বাংলা সিরিয়াল

পিলুর বুদ্ধি ও সাহায্যেই রঞ্জা বাজিমাত করে দ্বিতীয় বার তাল ক্ষীর বানালো অথচ পিলুকেই প্রোমোতে সাইডে রাখা হয়েছে! পিলু ভক্তরা ক্ষোভে ফুঁসছেন

জি বাংলার জনপ্রিয় ধারাবাহিক ‘পিলু’তে দেখা যাচ্ছে যে, জন্মাষ্টমীর দিন বিন্দি তালক্ষীর নষ্ট করে দিলে‌ রঞ্জা চ্যালেঞ্জ নেই যে সে তালক্ষীর আবার দ্বিতীয়বার বানাবে আর পিলুর সাহায্যে সে সেটা বানিয়ে ফেলে। অথচ ধন্য ধন্য করা হয় রঞ্জার নামে। এই দেখে পিলু ভক্তরা রীতিমতো ক্ষোভে ফুসছেন! একদলের বক্তব্য পিলুকে কোন গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব দেওয়া হয়নি, আর এক দলের বক্তব্য পিলুর বুদ্ধিতেই রঞ্জা বাজিমাত করল অথচ পিলু কে গুরুত্ব দেওয়া হয়নি! প্রোমো এপিসোডে তাকেই সাইডে রাখা হয়েছে!

একজন সোশ্যাল মিডিয়ায় লিখেছেন যে, “পিলুর দিক থেকে চোখ ফেরানো যাচ্ছে না.. তবে বড় নাতবৌ হিসাবে জন্মাষ্টমীর উৎসবে ওকে আরো দায়িত্বপূর্ণ ভূমিকাতে দেখতে মন চাইছিল বার বার .. কিন্তু শুধুমাত্র তালের বড়া ভাজাতেই সীমাবদ্ধ রাখা হল পিলুকে .. বাড়ীর বড় নাতবৌ যার কারণে বাড়ীর বড় নাতি আহির এবং পরিবারের বড় গিন্নি সোহিনী আবার পরিবারে ফেরত এসেছিল তার আরেকটু বেশী গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা আশা করতেই পারি আমরা বিশেষ করে প্রসঙ্গটা যখন পারিবারিক পার্বণ ও পরিবারের মঙ্গল কামনা .. যেটাকে অস্বীকার করতে পারা যায় না কোন ভাবেই .. তাই না”

এদিকে প্রোমোতে পিলুর ভূমিকা কে দেখানো না হলেও এপিসোডে দেখা গেল পিলুর ভূমিকায় কিন্তু মেন। রঞ্জা রান্নাঘরে পিলুকে বলছে আমি সকলের সামনে বলে ফেলেছি ঠিকই তাল ক্ষীর দ্বিতীয়বার বানাবার কথা কিন্তু আমি এটা এত তাড়াতাড়ি কীভাবে বানাবো তাই নিয়ে আমার খুব চিন্তা হচ্ছে।

তখন পিলু বলে, তুমি চিন্তা করো না। আমি আলাদা করে তাল গুলিয়ে রেখেছি সেটা এক্ষুনি নিয়ে আসছি। এরপর পিলু সেই তালগোলা দিয়েই তৈরি করলো রঞ্জা তালক্ষীর। এই নিয়ে আর একজন নেটিজেন লিখেছেন যে, পিলুর বুদ্ধি এবং সাহায্যেই দ্বিতীয় বার তাল ক্ষীর তৈরি করতে পারল রঞ্জা, কিন্তু প্রোমোতে পিলু কে কোন গুরুত্বই দেওয়া হয় নি।

Back to top button