টলিউড

“সোশ্যাল মিডিয়া অশিক্ষিতদের চায়ের দোকান” সাম্প্রতিককালের বিষয় নিয়ে এক কথায় বললেন নচিকেতা!

ইউটিউবার রোদ্দুর রায় মাননীয়া মুখ্যমন্ত্রীকে নিয়ে অকথ্য ভাষায় গালিগালাজ দেওয়া ভিডিও করার কারণে গোয়া থেকে গ্রেপ্তার হয়েছেন সম্প্রতি। তবে এই ভিডিওটি করবার কিছুদিন আগেই কে কে বিতর্কে রূপঙ্কর বাগচীর বক্তব্যকে কেন্দ্র করে ভিডিও তৈরি করেন তিনি। সেই ভিডিওতে রূপঙ্কর বাগচী সম্পর্কে তিনি বলেন, শিল্পী হয়ে রূপঙ্কর যা বলেছেন তা থেকে বোঝা যায় যে তার কোনো রকম এথিকস নেই। এছাড়াও সেই ভিডিওতে কুৎসিত গালিগালাজ অশ্রাব্য ভাষা ব্যবহার করেছিলেন তিনি। তাই রোদ্দুর রায়কে নিয়ে বিতর্ক এখনো কাটেনি।

সোশ্যাল মিডিয়ায় রীতিমতো উত্তাল পরিবেশ সৃষ্টি হয়েছে রোদ্দুরের ভিডিও কে কেন্দ্র করে। যে ধরনের ভাষা তিনি তার ভিডিওতে প্রয়োগ করেন তা এইভাবে প্রকাশ্যে ব্যবহার করা উচিত কিনা তা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন অনেকেই। কিছু মানুষ বলেছেন, তার বাক স্বাধীনতা রয়েছে, অনেকে আবার বলেছেন, বাক স্বাধীনতা রয়েছে বলেই এরকম অশ্রাব্য ভাষা তিনি ব্যবহার করতে পারেন না। কেউ আবার বলেছেন একজন জনপ্রিয় ইউটিউবার হয়ে প্রকাশ্যে এই ধরণের কথা বললে অনেকেই তার থেকে ইন্ধন পাবেন। মোটকথা এই সবকিছু নিয়ে সোশ্যাল মিডিয়া রীতিমতো সরগরম হয়ে রয়েছে।

সম্প্রতি এই বিষয় নিয়ে বক্তব্য রেখেছেন সংগীত শিল্পী নচিকেতা চক্রবর্তী। উত্তরবঙ্গে কাজের ফাঁকে বেড়াতে গিয়েছিলেন তিনি, সেখানে একটি সংবাদ মাধ্যমের প্রশ্নের উত্তরে তিনি রোদ্দুর রায়ের বিষয়ে মুখ খোলেন। এইদিন স্বভাবসুলভ ভঙ্গিতে নচিকেতা বলে ওঠেন, সোশ্যাল মিডিয়া হলো অশিক্ষিতদের চায়ের দোকান। রোদ্দুর রায়কে নিয়ে প্রশ্ন করা হলে নচিকেতা সরাসরি বলেন যে, তিনি রোদ্দুর রায়কে চেনেন না। তাই এই নিয়ে তার কোনো বক্তব্য নেই।

সংগীত শিল্পী নচিকেতাকে সাম্প্রতিককালের বিতর্ক নিয়ে তাকে প্রশ্ন করা হলে নচিকেতার সাফ জবাব,“ সোশ্যাল মিডিয়া নিয়ে আমি খুব একটা কিছু বলব না। কারন আমার একটা ক্যাবলা ফোন(ফিচার ফোন) রয়েছে। ফলে সোশ্যাল মিডিয়ায় আমার থাকা হয় না। সোশ্যাল মিডিয়া একটা অশিক্ষিতদের চায়ের দোকানের মতো। সেটা নিয়ে মন্তব্য করার কোন মানে হয় না। সেভাবে দেখতে গেলে আমি খুব আনসোশাল।”

এরপর রোদ্দুর রায়কে নিয়ে প্রশ্ন করা হলে তিনি বলেন,“ আমি ভদ্রলোককে চিনি না। সুতরাং তাঁর সম্পর্কে আমি কী বা মন্তব্য করবো? কী বলেছে না বলেছে সেটা পাহাড়ে ছিলাম বলে খুব ভালো করে জানি না। যদি কিছু হয় আইন আইনের পথে হাঁটবে।” প্রসঙ্গত উল্লেখ্য এই দিন বৃহস্পতিবার যখন রোদ্দুর রায়কে ব্যাঙ্কশাল আদালতে তোলা হয় তখন সেখানে তাকে পাঁচ দিনের পুলিশ হেফাজতের নির্দেশ দেওয়া হয়। আদালতের বাইরে পুলিশের সাথে যখন তিনি যাচ্ছিলেন, তখন সংবাদমাধ্যম তাকে ঘিরে ধরে, তার এই পরিস্থিতি সম্পর্কে জিজ্ঞেস করা হয়। তখন সংবাদমাধ্যমে প্রশ্নের উত্তরে রোদ্দুর রায় শুধু একটাই কথা বলেন যে, আমি রাজনীতির শিকার।

Back to top button