা শুধুমাত্র ভিডিওই বানায় না, পড়াশোনাটাও সমান ভাবে মন দিয়ে করে, জীবনের প্রথম পরীক্ষায় সেরা পারফরমেন্স করে সকলকে তাক লাগিয়ে দিল ছোট্ট ফুগলা

বর্তমানে সোশ্যাল মিডিয়াতে কনটেন্ট ক্রিয়েটরের অভাব নেই। কেউ কোন কাজ করুক না করুক ইউটিউবে এখন ঘরে ঘরে প্রত্যেকেই একটা করে চ্যানেল রয়েছে। আর সেই সমস্ত কন্টেন্ট ক্রিয়েটরদের জনপ্রিয়তা বড় বড় তারকাদেরও হার মানাবে। রাতারাতি তাদের মজার এবং ইন্টারেস্টিং ভিডিওগুলি দর্শকদের নজর কেড়েছে। যার ফলে তারা খুব সহজেই নেটিজেনদের নজরে এসেছে।

আর তাদের মধ্যে অন্যতম একজন হল ফুগলা। ছোট্ট মিষ্টি দুষ্টু স্বভাবের ছোট্ট ফুগলা খুব সহজেই নেটিজেনদের মন জয় করে নিয়েছে তার দুষ্টু মিষ্টি কথার মাধ্যমে। বর্তমানে ফুগুলা পরে নার্সারিতে। আন্টির কাছে পড়তে যায় সে রোজ। আর পড়ার শেষেই আন্টির সঙ্গে বানায় ভিডিও। আজ থেকে কয়েক মাস আগে তার আন্টি মজার ছলে একটি ভিডিও বানিয়ে সোশ্যাল মিডিয়া আপলোড করেছিল সেই ভিডিও এতটা পরিমাণে জনপ্রিয়তা পেয়েছিল যে পরবর্তীকালে তার আন্টি ফুগলার নামে সোশ্যাল মিডিয়াতে একটি পেজ খুলে দেয় এবং বর্তমানে সেখানেই আমরা ফুগলার নিত্য নতুন ভিডিও দেখতে পাই। সেখানেই ফুগলার বিভিন্ন কর্মকান্ড ফুটে ওঠে। এমনকি দাদাগিরির মঞ্চে এসেও ফুগলা সৌরভ গাঙ্গুলীর মন জয় করে নিয়েছিল।

তবে একটা জিনিসের সব সময় দুটো দিক থাকে, ভালো দিক এবং খারাপ দিক। ফুগলার এই মজার মজার ভিডিওগুলি নেটিজেনদের একাংশ ভালো চোখে দেখলেও অন্য অংশ ফুগলার এই কাজকে তার জীবনে ক্ষতি হিসেবে ধরে নিয়েছে। অনেকেই ফুগলার প্রশংসায় পঞ্চমুখ তবে অনেকেই আবার নানান রকম দাবি করেছেন সোশ্যাল মিডিয়াতে। কেউ কেউ কমেন্টে লেখে, “ছেলেটার পড়াশোনা শেষ হয়ে গেল”, “ছেলেটা কে দিয়ে ব্যবসা করাচ্ছে” “টাকা ইনকাম করে নিল কত” ইত্যাদি ইত্যাদি।

তবে এবারে এই সমস্ত নেটিজেনদের মুখের উপর যোগ্য জবাব দিলেন ফুগলার আন্টি। ফুগলা যে শুধুমাত্র ভিডিওই বানায় না পড়াশোনাটাও মন দিয়ে করে সেটাই বুঝিয়ে দিল তার আন্টি। স্কুলের বার্ষিক পরীক্ষায় ফুগুলা ৯৬.৬২ শতাংশ নম্বর পেয়ে সকলকে তাক লাগিয়ে দিয়েছে। জীবনের প্রথম পরীক্ষায় যে ফুগলা এত ভাল ফলাফল করেছে সেটাতে ফুগলার পরিবার এবং ফুগলার আন্টি গর্বিত। সেটাই সোশ্যাল মিডিয়ায় তুলে ধরেছে তার আন্টি।

সোশ্যাল মিডিয়ায় মার্কশিট হাতে ফুগলার একটি ছবি পোস্ট করে তাঁর আন্টি লেখেন, ‘ফুগলার জীবনের প্রথম ফাইনাল মার্কশিট। ৯৬.৬২ %(নার্সারী) পেয়েছে। হ্যাঁ, জানি অনেকেই বলবেন ছোটো বেলায় সবাই এরকম পায়, কিন্তু ফুগলার তো এটা একটাই ছোটবেলা তাই না, আর এই প্রথম ফাইনাল পরীক্ষা দিয়ে এত্ত মার্কস পেয়ে নতুন ক্লাসে ওঠার আনন্দটাও একদম নতুন।

আর সেটা ওর শুভাকাঙ্ক্ষীদের সাথে ভাগ করব না তা তো হয়না। যাইহোক ফুগলার আন্টি শুধু ভিডিও করেন না, সাথে একটু আধটু পড়াশোনাটাও শেখান, কি বলেন? আশীর্বাদ করবেন ফুগলা যাতে সবদিক সামলে এইভাবেই জীবনের পথে এগিয়ে যেতে পারে। শুধু ফুগলার আন্টি নয়, ফুগলার মা, বাবা দাদা এবং স্কুল এর প্রতিটি শিক্ষিকা ফুগলার পড়াশোনার ব্যাপারে যথেষ্ট যত্নবান। তাই যারা ‘ছেলেটার পড়াশোনা শেষ হয়ে গেল’, ‘ছেলেটা কে দিয়ে ব্যবসা করাচ্ছে’, ‘টাকা ইনকাম করে নিল কত’, এসব চিন্তা করে রাতদিন এক করে ফেললেন তাদের বলছি অযথা এসব ভেবে নিজের শরীর খারাপ করবেন না প্লিজ। চেষ্টা করুন আপনারও হবে।শুধু মনটা পরিষ্কার করে নেবেন একটু।

Back to top button