বাংলা সিরিয়াল

‘হিন্দু হলে ভেবে দেখতাম’, “প্রেম তো দূরের কথা ফেসবুকেও রাখতে চাই না আমি”, যুবতীর মন্তব্যের যোগ্য জবাব দিলেন ‘করুণাময়ী রাণী রাসমণি’ খ্যাত গাজী আব্দুন নূর

হঠাৎ করেই রাণীমার স্বামী রাম চন্দ্রের মন ইটিশ পিটিশ প্রেম করার জন্য উঠে পড়ে লেগেছে। গত মঙ্গলবার গাজী আব্দুন নূর ফেসবুকে পোস্ট করেন, “একখান ইটিশ পিটিশ প্রেম করতে মন চায়।” জি বাংলার জনপ্রিয় ধারাবাহিক করুণাময়ী রানী রাসমনির দৌলতে গাজী আব্দুন নূর এই নামটি কারোরই অজানা নয়। একসময় এই ধারাবাহিকে রাণীমার স্বামীর চরিত্রে অভিনয় করছেন অভিনেতা। তবে বহুদিন হয়ে গেছে তাঁর জীবনাবসান হয়েছে এবং রানী রাসমণি ধারাবাহিক থেকে তিনি বিদায় নিয়েছেন।

সময় এগিয়েছে সময়ের হাত ধরে এগিয়েছে ধারাবাহিকের গল্প। আজ ধারাবাহিক এসে দাঁড়িয়েছে অনেকটা আগে। যেখানে সমাপ্ত হয়েছে রাণীমার জীবন কাহিনী ও। জীবন অবসান ঘটেছে রাণীমার আদরের প্রিয় ছোটজামাই মথুরামোহনের ও। রাণীমার চরিত্রে অভিনয় করতেন দিতিপ্রিয়া রায় এবং মথুরা মোহনের চরিত্রে অভিনয় করছেন জনপ্রিয় অভিনেতা গৌরব চট্টোপাধ্যায়।

যদি এখন বসন্তকাল নয় তবুও হরমোনগুলোর দুষ্টুমির কারণেই বসন্তের ছোঁয়া লেগেছে রাণীমার স্বামীর জীবনে। তবে একসময় প্রেম ভাঙার প্রসঙ্গে এক সংবাদমাধ্যমের সাক্ষাৎকারে অভিনেতা বক্তব্য রেখেছিলেন,‘‘২০১৫ তে ব্রেক আপের সময় নিজের হাতে মাথা মুড়িয়ে প্রতিজ্ঞা করেছি, সব করব প্রেম করব না। আর ওই পথ মাড়াই? যাচ্ছেতাই গিয়েছে দিনগুলো। কী ভাবে শুট করতাম আর তার পর কী ভাবে ভেঙে পড়তাম, বন্ধুরা জানেন।’’

অভিনেতার এই পোস্ট দেখে এক অনুরাগী কমেন্ট করে বসেন, “মুসলিম না হয়ে হিন্দু হলে রাজি ছিলাম।” এই কমেন্ট দেখেই বেজায় চটেছেন অভিনেতা। তিনি প্রত্যুত্তরে সাফ জানিয়ে এরকম মনোভাব অন্য মানুষের সাথে প্রেম তো দূরের কথা তিনি নিজের ফেসবুক প্রোফাইলে ও রাখতে চান না। শুধু অভিনেতাই নয় সেই নেটিজেনের এইরকম মনোভাব এর বিরুদ্ধে একাধিক নেটিজেন মন্তব্য জানিয়েছেন।

২১ শতাব্দী মুখে দাঁড়িয়েও আজও দেখা যায় সমাজে জাতপাত বর্ণ বৈষম্য নিয়ে নানারকম গোঁড়ামি। কোন অন্য ধর্মের মানুষ অন্য ধর্মের অপর এক মানুষকে বিয়ে করতে গেলে যে কোন একজনকে ধর্মান্তরিত হতে হয়। এরকম ঘটনার উদাহরণ রয়েছে বহু। তবে অনেকেই মানিয়ে নিয়েছেন সেই সব নিয়মে। অনেকক্ষেত্রে দেখা যায় দুজন ভিন্ন ধর্মের মানুষের লাইফস্টাইল খাবার পোশাক-আশাক ঈশ্বর উপাসনা থেকে শুরু করে সবকিছুই ভিন্ন।

Back to top button