বাংলা সিরিয়াল

চিঠি কি পারবে সাহেবকে ক্যামব্যাক শো তে ফেরাতে? নাকি সাহেবের মনবল ভেঙে ফেলতে সফল হবে রাইমার প্ল্যান? অন্ধকারেই কি হারিয়ে যাবে সাহেব!

স্টার জলসার অত্যন্ত জনপ্রিয় একটি ধারাবাহিক হল সাহেবের চিঠি। এই ধারাবাহিকে দেখানো হচ্ছে যে, সুপারস্টার সাহেব কীভাবে তার জীবনের অ্যাক্সিডেন্টের পর নিজের প্রতিবন্ধকতা পেরিয়ে সমস্ত কিছু থেকে নিজেকে গুটিয়ে নেয়। ‌সাহেব চিঠির চাকরি কেড়ে নিয়েছে, এটা বোঝাতে যে অস্তিত্বের সংকট কাকে বলে নিজের সবটুকু চলে গেলে কতটা যন্ত্রণা হয়। অন্যদিকে চিঠি যে বারংবার চেষ্টা করছে সাহেবকে অন্ধকার থেকে আলোয় আনতে কারণ সে জানে সাহেব যদি অন্ধকার থেকে আলোয় আসে তাহলে সে চিঠির মতো আর কারোর চাকরি এই ভাবে খেয়ে নেবে না।

সাহেবের মাও বুঝতে পারছেন যে সাহেবের জীবনে একটু একটু করে যে আলোর আভাস দেখা দিচ্ছে তার অবদান আসলে চিঠির। চিঠিকে জব্দ করতেই এত বছর ধরে ঘরে বন্দি থাকা সাহেব একটু একটু করে বাইরে বেরোচ্ছে। সম্প্রতি ধারাবাহিকের একটি প্রোমো বেরিয়েছে যেখানে দেখা যাচ্ছে যে চিঠি যে লাট সাহেব কে একেবারেই পছন্দ করেন না, ভাগ্য তাকে বারবার সেই লাট সাহেবের সামনেই দাঁড় করিয়ে দেয়।

কাজের খোঁজ করতে করতে চিঠি গিয়ে উপস্থিত হয় সাহেবের অনুষ্ঠানের ব্যবস্থাপনার কাজে। অন্যদিকে সাহেব নতুন করে একটি শোতে উপস্থিত হওয়ার জন্য আয়োজন করছে, সে আবার ঘুরে দাঁড়াবে আবার নতুন করে অনুষ্ঠান করবে, এই সবটাই চিঠি কে দেখিয়ে দেওয়ার জন্য। এইসব দেখে অবাক হয়ে যাচ্ছে রাইমা! সে প্রথমে চেষ্টা করে যেভাবে হোক সাহেবের মনোবল ভেঙে দিতে, এরপর যখন বারবার চেষ্টা করেও সে সাহেবের মনোবল ভাঙতে পারে না, তখন সে অন্য কুবুদ্ধি খাটায়। নিজের স্বার্থসিদ্ধি করবার জন্য সাহেবের পায়ে পড়ে অনুরোধ করে রাইমা যে, সাহেব যেন কখনোই এই অনুষ্ঠানে না যায় এই অনুষ্ঠানে সাহেব গেলে তার ভবিষ্যৎ শেষ হয়ে যাবে। রাইমার কথা শুনে ভেঙে পড়ে সাহেব, সে কথা দেয় যে সে যাবে না। এরপর যখন চিঠির কানে কথাটা যায় তখন সে ফোন হাতে তুলে নেয় সাহেবকে ফোন করবার জন্য। চিঠি কি পারবে সাহেব কে অন্ধকার থেকে আলোয় আনতে? চিঠি কি পারবে রাইমার সমস্ত ষড়যন্ত্রের আবরণ ভেদ করে সাহেবকে দিয়ে এই শো করাতে প্রশ্ন উসকে দিয়ে যায় এই নতুন প্রোমো। তারপর কী হবে? জানতে হলে চোখ রাখুন স্টার জলসায় ‘সাহেবের চিঠি’ তে।

Back to top button