বলিউড

মা হওয়ার পর একাধিক সমালোচনা শিকার হতে হয়েছিল জনপ্রিয় অভিনেত্রী মাধুরী দীক্ষিতকে, এক সাক্ষাৎকারে বলিউডের নোংরা দিকের কথা তুলে ধরলেন অভিনেত্রী

অভিনয় জগতের একটি প্রচলিত কথা হলো যতদিন একজন অভিনেত্রীর রূপ যৌলস রয়েছে ততদিন তারা সিনেমা জগতে টিকেট রয়েছেন আর যতদিন তারা অবিবাহিত কিংবা কোন সন্তানের মা না হচ্ছেন ততদিন তাদের অভিনয় জগতে কদর করা হয়। যখনই বিয়ে হয়ে যায় তাদের সন্তান হয়ে যায় তখনই অভিনয় জগৎ থেকে তাদের কদর কমতে শুরু করে। এমন বহু অভিনেত্রী রয়েছেন আমাদের ইন্ডাস্ট্রিতে যাদের বয়সের সাথে সাথে গুরুত্ব কমে গিয়েছে। এমন অভিজ্ঞতা সম্মুখীন হয়েছিলেন জনপ্রিয় অভিনেত্রী মাধুরী দীক্ষিত ও।

বলিউড ইন্ডাস্ট্রি অন্যতম জনপ্রিয় সুন্দরী অভিনেত্রী হলেন মাধুরী দীক্ষিত। এখনো তার রূপে ঘায়েল হয় বহু পুরুষ। এতগুলো বছর কেটে গেছে কিন্তু আজও তিনি চির রঙিন চির সবুজ। কিন্তু আজ থেকে কয়েক বছর আগে যখন তার সন্তান জন্ম নিয়েছিল তখন তাকে শুনতে হয়েছিল একাধিক কটু কথা। অনেকেই তাকে বলেছিল সিনেমা ছেড়ে দিয়ে এবার বাড়িতে বসে সন্তান মানুষ করতে। ১৯৯৯ সালে শ্রীরাম নেনের সঙ্গে মাধুরী দীক্ষিতের বিয়ের হয়। এরপর ২০০৩ এ অভিনেত্রীর বড় ছেলে অরিনের জন্ম হয়। ২০০৫ এ জন্মায় ছোটো ছেলে রায়ান। এরপরেই বেশ কিছুদিনের জন্য অভিনয় জগত থেকে বিরতি নিয়েছিলেন মাধুরী। দেশ ছেড়ে তিনি পাড়ি দিয়েছিলেন সুদূর মার্কিন মুলুকে। দু’বছর সেখানে সংসার করে ফের ২০০৭ এ ‘আজা নাচলে’ দিয়ে কামব‍্যাক করেন তিনি।

কিন্তু অভিনেত্রীর বলিউডে ফিরে আসাটা অনেকেই ভালোভাবে নেননি। সম্প্রতি এক সাক্ষাৎকারে মাধুরী দীক্ষিত জানিয়েছেন “অনেকের অনেক ধরণেথ মতামতই থাকে। আমাকে অনেকেই বলেছিলেন, ‘তুমি এখন একজন মা। এখনো নেচে বেড়াচ্ছ কেন?’ কিন্তু আমরা সবকিছুই করি। ঘর সামলানো, সন্তান মানুষ করা এই সবকিছু আমরা এমনিই করি।” অভিনেত্রী আরো জানান যে গৃহবধূদের হামেশাই এই ধরনের পরিস্থিতি সম্মুখীন হতে হয়। অনেকেই মনে করে গৃহবধূ বলে তাদের কোন নিজস্ব জীবন থাকতে পারে না। মানুষ তো কথা বলবেই তাদের কাজই কথা বলা। কিন্তু আশেপাশের মানুষের এই সমস্ত কথা কখনোই মাধুরী দীক্ষিতের জীবনে কোন রকম প্রভাব ফেলেন।

Back to top button