বাংলা সিরিয়াল

নিজের অপছন্দের মানুষকে এভাবেই শিক্ষা দেওয়া উচিত, লক্ষ্মী কাকিমা সুপারস্টারে লক্ষ্মীর অপছন্দের শিক্ষিকাকে জব্দ করার ভিডিও দেখে বলছেন নেটিজেনরা!

জি বাংলার জনপ্রিয় ধারাবাহিক লক্ষ্মী কাকীমা সুপারস্টার এ দেখা যাচ্ছে যে লক্ষ্মী তার বিজনেস পার্টনারের সাথে দেখা করবে। কিন্তু সেই বিজনেস পার্টনার তো আসলে বিদেশী ভদ্রলোক তার সাথে কিভাবে ইংরেজিতে আদব-কায়দা সব করবে লক্ষী সেই কারণে রঞ্জনা কে রাখা হয়েছে তাকে সবটা শেখানোর জন্য। রঞ্জনা এসে লক্ষ্মীকে বলে যে, দেখো লক্ষ্মী দি তুমি তো ইংরেজি জানো শুধু ইংরেজিতে কি করে ঐ ভদ্রলোকের সাথে পরিচয় করবে সেটা বুঝতে পারো না। সেটাই তোমাকে আজকে আমি শিখিয়ে দেবো।

এরপর লক্ষ্মীকে রঞ্জনা বলেন, ওই ভদ্রলোক যখন তোমাকে বলবে হাউ আর ইউ ? তখন তুমি বলবে, আই এম ফাইন মানে আমি ভালো আছি। এরপর লক্ষ্মীদি রঞ্জনাকে বলে, আই এম ফাইন মানে আমি ভালো আছি- সেটা আমি জানি। আমি অতটা অশিক্ষিত ন‌ই।

এরপর রঞ্জনা লক্ষ্মী দিকে বলে এইভাবে তুমি ওই ভদ্রলোকের সাথে হ্যান্ডশেক করবে তখন লক্ষী হ্যান্ডশেকের নাম করে বেশ জোরে শক্ত করে ওর হাতটা ধরে এত শক্ত করে ধরে যে রঞ্জনা ব্যথায় কঁকিয়ে ওঠে এবং লক্ষ্মীর স্বামী বলে, আমি বরফ এনে দেবো। লক্ষ্মী তখন ইনোসেন্সের ভান করে বলে, আসলে যত জোরে ওই ভদ্রলোকের সাথে হ্যান্ডশেক করতে পারবো উনি তখন বুঝতে পারবেন আমার ব্যবসা করার মতো কতখানি জোর আছে। তাই ভেবেই আমি জোরে হ্যান্ডশেক করেছি আমি তো ভাবলাম তুমি খুশি হবে এবং আমার প্রশংসা করবে।

লক্ষ্মী যতই এই কথা বলুক যারা দীর্ঘদিন ধরে ধারাবাহিক দেখে তারা জানে এই রঞ্জনা কে লক্ষ্মী মোটেই পছন্দ করে না কারণ সে মনে করে এই রঞ্জনা কে তার স্বামী মনে মনে পছন্দ করে, যদিও সেটা মোটেও ঠিক কথা নয়। আসলে লক্ষ্মী তার স্বামীর প্রতি ভীষণ ইনসিকিউরড ফিল করে আর এই সবটা নিয়ে বেশ একটা মজার ব্যাপার দেখানো হয় ধারাবাহিকে।- এই পর্বটি দেখবার পর নেটিজেনরাও বলছেন,নিজের অপছন্দের মানুষের সাথে এমনটাই করা উচিত।

Back to top button