বাংলা সিরিয়াল

সুপারস্টার দেব কে চিনতেন না রুক্মিণীর বাবা! ‘তুমি কি করো?’- দেবের সাথে আলাপের পর প্রথম প্রশ্ন করেছিলেন রুক্মিণীর বাবা! ফাঁস করলেন দিদি নং ওয়ানের মঞ্চে

নতুন পরিচালক রাহুল মুখোপাধ্যায় এর পরিচালনায় দেব – রুক্মিণীর অভিনয়ে এক জমজমাট ছবি ‘কিশমিশ।’ গত ২৯ এপ্রিল মুক্তি পেয়েছে প্রেক্ষাগৃহে। দুই প্রজন্মের গল্পকে পর্দায় ফুটিয়ে তুলেছেন পরিচালক। দেব-রুক্মিণীও ধরা দিয়েছেন অন্য সাজে। কলেজ পড়ুয়া টিনটিনের ভূমিকায় অভিনয়ের জন্য প্রচুর ওজন কমিয়েছেন দেব। এলোমেলো চুল, চোখে চশমায় তাক লাগিয়েছেন অভিনেতা। অন্য দিকে আটের দশকের সাজে সামনে এসে প্রশংসা কুড়িয়েছেন দেবের বান্ধবী। লম্বা বিনুনি, সাদামাঠা সালোয়ার, কপালে টিপ— এমন সাজে তাঁকে আগে দেখা গিয়েছে বলে মনে করা যায় না। ছবি মুক্তির আগে থেকেই দেব – রুক্মিণী জুটিকে বিভিন্ন জায়গায় দেখা গিয়েছিল ছবির প্রচার করতে। এমনকি এক ছুটির দিনে রবিবার কলকাতা মেট্রো সফর পর্যন্ত করেছিলেন ছবির টিম সহযোগে।

এবার সেই ছবির প্রচারেও হাজির হলেন জি বাংলার জনপ্রিয় রিয়েলিটি শো দিদি নং ওয়ানের মঞ্চে। তবে দেব একা নন সাথে ছিল ‘ কিশমিশ’ ছবির গোটা টিম। কমলেশ্বর মুখোপাধ্যায়, রুক্মিণী , অঞ্জনা বসু সবাইকে নিয়ে একেবারে জমিয়ে দিলেন দিদি নং ওয়ানের মঞ্চ। তারই এক ঝলক ভিডিও এবার জি বাংলার তরফ থেকে সামনে এসেছে। যেখানে ‘তুই বলবো না তুমি,’ গানের সাথে একসাথে গলা মেলাতে দেখা গিয়েছে ছবির জুটি দেব – রুক্মিণী কে।

সেইসঙ্গে রুক্মিণী ফাঁস করেছেন এক মজার ঘটনা, যেখানে প্রথম যখন দেবের সাথে রুক্মিণীর বাবার আলাপ হয়েছিল সেইসময় তিনি দেবকে প্রশ্ন করেছিলেন,’ তুমি কি করো?’ এর থেকেই বোঝা যায় তিনি ছবির জগৎ থেকে একেবারে দশ হাত দূরে থাকতেন। উল্টো দিকে দেবও নিজের আর কোনো পরিচয় না দিয়ে জানিয়েছিলেন, “আমি দীপক অধিকারি, ইঞ্জিনিয়ারিং পড়েছি।” এই কথা প্রকাশ্যে আসতেই মঞ্চে হাসির রোল ওঠে।

অন্যদিকে বাকি চরিত্র দের সাথেও কথা হয় শো এর সঞ্চালক রচনা ব্যানার্জীর। যেখানে অঞ্জনা বসু জানিয়েছেন, তিনি বাস্তব জীবনে মা হিসেবে অত্যন্ত কঠিন। সর্বদা ছেলের দিকে নজর থাকে তাঁর। তারপরেই আসে শো এর আসল আকর্ষণ অর্থাৎ খেলা। যেখানে বাড়ির রান্নাবান্নার ক্ষেত্রে কি কি জিনিষ লাগে সেই প্রশ্নের উত্তরে দেব একেবারে জানিয়ে দেন, তিনি এই বিষয়ে কোনো ধারণাই রাখেন না। যা শুনে অবাক হয়ে গিয়েছিলেন রচনা ব্যানার্জী। তারপরেই দেব আবার রুক্মিণীকে মজার ছলে বলে ওঠেন, ‘আমার শাওয়ার জেল শেষ হয়ে গিয়েছে, প্লিজ নিয়ে নাও। ‘ এইভাবেই ছবির গান প্রচার, আড্ডা মজা সব মিলিয়ে জমজমাট ছিল দিদি নং ওয়ানের মঞ্চ।

Back to top button