বাংলা সিরিয়াল

‘একদিকে ফুলঝুরি লালনের কাছে পৌঁছে গেছে, অন্যদিকে চড়ুইয়ের মহাসর্বনাশের ক্ষণ উপস্থিত! টার্নিং পয়েন্টে দাঁড়িয়ে আছে ধুলোকণা, একটা ভালো প্রোমো দিলেই হবে কেল্লাফতে’ বলছেন ধুলোকণার দর্শকরা!

স্টার জলসার জনপ্রিয় ধারাবাহিক ‘ধুলোকণা’। এই ধারাবাহিক এক সময় বঙ্গ টপার হয়েছিল হারিয়েছিল শক্তিশালী প্রতিপক্ষ মিঠাই ধারাবাহিককে। বর্তমানে প্রায়ই যদিও এই ধারাবাহিককে স্লট হারাতে হয় তবুও এই ধারাবাহিকের জনপ্রিয়তা প্রশ্নাতীত। কারণ বঙ্গ সেরা ধারাবাহিকের পাশে দাঁড়িয়ে নিজের অস্তিত্ব টিকিয়ে রাখা রীতিমতো প্রশংসার দাবি রাখে। প্রচুর মানুষ এই ধারাবাহিক দেখেন এবং প্রচুর মানুষ এই ধারাবাহিকের প্রতি আসক্ত।

সম্প্রতি এই ধারাবাহিকে একটা নতুন ট্রাক এসেছে যেখানে দেখানো হচ্ছে একই সাথে চলছে লালন- ফুলঝুরি এবং চরুইয়ের ট্রাক আর সব থেকে ইন্টারেস্টিং হলো এই পুরো ট্রাকটা এনে লেখিকা একটা ইন্টারেস্টিং বার্তা দিতে চাইছেন সমাজে যে কর্মফল বলে একটা জিনিস আছে তুমি যদি কারোর ক্ষতি করো তাহলে তোমার ক্ষতি নিশ্চিত। ঠিক যেমনটা হচ্ছে চড়ুইয়ের মা চান্দ্রেয়ীর ক্ষেত্রে।

ফুলঝুরির জীবন নষ্ট করতে চেয়েছিল চান্দ্রেয়ী। এই কারণে তার বেস্ট ফ্রেন্ড শ্রীরূপাকে কাজে লাগিয়ে লালন কে মেরে ফেলা চক্রান্ত করে সে। শ্রীরূপা সে কাজ করে তো দেয় কিন্তু পরবর্তীকালে নিজের আসল রূপ তুলে ধরে। বেস্ট ফ্রেন্ড এর হয়ে এই কাজটা সে বিনা স্বার্থে করেনি স্বার্থ তারও আছে। চড়ুই কে সে নিজের কাছে রেখে দেহ ব্যবসার কাজে লাগাতে চায় আর সব জেনেও চুপ থাকতে হচ্ছে চান্দ্রেয়ীকে, নিজের মেয়ের ভবিষ্যৎ অন্ধকারে জেনেও রেখে যেতে হচ্ছে শ্রীরূপার কাছে। কারণ এমনটা না করলে লালন কে মারবার কথা শ্রীরূপা সকলের কাছে বলে দেবে। এখন ধারাবাহিকে টুইস্ট হলো শ্রীরূপার একটি ছেলে আছে দর্শকদের একাংশ মনে করছেন যে,এই ছেলেই চড়ুইয়ের নায়ক হয়ে চড়ুই কে উদ্ধার করবে। অন্যদিকে লালন যে হাসপাতালে ভর্তি আছে সেই হাসপাতালেই কাজ নিলো ফুলঝুরি। খুব শীঘ্রই তাদের দেখা হবে বলে মনে করছেন দর্শক অন্যদিকে চড়ুইকে শর্ট ড্রেস পড়ে হোটেলে নিয়ে গেল শ্রীরূপা।

একজন নেটিজেন এই প্রসঙ্গে বলেছেন, “একদিকে লালফুলের ভিতরে মাত্র এক দরজার ফারাক অন্যদিকে চড়ুই একটা ভয়ঙ্কর জালে ফেঁসে গেছে। ফুলঝুরি লালনকে দেখাশোনা করার দায়িত্ব আজকে পেয়েই গেছে বলা চলে।এক দুই এপিসোডের ভিতরেই দুজনের দেখা হবে।তখন ফুলের অনুভূতি কি হয় সেটাই দেখার জন্য উদগ্রীব হয়ে আছি আমি। অন্যদিকে চড়ুই ড্রিংক করে একদম নিঃশেষ হয়ে যাচ্ছে।আগামীপর্বে চড়ুই এর একটা মারাত্মক বাজে কিংবা ভালো পরিণতি হতে চলেছে।কেউ হয়তো বাঁচাতে আসতে পারে।না আসলে চড়ুই এর এই ট্র্যাকটা লেখিকা কিভাবে এক্সিকিউট করবে সেটাও দেখার জন্য অপেক্ষাতে আছি।চড়ুই সবটা বুঝার পর কি রিয়েকশনটাই না দিবে! দুইটা ট্র্যাকই ভাগে ভাগে দেখাচ্ছে।আর আগ্রহ বেড়ে যাচ্ছে।এটার ব্লেড করে একটা প্রমো তো দেওয়া উচিত।দর্শক হুমড়ি খেয়ে পড়তো।কারণ গল্পে ইন্টারেস্টিং পার্ট চলে এসেছে অলরেডি।”

Back to top button