বাংলা সিরিয়াল

বাবা কলকাতা পুরসভার মেয়র, উত্তম কুমারের নাতবৌ, রঙ্গবতী গার্লকে ক্যাফেতে ঢুকতেই দেওয়া হলো না সাইকেল নিয়ে যাওয়ার কারণে! এক ক্যাফের বিরুদ্ধে বিস্ফোরক অভিযোগ দেবলীনা কুমারের!

তাকে রঙ্গবতী গার্ল হিসেবেই সকলে চেনেন কিন্তু তার আরও একটি পরিচয় আছে , তিনি উত্তম কুমারের নাতি গৌরবের স্ত্রী, এছাড়া বর্তমানে তাকে সাহেবের চিঠি ধারাবাহিকের দৌলতে সকলে এক নামে চেনেন। এই ধারাবাহিকে রাইমা চরিত্রটি করছেন তিনি। এছাড়া তার আরো বড় একটি পরিচয় আছে, তার বাবা তৃণমূল বিধায়ক তথা মেয়র পরিষদ, কিন্তু সেই দেবলীনাকেই‌ কিনা হেনস্তা হতে হলো, সাইকেল চড়ে যাওয়ার কারণে। রবিবার বালিগঞ্জের এক ক্যাফের বিরুদ্ধে বিস্ফোরক অভিযোগ আনে‌ন দেবলীনা কুমার।

অভিনেত্রী জানান যে, তিনি প্রতিদিন সকালে রাস্তায় সাইকেল চালান, এই দিন ও তিনি সাইকেল নিয়েই গিয়েছিলেন ক্যাফেতে, তবে সাইকেল নিয়ে যাওয়ার কারণে তাকে অপ্রীতিকর ঘটনার মুখোমুখি হতে হয়েছে এইদিন। নিজের ক্ষোভ উগরে অভিনেত্রী লেখেন,“আমি সাইকেলিস্ট হিসাবে সকাল সকাল তাঁদের দোকানে গিয়েছিলাম, নিজের সাইকেলে।

কিন্তু তাঁরা ঢুকতে বাধা দেন। নিরাপত্তারক্ষী আমার সাইকেলের দেখাশোনা করতে অস্বীকার করে। সর্বোপরি, ওই ক্যাফের নিজস্ব পার্কিং এলাকায় আমার সাইকেল রাখতে পর্যন্ত দেওয়া হয়নি, যদিও সেখানে প্রচুর ফাঁকা জায়গা ছিল। ওরা যে একজন গ্রাহক হারাচ্ছে,সেই নিয়ে ওদের কোনও মাথাব্যাথা নেই।…..আমাকে ঢুকতে দেওয়া না হওয়ায় নিরাপক্ষী রক্ষী আমার দিকে তাকিয়ে হাসছিল এবং ব্যঙ্গ করছিল।”

এর পাশাপাশি দেবলীনা আরো লেখেন যে,“পরিবেশের স্বার্থে, ফিটনেসের স্বার্থে, ট্রাফিক জ্যাম কমাতে অথবা শুধুমাত্র আনন্দের জন্যই সাইকেলিং-কে জনপ্রিয় করবার চেষ্টা করা হচ্ছে শহরজুড়ে। কিন্তু এই ধরণের ব্যবহার খুব দুর্ভাগ্যজনক, মন ভেঙে যায়” দেবলীনা জানেন যে এই ঘটনা শুনে অনেকেই তাকে বলবেন যে তার পরিচয় জানা সত্ত্বেও তাকে ঢুকতে দেওয়া হলো না কেন, তাদের উদ্দেশ্যে তিনি বলেছেন,“এরপর যারা বলবে তোমাকেও ঢুকতে দিল না, জানে না তুমি কে? তাদের বলি-আমি সবসময় আমার বাবার পরিচয় দিই না। ধন্যবাদ”

অভিনেত্রীর পোস্টে একজন নেটিজেন কমেন্ট করে লিখেছেন যে,“সাইকেল কেন গাড়িও দেখভাল করে না কোনও নিরাপত্তারক্ষীরা, সেটা মালিকের দায়িত্ব”। সেই ব্যক্তিকে উত্তর দিতে গিয়ে দেবলীনা লেখেন যে, দেখা বা না দেখার নিয়ে সমস্যাটা নয়, আসলে তাকে সাইকেল নিয়ে ভিতরেই ঢুকতে দেওয়া হয় নি। যদিও বাইসাইকেল রাখতে বেশি জায়গাও লাগে না,এর পাশাপাশি অভিনেত্রী আরো লেখেন যে,“আমার বাবা কলকাতা পুরসভার পার্কিং-এর মেয়ার পারিষদ। রাস্তায় পার্কিং-এর নিয়ম আমি জানি, তবে আমাকে ভিতরে ঢুকতে দেওয়া উচিত ছিল”

Back to top button