টলিউড

দেবের সঙ্গে প্রেম করার সময় চার চারটে বছর নষ্ট করেছেন অভিনেত্রী শুভশ্রী গাঙ্গুলী, অকপটেই টেলিভিশনের সকলের সামনে সেই কথা স্বীকার করলেন অভিনেত্রী

টলিউডের প্রথম সারির অভিনেত্রী দের মধ্যে অন্যতম একজন হলেন শুভশ্রী গাঙ্গুলী। দীর্ঘ কয়েক বছর ধরে তিনি এই ফিল্ম ইন্ডাস্ট্রির সঙ্গে যুক্ত। নিজের অভিনয় জীবনে দর্শকদের একাধিক ভাল ছবি উপহার দিয়েছেন অভিনেত্রী। নিজের জীবনের যেকোনো পরিস্থিতিতে তিনি তার দিদিকে সব সময় পাশে পেয়েছেন। দিদি তার বেস্ট ফ্রেন্ড এর মতো। নিজের সমস্ত ছোট বড় সিদ্ধান্ত সে দিদির সঙ্গে ভাগ করে নেয়। যেদিন প্রথম বাড়িতে অভিনেত্রী হওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছিল সেই দিনই শুভশ্রীর বাড়ি থেকে কেউ মেনে নিতে পারেনি তার এই সিদ্ধান্ত। এমনকি অডিশনের প্রথম দিন তার বাবা তুমুল বিরোধিতা করে তার এই সিদ্ধান্তে। এমনকি তার মাকেও বিভিন্ন কটাক্ষে সম্মুখীন হতে হয়েছিল ও শুভশ্রীর এই সিদ্ধান্তের জন্য। শুভশ্রীর পরিবার অত্যন্ত রক্ষণশীল পরিবর্তে তার পরিবার থেকে এসব কেউই মেনে নিতে পারেনি। কিন্তু প্রথম যখন শুভশ্রী নিজের অভিনয়ের জন্য পুরস্কার পেয়েছিল সেদিন শুভশ্রীর বাবার চোখে আনন্দে জল চলে এসেছিল মেয়ের জন্য দারুণ গর্ব বোধ করেছিলেন তিনি সেদিন।

আসলে শুভশ্রী মফস্বলের মেয়ে হঠাৎ কলকাতায় গিয়ে কি করে অভিনেত্রী হয়ে উঠবে তা নিয়ে বেশ চিন্তায় ছিল তার পরিবার। কিন্তু বর্তমানে তিনি একজন সফল অভিনেত্রী। সকলে শুভশ্রী কে এক নামেই চেনেন। কয়েক বছর আগে জি বাংলায় দেব শংকর হালদার একটি অনুষ্ঠানের সঞ্চালক এর ভূমিকায় ছিলেন। তখনই শুভশ্রীকে নিজের জীবনের কিছু মুহূর্তের কথা জিজ্ঞাসা করেন অভিনেতা। তখনই শুভশ্রী জানিয়েছেন মাঝে অভিনয় থেকে কিছুটা মন সরে গিয়েছিল শুভশ্রীর। সেইসময় বিপুল ক্ষতি হয়েছিল তার। অভিনয় জগৎ থেকে বেশ খানিকটা দূরে চলে গিয়েছিলেন। কিন্তু তার জন্য তিনি কাউকে দায়ী করেন না। তিনি মনে করেন তার সিদ্ধান্তের জন্য তিনি নিজেই দায়ী। কিন্তু এখন অব্দি শুভশ্রী আফসোস করেন যে তিনি নিজের জীবনের চার চারটে বছর অপাত্রে দান করেছেন।

কিন্তু নিজের এই কঠিন পরিস্থিতির একবিন্দু আঁচ করতে দেয়নি নিজের বাবা মাকে। নিজের মনের মধ্যে সমস্ত দুঃখ একাকীত্ব জমিয়ে রেখেছিলেন। তার পরেই আবার দুর্দান্তভাবে ইন্ডাস্ট্রিতে কামব্যাক করেছেন অভিনেত্রী। পরিণীতা ছবির হাত ধরে তিনি অসাধারণ ভাবে ফিরে এসেছিলেন দর্শকের মাঝে। আর বর্তমানে মন দিয়ে কাজ করার জন্য সেই ফল পাচ্ছেন হাতেনাতে।

Back to top button