বাংলা সিরিয়াল

লালনের ক্ষতি করার পরিবর্তে চড়ুইকে দে;হ ব্যবসায় নামাবে শ্রীরূপা! সব জেনেও চুপ থাকতে হচ্ছে চান্দ্রেয়ীকে! একেই বলে কর্মের ফল বলছেন নেটিজেনরা!

লীনা গঙ্গোপাধ্যায়ের লেখায় সবসময় বাস্তবোচিত বিষয় উঠে ফুটে ওঠে। সবাই যখন নায়ক নায়িকাদের গুলি খাইয়ে বাঁচিয়ে দেন, মরতে মরতে সুস্থ করে তোলেন তখন লীনা গঙ্গোপাধ্যায় দেখান কিছু কিছু নায়ক নায়িকার সত্যি সত্যি অসুস্থ হয়ে মারা যান, যেমন খড়কুটোতে গুনগুন মারা গেছে, এরপর লীনা গঙ্গোপাধ্যায়ের আরেকটি ধারাবাহিক ধুলোকণা তে দেখা যাচ্ছে যে, লালন মারা গেছে।

লালনকে মেরে ফেলার এই কাজটা চান্দ্রেয়ীর কথায় করেছে তার বন্ধু শ্রীরূপা। কিন্তু কেন এমন একটা কাজ করতে রাজি হল শ্রীরূপা, শুধুমাত্র বেস্ট ফ্রেন্ড বলে? না এর পেছনে শ্রীরূপার অন্য একটি মতলব ছিলো। শ্রীরূপা চড়ুইকে দিয়ে দেহ ব্যবসা করাতে চায় আর চান্দ্রেয়ী সবকিছু জেনেও নীরব থাকতে বাধ্য হচ্ছে, কারণ না হলে তার সত্যি সকলের সামনে চলে আসবে। এই প্লটের মাধ্যমে লেখিকা তুলে ধরলেন কারো ক্ষতি করতে চাইলে অন্যেরও ক্ষতি হয়। বাস্তবধর্মী এই ট্র্যাক দর্শকদের অত্যন্ত পছন্দ হয়েছে।

একজন নেটিজেন যেমন লিখেছেন,“ ধূলোকণার স্টোরি বর্তমানে খুব ইন্টারেস্টিং পয়েন্টে এসে দাঁড়িয়েছে-মিনির কাহিণী ছেড়ে লেখিকা চড়ুইকে নিয়ে এমন একটা সাবপ্লট ভাববে এটা এক প্রকার চমকই ছিল।শ্রীরূপা চান্দ্রেয়ীর কথায় এমনি এমনি লালনের ক্ষতি করবে?কেউ স্বার্থ ছাড়া কোন কাজ করেনা।যতই প্রিয় বান্ধবী হোক।চান্দ্রেয়ীর এটা বুঝা উচিত ছিল। শ্রীরূপা কাজের প্রতিদান হিসেবে চড়ুইকে চায়ছে এখন।চড়ুই সুন্দরী এবং নাচটাও ভাল করে।তাই মার্কেটে চড়ুই এর চাহিদা বেশি হবে।প্রচুর টাকা ইনকাম করতে পারবে।হোটেলে রাতে গিয়ে গিয়ে নাচবে।ক্লাইন্টদের সন্তুষ্ট করবে।

এমন কথা শুনে চান্দ্রেয়ীর মাথায় আকাশ ভেঙে পড়লো।এরচেয়ে লোমহর্ষক বিষয় একজন মায়ের কাছে আর কি হতে পারে!পরের মেয়ের ক্ষতি করলে যে সেটা নিজের মেয়ের উপর দিয়েও যায় লেখিকা সেটাই দেখাচ্ছে।

চড়ুইও ফুলের কম ক্ষতি করেনি।তারপরও আমার খারাপ লাগছে।চড়ুই যখন সত্যিটা জানতে পারবে তখন ওর কি অবস্থা হবে ভাবতেই পারছি না।ও তো খুশিমনে নাচের তালিম নিতে এসেছে।এখন বাকি মেয়েদের মত রাতে কাজ আর দিনে ঘুমাতে হবে।

শ্রীরূপা একজন নামকরা নৃত্যশিল্পী এবং জাজ।তার টাকার অভাব নেই তারপরও কি শুধু টাকার জন্যই মেয়েদের ধরে এনে ব্যবসা করায়?এখানেও একটা টুইস্ট আছে।শ্রীরূপার স্বামী ঠিক এভাবেই তাকে বিক্রি করেছিল।সেজন্য নিজের পিঠ বাঁচাতে বাকি মেয়েদের দিয়ে কাজ চালাচ্ছে!

অন্যদিকে ফুলঝুরি এসেছে হসপিটালে সেবিকার কাজ করতে।গেলেই যে কাজ পাওয়া যায় আসলেই কি তাই?একজন মেয়েকে একটা কাজের জন্য কতগুলো প্রশ্ন আর লজ্জার ভিতর দিয়ে যেতে হয় সেটাই দেখালো লেখিকা।বড়লোক মায়ের সন্তান হয়ে,নামকরা গায়িকা হয়ে কেন এই কাজ করতে হচ্ছে সেটা এপিসোড দেখলেই ক্লিয়ার হওয়া যায়।এখানেও একটা টুইস্ট। লালন যে হসপিটালে কোমায় রয়েছে ফুল সেখানেই কাজে এসেছে।

সবমিলিয়ে এই ট্র্যাকটা খুব ইন্টারেস্টিং লাগছে আমার।কিন্তু কোন প্রমো বা এপিকাট আসছে না।প্রমোশন করুক একটু।”

Back to top button