টলিউড

রূপঙ্কর এর জন্য বিপদে তার পরিবার! মেয়ে কে নিয়ে চিন্তিত রূপঙ্কর পত্নী চৈতালি, স্বামী ট্রোলড হওয়ায় মেয়েকে নিয়ে এখনও চিন্তায় রূপঙ্করের স্ত্রী চৈতালী

গত তিন চারদিন ধরে তোলপাড় সোশ্যাল মিডিয়া। কেকে র মৃত্যু কে ঘিরে সকলেই গভীরভাবে শোকাহত। আর অন্যদিকে রূপঙ্কর বাগচীর লাইভে এসে কেকে কে নিয়ে করা মন্তব্য গুলো দর্শক একেবারেই মেনে নিতে পারছেন না। সকলেই গায়কের উপর দারুন ক্ষেপে রয়েছেন। সংবাদ মাধ্যম থেকে কেকে কে ডেকে পাঠানো হয়েছে। সেখানেই গায়ক নিজের মন্তব্যের জন্য দুঃখের সঙ্গে ক্ষমা চেয়ে নেয়। ঐদিন প্রেস কনফারন্সে রূপঙ্কর এবং তার স্ত্রী চৈতালি জানান যে এই কতদিন তারা কিভাবে কাটিয়েছেন।

দুজনেই সংবাদ মাধ্যমে জানান “আমরা আসলে খুবই চিন্তায় আমাদের মেয়েকে নিয়ে। ওর এবার বোর্ডস পরীক্ষা। আমাদের চিন্তায় দেখে ও খুবই অস্থির। আসলে সবই তো সোশ্যাল মিডিয়ায় দেখতে পাচ্ছে। বুঝতেই তো পাড়ছেন বাবাকে নিয়ে ও কীরকম অস্থির হয়ে থাকতে পারে। এমনিতে আমরা বাড়ি থেকে বেরিয়েছি। দু’দিন শুটিংও করেছি। কিন্তু সময়টা ভাল নয়। আমি জানি আপনারা আমাদের পাশে আছেন।”

রূপঙ্কর বাবু আরও জানান যে এত ভুল বোঝাবোঝি তৈরি হয়েছে শুধুমাত্র তার কথা গুলো গুছিয়ে তিনি মানুষ কে বোঝাতে পারেননি। তিনি বলেন “শিল্প, সাহিত্য, সঙ্গীত, সবেতেই প্রাদেশিক পারফরমার… যেন একটি কঠিন খাদের ধারে এক অস্তিত্বের সংকটে দাঁড়িয়ে। তাই আমি একার কথা বলতে চাই না। আমি একটি সমষ্ঠির কথা বলতে চেয়েছিলাম। একই সঙ্গে তাই আরও কয়েকজন সমযোদ্ধার নাম করেছিলাম আমি। যাঁদের ট্যালেন্ট আমার মতে জাতীয় পর্যায়ের। পরে মনে হয়েছে নামগুলো বলার আগে জিজ্ঞাসা করে নেওয়া উচিত ছিল। কিন্তু আবার বলি এককভাবে এই ইস্যুটাকে আমি দেখিনি। কেকের মতো ভারত বিখ্যাত পারফরমারের নাম করাটা নিছক প্রতীকী ছিল। নিছক উপলক্ষ্য।”

“কেকে আজ যেখানেই থাকুন, ঈশ্বর যেন ওকে শান্তিতে রাখেন। আমার সঙ্গীত জীবনে এরকম বিভীষিকার মুখোমুখি আমাকে হতে হবে, যেখানে ওড়িশায় বসে করা একটি ভিডিয়ো পোস্ট এমন একটি পরিস্থিতি তৈরি করবে, যা আমার গোটা পরিবারকে ঠেলে দেবে চরম আতঙ্ক, দুর্ভাবনা ও মানসিক নিপীড়নের মধ্যে, আমি কল্পনাতেও ভাবিনি। যেখানে আমার বাড়ির বাইরে নিরাপত্তা রক্ষায় পাহারা দেবে টালা থানার পুলিশ, নিয়ত হুমকি এসেই যাবে আমার স্ত্রীর ফোনে।”

Back to top button