টলিউড

“আরও একবার এগিয়ে বাংলা” – “নটী বিনোদিনী” তুলনা প্রসঙ্গে গর্বিত রক্মিণী

নটী বিনোদিনীর জীবন নিয়ে সিনেমা করার কথা টলিউড থেকে বলিউড সর্বত্র চলছিল। কয়েক বছর আগে বলিউডের জনপ্রিয় পরিচালক প্রদীপ সরকার ঐশ্বর্য রাইকে নির্বাচন করেছিলেন “নটী বিনোদিনী” চরিত্রের জন্য। ইতিহাসের এই সাহসিনী চরিত্র বলিউডে ফুটে উঠবে এমনটার সব কথাবার্তায় পর্যন্ত ঠিক হয়ে গিয়েছিল। কিন্তু বিশেষ কিছু কারণের জন্য সেই সিনেমা হয়ে ওঠেনি। এবার আবারও একবার শুরু হল এই প্রসঙ্গ। আর এবার টলিউড বলিউড একসাথে। দুটো ইন্ডাস্ট্রিতেই প্রায় কিছুদিনের ব্যবধানেই ঘোষণা করা হলো দুটো ইন্ডাস্ট্রিতেই আসতে চলেছে নটি বিনোদিনী। এমনকি দুটি ইন্ডাস্ট্রির ক্ষেত্রে কোন কোন অভিনেত্রী এই সাহসিনীর চরিত্রে থাকবেন তাও ঠিক হয়ে গিয়েছে।

বলিউডের সেই পরিচালক প্রদীপ সরকারের হিন্দি সিনেমা নটী বিনোদিনীতে নটি বিনোদিনীর চরিত্রে অভিনয় করবেন কঙ্গনা রানাওয়াত। গত বুধবার অভিনেত্রী নিজেই ঘোষণা করেছেন এই সুখবর। আবার অন্যদিকে টলিউডের নটী বিনোদিনী আসছে সে কথা ঘোষণা হয়ে গিয়েছিল গত সেপ্টেম্বর মাসে। বায়োপিকে নটী বিনোদিনীর চরিত্রে বাংলায় অভিনয় করবেন রুক্মিণী মৈত্র। টলিউডের এই সিনেমার পরিচালনা করছেন রাজকমল মুখোপাধ্যায়। বঙ্গ কন্যার প্রেমে তিনি তুলে ধরছেন, “বিনোদিনী – একটি নটির উপাখ্যান”। রুক্মিণী নিজেই তার মোশন পোস্টার শেয়ার করেছিলেন সোশ্যাল মিডিয়ায়। তখন বিনোদিনীর চরিত্রে রূকমীকে দেখে চারিদিকে ধন্য ধন্য পড়ে গিয়েছিল। টলিউডের পোস্টার চলে আসলো বলিউডের পোস্টার এখনো সামনে আসেনি। সুতরাং কঙ্গনার লুক এখনও প্রকাশ্যে আসেনি।

রুক্মিণী আর কাঙ্গনা দুজনকে নিয়েই সোশ্যাল মিডিয়াতে শুরু হয়েছে জোরদার সমালোচনা। রীতিমতো তুলনা চলছে দুই অভিনেত্রী কে নিয়ে। কেউ বলছেন, “কঙ্গনার অভিনয়ের কাছে আদৌ ধোপে টিকতে পারবেন তো রুক্মিণী?” আবার কেউ বলছেন, “রুক্মিণী মৈত্র এবার কড়া চ্যালেঞ্জের মুখে”। তবে এবার সমালোচনার মধ্যে রুক্মিণী নিজেই মুখ খুললেন। অভিনেত্রীর কথা এইটুকু স্পষ্ট যে, অভিনেত্রী একেবারেই বিষয়টিকে নিয়ে অহংকার করছেন না। কিংবা দুটি ইন্ডাস্ট্রির বিষয়ে এক হয়ে যাওয়াতেও মনে কোন সংশয় নেই অভিনেত্রীর। বরং উল্টোটা নটী বিনোদিনীর মতো একজন বাঙালি অভিনেত্রী কে নিয়ে সারা দেশ আলোচনা করছে এই বিষয়তে গর্বিত রুক্মিণী।

অভিনেত্রীর এক সংবাদ মাধ্যমের কাছে বলেন, “কঙ্গনার সঙ্গে তুলনা হওয়া নিঃসন্দেহে বড় পাওনা। অসাধারণ অভিনেত্রী। আমি নিজে ওঁর অভিনয়ের ভক্ত। কঙ্গনা আমার সিনিয়র নায়িকা। অতঃপর এর থেকে বেশি আমি কি-ই বা চাইতে পারি”। রুক্মিণীর সংযোজন, “যদিও আমার সিনেমা অনেক আগেই ঘোষণা হয়ে গিয়েছিল। তবে বাঙালি হিসেবে গর্ব হচ্ছে। গোটা দেশ এক বাঙালি অভিনেত্রীকে নিয়ে কথা বলছে। যিনি কিনা মেয়েদের সিনেমা, থিয়েটারে আসার সুযোগ করে দিয়েছিলেন। আরও একবার এগিয়ে বাংলা”।

Back to top button