“দুয়ারে দুয়ারে সরকার” কর্মসূচীতে বাধা, মারধোর, প্রকাশ্যে এল তৃণমূলের গোষ্ঠীদ্বন্দ্ব

চলতি মাসের ১তারিখ থেকে তৃণমূল সরকারের পক্ষ থেকে শুরু হয়েছে “দুয়ারে দুয়ারে সরকার” কর্মসূচী৷ পাড়ায় পাড়ায় গাড়ি প্রচার চালাচ্ছে তৃণমূল সরকার৷ আসন্ন বিধানসভা নির্বাচনের কথা মাথায় রেখে আটঘাট বাঁধছে তৃণমূল৷ তবে এরই মধ্যে প্রকাশ্যে এল তৃণমূল কংগ্রেসের গোষ্ঠীদ্বন্দ্ব৷ রাজপুর সোনারপুর পৌরসভার ৩নং ওয়ার্ডে র প্রাক্তন পুরমাতা ও বর্তমান কো—অর্ডিনেটর অশোকা মৃধা এক কর্মীকে মারধোর করেন বলে অভিযোগ ওঠে৷ মারে আক্রান্ত হন তৃণমূল নেতা চন্দন হালদার৷

তার অভিযোগ স্বাস্থ্যসাথীর ফর্ম ফিলাপের কাজ করছিলেন তারা নতুন দিয়াড়া অঞ্চলে৷ হঠাৎই তাদের কাজে এসে বাধা দেন কো—অর্ডিনেটর অশোকা মৃধা৷ চন্দনবাবুর অভিযোগ যে প্রথমে বাধা দেওয়ায় তাদের সাথে কথা কাটাকাটি হয়,কিন্তু তারপরই মারধোর করা শুরু হয়৷ গোটা ঘটনাটি অবশ্য অস্বীকার করেছেন অশোকা মৃধা৷ তার দাবী চন্দন হালদারদের কর্মসূচীতে বিজেপির হস্তক্ষেপ আছে মূলত৷ তবে আক্রান্তদের বক্তব্য তারা সুব্রত বক্সীর একটি চিঠি নিয়েই কর্মসূচী পালন করছিলেন৷ এই চিঠিকেও ভুয়ো বলে দাবী জানান অশোকা মৃধা৷

এই ঘটনার পরিপ্রেক্ষিতে দক্ষিণ ২৪পরগণার তৃণমূলের মুখপাত্র জীবন মুখোপাধ্যায়ের প্রতিক্রিয়া জানতে গেলে তিনি বলেন,”যদি এমন ঘটনা সত্যি হয়ে থাকে,তা হলে ঠিক হয়নি৷”ঘটনাটি সত্যি হলে দল মার্জনা করবে না বলেও জানান তিনি৷ গোষ্ঠীদ্বন্দ্বের কথা তিনি মানতে নারাজ৷

পাশাপাশি বিজেপির বারুইপুর পূর্ব সাংগঠনিক জেলার সহ সভাপতি বসন্ত শেঠিয়ার দাবী যে মারধোরের ঘটনাটির সাথে বিজেপির কোনো যোগসূত্র নেই৷ একে “তৃণমূলের গোষ্ঠীদ্বন্দ্ব” বলেই দেগে দেন বসন্তবাবু৷