বাংলা সিরিয়াল

এটা কি মধ্যযুগ! ননদের শ্যাম্পু ব্যবহার করায় রাধিকাকে শ্যাম্পু চোর বলে রাধিকার চুল শুঁখে দেখলো ননদ! কোনো ভদ্র বাড়িতে এমন আচরণ হয় না, রাধিকার ননদের ব্যবহারে তিতিবিরক্ত নেটিজেনদের একাংশ

স্টার জলসার(Star Jalsha) ধারাবাহিক এক্কাদোক্কা(Ekkadokka) যত দিন যাচ্ছে ততই যেন নেট নাগরিকদের রোষানলে পড়ছে। কারণ গল্পের গতি যেদিকে এগোচ্ছে অনেকেরই দাবি সেটা মধ্যযুগের গল্প। ধারাবাহিকের মূল চরিত্র সোনামনি সাহা এবং সপ্তর্ষি মৌলিকের জুটি বেশ পছন্দ হয়েছে দর্শকদের। শুধু তাই নয় রাধিকা(Radhika) এবং পোখরাজের (Pokhraj)একে অপরের পাশে থাকা নিয়ে রীতিমত প্রশংসায় পঞ্চমুখ দর্শকরা। মোটেই পছন্দ না রাধিকার শ্বশুরবাড়ির সদস্যদের। আর তাদের নিয়েই যত মাথাব্যথা।

যেভাবে রাধিকার উপর দিনে দুপুরে তারা চাপ সৃষ্টি করছে তাকে ভালো কথাই বলে বধূ নির্যাতন। আর এক্কাদোক্কা ধারাবাহিক যেন বধূ নির্যাতনের প্রমোশন করছে। শারীরিক-মানসিক সব দিক থেকে আঘাত করা হচ্ছে তাকে। যা টিভির সামনে বসেই একেবারেই দেখা যায় না। বিয়ে হয়ে ঢুকতে না ঢুকতেই পোখরাজের মা, রাধিকাকে ধাক্কা মেরে ফেলে মাথা ফাটিয়ে দিয়েছেন।

এমনকি বৌভাতের রাত্রে তাকে পরার জন্য দিয়েছে কাজের লোকের পুরনো একটি শাড়ি। রাধিকার বানানোর খাবার নষ্ট করার জন্য মেশানো হয়েছে অতিরিক্ত ঝাল। এছাড়া মেডিকেল স্টুডেন্ট রাধিকা যখন কলেজ থেকে ফিরতে দেরি করে তখনও পোখরাজের মা তাকে ধাক্কা মেরে ফেলে মাথা ফাটিয়ে দিয়েছিলেন তিনি। যা চূড়ান্ত নিম্নমানের ব্যবহার বলে দাবি করেছেন অনেকে।

তবে সম্প্রতি এক্কাদোক্কার আগামি পর্বে দেখা যাবে রাধিকার দুই ননদ তাকে অপদস্ত করার জন্য নতুন অভিযোগে অভিযুক্ত করেছে। তাকে বদনাম দিয়েছে চোরের। রাধিকাকে তার ননদ বলছে তোমার লজ্জা করে না অন্যের বাথরুম থেকে শ্যাম্পু চুরি করে এনেছো? রাধিকা তার প্রতিবাদ করলেও তার ননদ রাধিকাকে চোর প্রমাণিত করতে তার চুলে গন্ধ শুঁকে দেখছে।

আর এইসব ব্যবহার দেখে মাথা গরম হয়ে গিয়েছে নেট নাগরিকদের। সবার দাবি এসব আচরণ মধ্য যুগে হতো। যে ভদ্র বাড়ির চোখ তুলে ধরা হয়েছে অন্তত কোন ভদ্র বাড়িতে এই ধরনের আচরণ হয় না। এভাবে কাউকে অপমান করা যায় না। এসব বর্বরতা করা হবে না।

Back to top button