বাংলা সিরিয়াল

‘বয়সে ছোট হলেও ভুল করলে পরিবারের লোকেদের উচিত বাচ্চাকে শাসন করা’ সৃজিতাকে ফেলু বলে অপমান করায় বোধিকে দণ্ড দেয় তার মা, এতে খুশি হয়ে বলছেন নেটিজেনদের একাংশ!

জি বাংলার অন্যতম জনপ্রিয় ধারাবাহিক হলো ‘বোধিসত্ত্বের বোধবুদ্ধি’‌। ছোট্ট বোধির কাণ্ডকারখানা দেখে যেখানে রীতিমতো অবাক হতে হয় সকলকে,তার বোধ বুদ্ধি এতটাই বেশি যে ক্লাস ফোরের বোধিকে ট্রিপল প্রোমোশন দিয়ে ক্লাস সেভেন এ পাঠিয়ে দেওয়া হয়েছে। এখানেই তার টক্কর লাগে সৃজিতার সাথে। সৃজিতার রোল নাম্বার ওয়ান। তাই প্রথম থেকেই একটা প্রতিদ্বন্দ্বিতা গড়ে ওঠে দুজনের মধ্যে।

ক্লাসের প্রথম দিনে কে বেশি জানে তা নিয়ে একটা টক্কর শুরু হয়। বোধি ভাবতে থাকে একার রেসে প্রত্যেকেরই রোল নাম্বার ওয়ান হয়, এবার দেখা যাবে কার রোল নাম্বার সত্যি ওয়ান! এরপরই দেখা যায় যে, দুজনে দুজনকে নানা রকম প্রশ্ন করছে আর একে অপরের প্রশ্নের উত্তর দিচ্ছে।

সম্প্রতি এই ধারাবাহিকের নতুন একটি এপিসোড দিয়েছে চ্যানেল যেখানে দেখানো হচ্ছে যে সৃজিতার জন্মদিন সৃজিতা কেক কাটছে। সবাই হ্যাপি বার্থডে সৃজিতা বলছে এই সময় বোধির মাথায় একটা অন্য বুদ্ধি আসে। সে জানতে পারে ক্লাস টু তে ফেল করেছে সৃজিতা। তাই সে সকলের সামনে তার নিজের দুটো কানে আঙুল দিয়ে জোরে জোরে বলতে থাকে ‘ক্লাস টু ফেলু ক্লাস টু ফেলু’ এই কথা শুনে সৃজিতার মন খারাপ হয়ে যায়। সে বোধিকে বলে, “পরীক্ষা ভালো দেবো কী করে? তখন আমার বাবা মারা গিয়েছিলো। তাই পরীক্ষা খারাপ হয়েছে। না হলে সেবার‌‌ও আমি প্রথম হতাম। তুই প্লিজ থাম।”

কিন্তু বোধি কানে আঙুল দিয়ে থাকায় কোন কথা শোনেনি তাকে থামতেও দেখা যায় না এদিকে সৃজিতার বলা এই সব কথা বোধির মা-বাবা শুনতে পায়। সৃজিতার মা সৃজিতাকে এসে জড়িয়ে ধরে আর বোধির আচরণে রেগে গিয়ে বোধির মা সকলের সামনে বোধিকে চড় মারে। আসলে কোনো বাচ্চা অন্যায় করলে পরিবারের লোকেদের তাদের শাসন করা উচিত, শাস্তি দেওয়া উচিত। বাচ্চা বলে সেটাকে এড়িয়ে যাওয়া উচিত না- এই বিষয়টাই ধারাবাহিকের মধ্য দিয়ে দেখানো হচ্ছে যা দেখে খুশি নেটিজেনদের একাংশ। তারাও এই বিষয়ে একমত যে ছোট হলেও ভুল করলে পরিবারের লোকেদেরই উচিত শাসন করা।

Back to top button