নিজের থেকেও বিপাশার জনপ্রিয়তা সহ্য করতে পারেননি বেবো, প্রকাশ্যেই বিপাশাকে মেরে বসেন চড়!

বলিউডে অভিনেতাদের মধ্যে ভালো বন্ধুত্ব দেখা গেলেও অভিনেত্রীদের ভালো সম্পর্ক দেখতে পাওয়া বেশ ভাগ্যের ব্যাপার হয়ে থাকে। তাও আবার একই ছবিতে অভিনয় করা সহ অভিনেত্রীর সঙ্গে ভালো সম্পর্ক থাকাটা অস্বাভাবিক বলা চলে।

দুই অভিনেত্রীর মধ্যে ক্যাট ফাইট হবে না এটা আশা করা বেশ কঠিন ব্যাপার। যেমন করিনা কাপুর খান ও বিপাশা বাসুর কথাই ধরেনিন। একসঙ্গে ছবি করবার সময়ে বেশ বড়সড় ঝামেলা বাঁধিয়ে ফেলেন দুই অভিনেত্রী।

শুধু তাই নয় প্রকাশ্যে বিপাশা বসুকে গালে চড় পর্যন্ত মারেন বেবো। ২০০১ সালে এই দুই অভিনেত্রী আজনাবি নামে একটি সিনেমার শুটিং করছিলেন। দুজনের বিপরীতে ছিলেন ববি দেওল ও অক্ষয় কুমার। অর্থাৎ চারজন বলিউড অভিনেতা ও অভিনেত্রী দের নিয়ে চলছিল শুটিং।

বিপাশা বসু বরাবর নিজের সাহসী দৃশ্যের জন্যই দর্শকদের মন কেড়েছেন। এই সিনেমাটিতেও তার বিপরীত কিছু হয়নি। সিনেমাটি মুক্তি পাওয়ার পর বিপাশার হট দৃশ্য গুলি বেশ তোলপাড় করে দিয়েছিল মিডিয়া হাউস গুলোতে।

নিজের কাজের থেকে বেশি জনপ্রিয়তা পেয়ে যাচ্ছিলেন বিপাশা। নিজের কাজের প্রসংসা অবধি ঠিক মত পাচ্ছিল না বেবো। সেই জন্য রাগের মাথায় যাচ্ছেতাই বলে অপমান করতে শুরু করেন বেবো।

শুধু তাই নয় বিপাশার গায়ের রঙের জন্য তাকে কালো বিড়াল বলেও ডাকেন বেবো। নিজের রাগ সংযম করতে না পেরে গায়ে হাতও তোলেন তিনি। দুজনের মধ্যে ঝগড়া সামলানোর জন্য মাঝখানে পড়েন ববি দেওল।

এই ঘটনার পর দুজনেই সিদ্ধান্ত নেন যে আর কোনো দিন দুজন দুজনের সঙ্গে কাজ করবেন না। আজ এতগুলো বছর কেটে যাওয়ার পরও এই দুজনকে কোনোদিন একসাথে দেখা যায়নি। একজন দুটি সন্তানের মা হয়ে গিয়েছেন আর অন্যজন দিব্যি স্বামী নিয়ে সুখে সংসার করেছেন। কিন্তু তাও দুজনের মধ্যে এখনও বরফ গলতে দেখা যায়নি।

যদিও কিছুদিন আগে করিনা কাপুর খানের স্বামী সাইফ আলী খানের জন্মদিনের পার্টিতে বিপাশা বসুকে আমন্ত্রিত দের মধ্যে দেখা যায়। তাহলে কি এতগুলো বছর পর মিটলো দুজনের রাগ অভিমান।

যদিও বেবো এবং বিপাশাকে পার্টিতে একে অপরের সঙ্গে কথা বলতে দেখা যায়নি। কিন্তু তাও দুজন একই জায়গায় উপস্থিত তো ছিলেন। এই খবরে দুজনের অনুরাগীরা বেশ খুশি হয়েছেন। দুজনের মধ্যে এই রাগারাগি পুরোপুরি কবে মিটবে এটাই দেখার অপেক্ষা শুধু সেই আশাতেই দিন গুনছেন দুজনের ভক্তরা।