এই টোটকা মানলে AC চালিয়েও কম আসবে ইলেকট্রিক বিল! ইলেকট্রিক বিল দেখে মাথা খারাপ হবে না আর

চাঁদিফাটা গরম অস্বস্তি বাড়াচ্ছে দিন দিন। কদিন আগেই গোটা রাজ্য সাক্ষী থাকল ‘ইয়াস তান্ডবের’। ইয়াস চলাকালীন তাপমাত্রা কমলেও আবারও গরম পরে গেছে গোটা রাজ্যে।

হাঁসফাঁস অবস্থা মানুষের। বর্তমান পরিস্থিতিতে এই অতিমারির সময়ে প্রায় সকলেই গৃহবন্দী। তাই খুব একটা রাস্তাঘাটে বেড়াতে হচ্ছেনা তবে তাতেও গরম পিছু ছাড়ছে না মানুষের।

এখনকার দিনে মোটামুটি যাদের সামর্থ্য আছে তারা সকলেই গরম থেকে বাঁচতে নিজেদের বাড়িতে একটা করে এসি লাগিয়ে নিয়েছেন।

তবে গরমের জন্য সারাদিন এসি চালিয়ে রাখলে তার ফল পাওয়া যায় ইলেকট্রিক বিলে। যা দেখে চোখ কপালে ওঠে। তবে এখন এসি চালিয়েও কম বিল আসা সম্ভব।

এসি চালানোর সময় এসির তাপমাত্রা ১৮°-র বদলে ২৪° রাখুন তাহলে কমপ্রেসারও কম চলবে আর ইলেকট্রিক বিলও কম আসবে।

এসির তাপমাত্রা ১৮° হলে কমপ্রেসর বেশি চলে এবং ইলেকট্রিক বিলও বেশি আসে। আর তার ফলেই চোখ কপালে ওঠে লোকজনের।

এমন অনেকেই আছেন যারা গরমকালে সারারাত এসি চালিয়ে ঘুমান। এসির হাওয়ায় ঘর অতিরিক্ত ঠান্ডা হয়ে গেলে অনেকেই শীতে কাঁপতে থাকেন।

তারা যদি রাতে এসি চালিয়ে শোয়ার সময় এসির তাপমাত্রা ২৪° রাখেন এবং এসিটিতে টাইমার সেট করে দেন যাতে ঠিক সময় মত এসিটি বন্ধ হয়ে যায়, তাহলে ইলেকট্রিক বিলও আগের থেকে কম আসবে আর ঠাণ্ডায় কাঁপতেও হবেনা।

এসি চালানোর পরেও যদি ঠাণ্ডা না হয় তাহলে ঘরের দরজা জানলা গুলো ঠিক করে বন্ধ হচ্ছে কিনা সেটা দেখে নিতে হবে। প্রয়োজনে সেগুলি ভালো করে বন্ধ করতে হবে।

যদি দরকার পরে তাহলে পর্দাও লাগাতে হবে। আর এসি চালানোর আগে যদি সম্ভব হয় অন্যসব ইলেকট্রিক ডিভাইসগুলো বন্ধ করে রাখতে হবে।

হালকা করে এসি চালিয়ে যদি পাখাটা চালানো হয় তাহলে ঠান্ডা হওয়া ঘরের যেকোনো কোনায় পৌঁছে যাবে তার জন্য এসির তাপমাত্রা কমানোর প্রয়োজন হবে না। যে কোন জিনিসেরই যত্ন করলে সেটি অনেক দিন চলে।

তাই নিয়ম করে এসিরও যত্ন নিতে হবে। সময় মত এর সার্ভিসিং করাতে হবে। এগুলো ঠিকমতো করতে পারলেই ইলেকট্রিক বিল আগের তুলনায় অনেকটাই কম আসা সম্ভব।