টলিউড

“প্রথমত কম টাকায় আমি শো করি না” – কোভিড পরবর্তীকালে নিজেদের পারিশ্রমিক নিয়ে বিস্ফোরক মন্তব্য করলেন ইমন চক্রবর্তী এবং জিৎ গাঙ্গুলি

করোনা অতিমারিতে ভারতসহ সারা বিশ্বের অর্থনৈতিক কাঠামো নড়ে গিয়েছিল। কর্মী ছাটাই থেকে শুরু করে দ্রব্যমুল্যের দাম বৃদ্ধি যে হারে বেড়েছে তা অতীতে কখনো দেখা যায়নি, এমনকী বিশ্বযুদ্ধগুলির সময়েও নয়। তবে ২০২২ এর শেষের দিকে এসে পরিস্থিতি অনেকটাই স্বাভাবিক হয়ে এসেছে, সবাই আগের ছন্দে কাজে যাওয়াও শুরু করেছে, যাতায়াত ব্যবস্থাও স্বাভাবিক গতি ধরেছে। তবে অতিমারিতে অফিসকর্মী থেকে তারকা, দৈনিক শ্রমিক থেকে শিল্পীরা, সকলের জীবনেই চলছিল একটা সাময়িক বিরতী কিংবা টেম্পররি পস্।

সম্প্রতি ইমন চক্রবর্তী এক সাক্ষাৎকারে জানান, তিনি পারিশ্রমিক কম নেন না, বরং বেশি নেন। ইমন চক্রবর্তী পারিশ্রমিক না কমালেও এমন অনেক কম খ্যাতিপূর্ণ সঙ্গীতশিল্পী আছেন, যাঁরা তাঁদের উপযুক্ত পারিশ্রমিকের থেকে অনেক কম টাকায় শো করছেন জায়গায় জায়গায়। পুজো পার্বণ থেকে শুরু করে কিছুদিন পর বিয়ের ঋতুতে কি এমনটাই হবে সঙ্গীতশিল্পীদের সাথে? করোনা অতিমারির এতদিন পরেও কি যোগ্য পারিশ্রমিক পাবেন না তাঁরা?

সম্প্রতি সংবাদ মাধ্যমে সঙ্গীতশিল্পী ইমন চক্রবর্তীর একটি সাক্ষাৎকার প্রকাশিত হয়, যেখানে প্রশ্ন করা হয় করোনা কিভাবে প্রভাব ফেলেছে তাঁর জীবনে। তাঁর উত্তরে তিনি জানান সেইসময়ে কাজ বন্ধ ছিল ঠিকই, তবে পরে সবকিছু ঠিক হতে শুরু করলে তাঁর সঙ্গীতশিল্পী হিসেবে জীবনটিও সঠিক ট্র্যাকে চলে এসছে। পারিশ্রমিক ঠিকঠাক দেওয়া হচ্ছে কিনা প্রশ্নের উত্তরে তিনি জানান, “প্রথমত কম টাকায় আমি শো করি না। এখন আগের থেকে শো বেশি হচ্ছে এবং আমি নিজে টাকাও বেশি পাচ্ছি। তাই আমার পারিশ্রমিক যে অনেক কমেছে তা নয়”।

সুরকার ও সঙ্গীতশিল্পী জিৎ গাঙ্গুলিরও একটি সাক্ষাৎকার প্রকাশিত হয় যেখানে তিনি বলেন, করোনাকে কারণ বানিয়ে অনেকেই সঙ্গীতশিল্পীদের কম করে টাকা দিচ্ছেন। যেটিকে অসাধু বলেও দাবি করেন তিনি। কিছুদিন আগে আমেরিকা থেকে শো করে ফেরেন তিনি, পারিশ্রমিক নিয়ে জিজ্ঞেস করায় তিনি বলেন, “কয়েকদিন আগে আমেরিকা থেকে শো করে ফিরেছি। এখন মানুষের মধ্যে ভয় অনেকটা কমেছে। তবে এই শো কোভিডের আগে থেকেই নির্ধারিত ছিল। তাই কোভিড চলে যাওয়ার পরেও পারিশ্রমিক বাড়িয়ে দিতে পারিনি। কারণ সেটা উচিত হত না। আগে থেকে ঠিক করা পারিশ্রমিকেই শো করেছি”।

Back to top button