বাংলা সিরিয়াল

বিধির বিধান! পঞ্চমীর প্রোমোতে দেখা যাচ্ছে নায়কই আসলে পঞ্চমীর মায়ের হত্যাকারী! প্রতিশোধ না প্রেম কোন পথে এগোবে পঞ্চমী?

গতকালকেই শুরু হয়েছে স্টার জলসার নতুন ধারাবাহিক পঞ্চমী। এই ধারাবাহিকে দেখানো হচ্ছে যে, নায়িকা তার আসল পরিচয় নিজেই জানে না। নাগপঞ্চমীর দিনে নীলকন্ঠ বাবার মন্দিরে তার জন্ম,তার জন্মের পর‌ই তার মায়ের মৃত্যু ঘটে আর নীলকন্ঠ বাবার পূজারী ব্রাহ্মণ তাকে সন্তান স্নেহে নিজের ঘরে নিয়ে যায় এবং মানুষ করে, কিন্তু এই পঞ্চমীকে ঘরে ঠাঁই দেওয়ার জন্যই নীলকন্ঠ বাবার মন্দির কে ত্যাজ্য ঘোষণা করা হয় এবং গ্রামের সবাই মিলে পুরোহিত কে এক ঘরে করে দেয়। পঞ্চমী সেলাই এর টুকটাক কাজ করে সংসার চালায় কোনমতে। কিন্তু পঞ্চমীর বাবা সর্বক্ষণ ভয় থাকে কখন সাপ পঞ্চমীকে তার বাবার থেকে কেড়ে নিতে আসবে!

কারণ পঞ্চমীর জন্মের মুহূর্তে তাকে ঘিরে রয়েছিল অনেকগুলি সাপ আবার পঞ্চমীর জন্মের সময় মায়ের নাড়ির জায়গায় সাপ ছিলো! এই ভয়ে গ্রামীণ পূজারী বাবা পঞ্চমীকে সাঁতার পর্যন্ত শেখায় নি।

কিন্তু নীলকন্ঠ বাবার মন্দিরে পুজো নতুন করে চালু করবার জন্য গিন্নি মার কাছে আবদার করে পঞ্চমী, তখন গিন্নিমা তাকে শর্ত দেয় যে, তার হাত থেকে পরে যাওয়া সোনার কাঁকন পুকুরে ডুব দিয়ে যদি পঞ্চমী এনে দিতে পারে তাহলে সে অবশ্যই মন্দিরে যাবে পুজো দিতে। এই শুনে পঞ্চমী এক ছুটে পুকুরে গিয়ে ডুব দেয়।

এরপর পঞ্চমীর গায়ে সাপের আঁশ ফুটে ওঠে, জলের তলায় থাকা নাগ দেবী জানায়, এইবার পঞ্চমী জানবে তার আসল পরিচয় কী?

পঞ্চমীর সম্প্রতি একটি প্রোমো দিয়েছে এই প্রোমার নাম বিধির বিধান এখানে দেখানো হচ্ছে যে, মৃত্যুর আগে পঞ্চমীর মা পুরোহিত মশায় কে বলে দিয়েছিল যে, আমার মেয়ে বড় হলে তাকে বলবেন তাকে তার মায়ের মৃত্যুর প্রতিশোধ নিতে হবে, একজনের বুকে জরুল আরেকজনের গলায় সোনার শঙ্খ।

এরপরের প্রোমোতে দেখা যায় যে, ধারাবাহিকের নায়ক ক্রিঞ্জলকে তার মাতৃস্থানীয় কেউ একটা হার দিচ্ছে সেই হারে একটা সোনার শঙ্খ রয়েছে। অর্থাৎ প্রোমো অনুযায়ী নায়িকার শত্রু হলো নায়ক!-যদি এটা বোঝা যাচ্ছে যে এই ঘটনার পিছনে অন্য কেউ আছে নায়ক শুধু হারটা গলায় পরে আছে তবুও এরকম একটা প্রোমো দেখে দর্শকরা রীতিমতো শিহরিত হয়ে উঠেছেন, তারা বুঝতে পারছেন প্রতিশোধের এই কাহিনী রীতিমতো ভয়ংকর ও লোমহর্ষক হবে।

Back to top button