বাংলা সিরিয়াল

‘আসলে অনামিকাই জিনি যদিও অনামিকা জিনি নয়’-লালকুঠি ভক্তরা একমাত্র এই ধাঁধার সমাধান বলতে পারেন!

রহস্য রোমাঞ্চ জমজমাট ধারাবাহিক লালকুঠি। জি বাংলার জনপ্রিয় এই ধারাবাহিক অন্যান্য সকল ধারাবাহিকের থেকে বেশ আলাদা। কারণ এই ধারাবাহিকের কাহিনী অন্যান্য সকল ধারাবাহিকের কাহিনীর থেকে বেশ অভিনব। এই ধারাবাহিক টিআরপির বিচারে সেইভাবে এগিয়ে না গেলেও দর্শকদের একাংশ মনে করেন রাত্রি সাড়ে নটা স্লট বদলে অন্য কোন স্লটে দিলে এই ধারাবাহিক স্লট পাবেই। এছাড়া এটাও বলা যায় যে সমস্ত ধারাবাহিক টিআরপির নিরিখে বিচার করা যায় না, কিছু কিছু ধারাবাহিক বইপ্রেমী মানুষদের কাছে অত্যন্ত মূল্যবান হয়ে থাকে লালকুঠিও সেরকমই একটি ধারাবাহিক।

এই ধারাবাহিকে প্রথম থেকে অনেকগুলো রহস্য দানা বেঁধে বসে আছে। তার মধ্যে সবথেকে বড় রহস্যটা হলো জিনি কি আদৌও বেঁচে আছে? নাকি সে মরে গিয়ে ভূত হয়ে লালকুঠির বাড়িতে ঘুরে বেড়ায়? সেই রহস্যের কিছুদিন আগেই সমাধান হয়েছে দেখা গেছে জিনি বেঁচে আছে এরপর আরো জানা গেছে যে, জিনি আসলে লালকুঠিতেই সর্বক্ষণ একটা কালো হুডি পড়ে ঘুরে বেড়ায়। কে আসলে জিনি এই রহস্য সমাধান করতে বিক্রম একবারে উঠে পড়ে লেগেছে।

অবশেষে বিক্রমের সামনে এসে দাঁড়িয়েছে নকল জিনি আর নকল জিনি কে বিক্রমের কাছে পাঠিয়েছে আসল জিনি। রহস্য সমাধান হয়ে গেছে কিন্তু দর্শকরা বলেন লালকুঠি এখন যে অবস্থায় দাঁড়িয়ে আছে তা হল, “
আসলে অনামিকাই জিনি।যদিও অনামিকা জিনি না।অনামিকা নকল জিনি এবং আসল জিনি হলো অনামিকা।অনামিকা আসল জিনি কিন্তু নকল জিনিও অনামিকা।অনামিকা নকল জিনি হলেও অনামিকাই আসল জিনি।জিনি হলো অনামিকা,যদিও অনামিকা জিনি নয়….
to be continued”-কি মাথা ঘেঁটে গেল বুঝতে পারলেন না তো? আসলে আর্টিকেলটা পড়ে কিছুই বুঝতে পারবেন না যারা নিয়মিত লালকুঠির দর্শক তারা ঠিকই বুঝে যাবেন। আসল জিনি হল অনামিকা অর্থাৎ বিক্রমের স্ত্রী অনামিকা। চরিত্রটি করছেন রুকমা রায় এই চরিত্রের নাম অনামিকা।

আবার বলা যেতে পারে এই অনামিকা আসলে জিনি যে একটা মিথ্যে নাম নিয়ে অনামিকা সেজে বিক্রমের কাছে আছে। অন্যদিকে নকল জিনি সেজে যে এসেছে সেই চরিত্রের রিল লাইফের নাম যাই হোক না কেন,রিয়েল লাইফে তার নাম হলো অনামিকা চক্রবর্তী। তাই নাম নিয়ে এই ধাঁধাটি তৈরি করেছেন লালকুঠি ভক্তরা। এইবার ধাঁধাটি পড়ে দেখুন তাহলে বুঝতে পারবেন আর যদি তাও না বুঝতে পারেন তাহলে অবশ্যই দেখতে হবে লালকুঠি।

Back to top button