বাংলা সিরিয়াল

“পদার্থবিদ্যায় এত ভালো হইয়াও এইটুকু বুদ্ধি নাই যে কলমের কালি ফুরাইয়া গেলে শত হাজার বার ঘষিলেও কালি পড়িবে না” – কলমের কালি শেষ হয়ে যাওয়ায় পদার্থবিদ্যায় ১০০ তে ৯৮ পেয়েছে মাধবী, এপিসোড থেকে হেসে লুটোপুটি খাচ্ছেন দর্শক

বর্তমানে স্টার জলসার পর্দায় শুরু হয়েছে এক ঝাঁক নতুন ধারাবাহিক। এই ধারাবাহিকগুলির মধ্যে বেশ ভালো জনপ্রিয়তা অর্জন করেছে যেসব ধারাবাহিকগুলি তার মধ্যে অন্যতম হলো “মাধবীলতা”। ধারাবাহিকের মুখ্য চরিত্র অর্থাৎ মাধবীলতার চরিত্রে দেখতে পাওয়া যাচ্ছে অভিনেত্রী শ্রাবণীকে। অভিনেত্রীর অভিনয়ের ধার এতটাই বেশি যে তিনি অপরাজিতা আঢ্য অভিনীত লক্ষ্মী কাকিমা সুপারস্টারকেও বাজিমাত দিতে পারছেন। সুতরাং বোঝাই যাচ্ছে যে মাধবীলতা এবং সবুজের জুটি দর্শকের মনে ধরেছে।

সম্প্রতি ধারাবাহিকে চলছে সবুজের বাবা অর্থাৎ মাধবীলতার শশুরমশাই পুষ্পরঞ্জন চৌধুরীর হাতে খড়ির স্লট। আমরা সবাই জানি পুষ্পরঞ্জনের বিরুদ্ধে মাধবীলতা যাতে কোর্টে গিয়ে সাক্ষী না দেয় সেই কারণেই পুষ্পরঞ্জন সমস্ত কথা শুনছে মাধবী। এদিকে মাধবী সবুজকে কথা দিয়েছে যে সে তার বাবাকে ভালো মানুষ করে ফিরিয়ে দেবে। তাই সে একের পর এক চমক দেখাচ্ছে পুষ্পরঞ্জনকে। এবার অকালে সরস্বতী পুজো করে শ্বশুর আর খুড় শ্বশুরের হাতেখড়ি দিল মাধবীলতা। আবার পুষ্পরঞ্জনের মায়ের নামে স্কুল খুলবে এমন কথা ঘোষণা করে দিল। আবেগে ভেসে পুষ্পরঞ্জনও রাজি হয়ে গেলেন স্কুল বানাতে। তবে মাধবীলতার কিছু কথা নিয়ে বেশ বড়সড়ো খিল্লি হচ্ছে সোশ্যাল মিডিয়াতে।

ওই একই এপিসোডে মাধবীলতা কাঁদতে কাঁদতে সবুজকে জানাচ্ছে যে তারা এতটাই গরিব ছিল যে তাদের একটার বেশি দুটো কলম কেনার টাকা ছিল না। পরীক্ষার শেষ মুহূর্তে তার কলমে কালি ফুরিয়ে যাওয়ায় সে শেষ প্রশ্নের উত্তর দিতে পারেনি। তাই সে পদার্থবিদ্যায় ১০০ তে ৯৮ পেয়েছে। বাকি দু’নম্বর সে পায়নি কলমের কালি ফুরিয়ে যাওয়ার জন্য। সে বারবার খাতায় প্যান্টটা ঘষেছে কিন্তু কালি পড়েনি। সকলের কাছে প্রেম চেয়েছে কিন্তু কেউ পেন দেয়নি। তাই সে ওই নাম্বারটুকুই পেয়েছে।

আর এ কথা শুনে সোশ্যাল মিডিয়ায় লোকজন সব হেসে গড়াগড়ি খাচ্ছে। কেউ কেউ বলছেন আচ্ছা এবার বুঝলাম যে কেন আমরা ১০০ তে ১০০ পাই না। কারণ আমাদেরও পেনের কালি ফুরিয়ে যায়। আবার একজন সাংবাদিক এই ক্লিপিংস শেয়ার করে লিখেছেন এই জন্যই আমরা অনেক ব্রেকিং স্টোরি লিখতে পারিনা। আবার অনেকেই বলেছেন, পদার্থবিদ্যায় এত ভালো হইয়াও এইটুকু বুদ্ধি নাই যে কলমের কালি ফুরাইয়া গেলে শত হাজার বার ঘষিলেও কালি পড়িবে না।

Back to top button