বাংলা সিরিয়াল

পুরনো বন্ধুকে পেয়ে দিদি নাম্বার ওয়ানের মঞ্চে কান্নায় ভেঙে পড়লেন রচনা, চোখের জল মুছিয়ে সান্ত্বনা দিলেন প্রসেনজিৎ!

জীবনে কিছু কিছু শোক আছে যা ভোলা যায় না, হাজার চেষ্টা করলেও ভোলা যায় না, হাজার কাজের মাঝে থাকলেও ভোলা যায় না, পরিস্থিতি এবং সময়ের সাথে সাথে সেই শোক কিছুটা স্তিমিত হয়ে পড়লেও আদপে মনের থেকে তার রেশ কোনদিনই কাটে না। আপনজনেদের হারানোর শোক এমনই যে সারা জীবনেই তা বয়ে বেড়াতে হয় নিঃশব্দে, ঠিক যেন তুষের আগুন, সেই ভাবেই ধিকি ধিকি জ্বলে। ঠিক তেমনই শোকের মধ্যে দিয়ে যাচ্ছেন নয়ের দশকের জনপ্রিয় দাপুটে অভিনেত্রী রচনা ব্যানার্জী। আপনজনকে হারানোর শোক এখনো কাটিয়ে উঠতে পারেননি তিনি।

তার জীবনের সব থেকে বড় বন্ধু ছিলেন তার বাবা, জীবনের প্রত্যেকটি পদে পদে বাবাকে পাশে পেয়েছিলেন তিনি, সেই পিতৃশোক এখনো পুরোপুরি কাটিয়ে উঠতে পারেননি জনপ্রিয় এই অভিনেত্রী। জি বাংলার দিদি নাম্বার ওয়ানের মঞ্চে পুরোনো বন্ধুকে পেয়ে তাই আবেগঘন হয়ে কেঁদেই ফেললেন তিনি। মঙ্গলবার দিদি নাম্বার ওয়ানের বিশেষ পর্ব অনুষ্ঠানটি সম্প্রচারিত হয়েছে, এই দিন মেয়েদের সাথে খেলাতে অংশগ্রহণ করেছিলেন বাবারা।

অন্যদিকে নিজের আসন্ন ছবির প্রচারের জন্য প্রসেনজিৎ চ্যাটার্জী হাজির হয়েছিলেন দিদি নাম্বার ওয়ানের মঞ্চে। সম্প্রতি প্রসেনজিৎ চ্যাটার্জী অভিনীত ‘আয় খুকু আয়’ ছবিটি খুব শীঘ্রই মুক্তি পাবে। এই ছবিতে নির্মল মন্ডলের চরিত্রে অভিনয় করছেন প্রসেনজিৎ চ্যাটার্জী। নির্মল মন্ডল একজন বাবা, যিনি তার সন্তানকে বড় করেছেন একাই, এই ছবিতে একা বাবার লড়াই উঠে আসবে। এই ছবিতে প্রসেনজিতের মেয়ের ভূমিকায় অভিনয় করছেন রানী রাসমণি খ্যাত দিতিপ্রিয়া রায়।

ছবির প্রচারের জন্য এই দিন প্রসেনজিৎ চ্যাটার্জী হাজির হয়েছিলেন দিদি নম্বর ওয়ানের মঞ্চে, সেখানে প্রসেনজিৎ রচনাকে তার বাবা সম্পর্কে কিছু কথা বলবার জন্য অনুরোধ করেন। কিন্তু বাবাকে নিয়ে একটি কথাও বলতে পারেননি রচনা ক্যামেরার সামনে, কান্নায় ভেঙে পড়েন তিনি। তার বহুদিনের বন্ধু সহকর্মী প্রসেনজিৎ তখন এগিয়ে আসেন রচনার কাছে, চোখের জল মুছে দেন তার, কিছুক্ষণের মধ্যে স্বাভাবিক হয়ে সঞ্চালিকা বলেন,“আমার বাবাই আমার জীবনের সব ছিল।”

অভিনেত্রী বলেন, বাবার সাথে কাটানোটা আশীর্বাদ। একটা সময়ে সবাইকে এক হয়ে যেতে হবে এটাই নিয়ম। সেই অভিজ্ঞতা আমার হয়েছে বলেই মনে হয়। বাবার সঙ্গে আরো কয়েকটা দিন বেশি সময় কেন কাটালাম না। প্রসঙ্গত উল্লেখ্য, গত নভেম্বর মাসে রচনা ব্যানার্জীর বাবা রবীন্দ্রনাথ ব্যানার্জী মারা যান দীর্ঘদিন ধরে বার্ধক্যজনিত সমস্যার কারণে তার মৃত্যু হয়।

Back to top button