বাংলা সিরিয়াল

‘মা…’বলে ঝরঝরিয়ে কান্না খুদে প্রতিযোগীর, দিদি নাম্বার ওয়ান এর মঞ্চে এসে হঠাৎ এ কাঁদতে শুরু করে ছোট্ট সুচিস্মিতা, ভাইরাল ভিডিও , স্নেহে কোলে তুলে যা করলেন দিদি রচনা

৮ থেকে ৮০ সকলের প্রিয় বাংলা রিয়েলিটি শো গুলির মধ্যে অন্যতম হলো দিদি নাম্বার ওয়ান। বিগত ১০ বছর ধরে এই রিয়েলিটি শো এর জনপ্রিয়তা একই জায়গায় রয়েছে। জনপ্রিয়তা বেড়েছে বই কমেনি। আর এই জনপ্রিয়তা পাওয়ার অন্যতম একটি কারণ হলো অভিনেত্রী রচনা ব্যানার্জির দুর্দান্ত সঞ্চালনা। রচনা ব্যানার্জী কে বর্তমানে আমরা বড় পর্দায় দেখতে না পেলেও ছোট পর্দায় অভিনেত্রী কামাল করে যাচ্ছেন।

দিদি নাম্বার ওয়ান এর সূত্রে তিনি প্রত্যেকের ঘরে ঘরে পৌঁছে গিয়েছেন। বিকেল পাঁচটা বাজলেই এখন বাড়ির মা, কাকিমা, ঠাকুমারা প্রত্যেকেই টেলিভিশনের পর্দার সামনে বসে পড়েন এই রিয়েলটি শো দেখার জন্য। রিয়েলিটি শো তে প্রতিদিনই ৮ থেকে ৮০ প্রতি বয়সেরই প্রতিযোগীরা উপস্থিত থাকে। কচিকাচাদের থেকে শুরু করে মাঝবয়সী এবং বয়স্ক মহিলারাও খেলতে আসেন এই মঞ্চে।

সম্প্রতি দিদি নাম্বার ওয়ান এর একটি পর্বের প্রমো ভিডিও সামনে এসেছে। যেখানে দেখা যাচ্ছে দিদি নাম্বার ওয়ান এর মঞ্চে হাজির হয়েছে কচিকাঁচারা। আর সব কচিকাঁচাদের মধ্যে সুচিস্মিতার কথা শুনে প্রত্যেকেই অবাক। ওই ছোট্ট বাচ্চার মুখে এত মিষ্টি আর পাকা কথা শুনে রচনা ব্যানার্জি নিজে এসে লুটোপুটি। সুচিস্মিতার কথা সে নাচ পারেনা কিন্তু ডান্স পারে। কখনো তার পড়াশোনা ভালো লাগে আবার কখনো তার পড়াশোনা ভালো লাগেনা।

রচনা প্রশ্ন করেন, ‘এই যে বললে ড্যান্স করতে পারি। তুমি কি মিথ্যে কথা বলছ? কেউ শিখিয়েছে নাকি?’ সুচিস্মিতা বলে ওঠে, ‘এমনি এমনি শিখিয়েছে। মা শিখিয়েছে।’ খুদের মুখে ‘মা শিখিয়েছে’ শুনে হেসে কুটোপাটি রচনা। এরপর সুচিস্মিতা জানায় সন্ধ্যে সাতটা থেকে নটা অব্দি পড়াশোনা করে সে।

পড়াশোনা করার সময় তার মা তার সামনে লাঠি নিয়ে বসে, মার কাছে অনেক বকা খায় সে। এই খুদের মুখে সমস্ত গল্প শুনে প্রত্যেকেই অবাক হয়ে গিয়েছে। কিন্তু পরবর্তী হঠাৎ করে ঠোঁট ফুলিয়ে কেঁদে ওঠে সুচিস্মিতা। সে জানায় চুপচাপ থাকতেই পছন্দ করে সে। বেশি কথা বলতে ভালো লাগে না। তাই স্কুলে তার কোন বন্ধুও নেই। বলেই মা বলে কেঁদে ওঠে। এরপরেই রচনা ব্যানার্জি তাকে আদর করে কোলে তুলে সারা স্টেজ ঘুরিয়ে ঘুরিয়ে গিফট দেখিয়ে ভুলে-ভালিয়ে রাখে। আর এই ভিডিও সোশ্যাল মিডিয়ায় ঝড়ের গতিতে ভাইরাল হয়েছে।

Back to top button