বাংলা সিরিয়াল

দেখতে দেখতে একটা মাস পার, ঐন্দ্রিলাকে হারিয়ে অবশেষে নীরবতা ভাঙলে সব্যসাচী, কেমন আছেন অভিনেতা?

কথাই বলে সময় বহিয়া যায় নদীর স্রোতের প্রায়। বোধহয় এই কথাটা অক্ষরে অক্ষরে বুঝলো শর্মা পরিবার। একটি মাস যেন পেরিয়ে গিয়েছে ঝড়ের মধ্যে দিয়ে। ৩০ টা দিন হয়ে গেল পরিবারকে ছেড়ে প্রিয় জনকে ছেড়ে না ফেরার দেশে পাড়ি দিয়েছেন ঐন্দ্রিলা শর্মা(Aindrila sharma)। বাড়ির ছোট মেয়ের দস্যিপনা এখনো মিস করেন তার পরিবার।

অন্যদিকে কাছের মানুষকে হারিয়ে সব্যসাচী চৌধুরী(Sabyasachi Chowdhury)একেবারে চুপ করে গিয়েছিলেন। সোশ্যাল মাধ্যম থেকে সরিয়ে নিয়েছিলেন নিজেকে। অভিনেত্রীর মা শিখা শর্মা(Sikha Sharma) বারবার মেয়েকে হারানোর দুঃখ সকলের সঙ্গে ভাগ করে নিলেও প্রচারের আলো থেকে নিজেকে সব রকম ভাবে গুটিয়ে নিয়েছিলেন অভিনেতা সব্যসাচী চৌধুরী। কথা বলেননি। লেখেন নি একটিও কলম।

আজ এক মাস পর অবশেষে কিছুটা হলেও নিজেকে সামলাতে পেরেছেন সব্যসাচী। এক সংবাদ মাধ্যম সূত্রে বারংবার অভিনেতার সঙ্গে যোগাযোগ করা হলেও ফোন বন্ধ পাওয়া গিয়েছিল তার। তবে মঙ্গলবার কথা বলেছেন তিনি। এখনো পুরোপুরি প্রিয় মানুষকে হারানোর দুঃখ কাটিয়ে উঠতে পারেননি সব্যসাচী। শুধু জানিয়েছেন, আমি কিছুটা ঠিক আছি। তবে ‘ঠিক আছি’ বলার মধ্যেও ছিল জোরের অভাব। সময়ের সঙ্গে নিজেকে তিনি কিছুটা ভাসিয়ে দিয়েছেন বলে জানিয়েছেন। এর থেকে বেশি কিছু বলতে রাজি নন। সেই সঙ্গে জানিয়ে দিয়েছেন এই বিষয়ে কোন রকম ইন্টারভিউ দিতে চাননা অভিনেতা।

একমাস পরেও অগোছালো জীবন একই রকম রয়ে গিয়েছে সব্যসাচীর। কাজে ফেরেন্নি অভিনেতা। যদিও কিছুদিন আগে ঐন্দ্রিলার মাস শিখা নিজের ফেসবুক ওয়ালে ঐন্দ্রিলা এবং সব্যসাচীর একটি ছোট্ট ভিডিও ভাগ করে নিয়ে লিখেছিলেন, আমার ঐন্দ্রিলার সব্যসাচী। বলা বাহুল্য শুরু থেকে শেষ দিন পর্যন্ত ঐন্দ্রিলা কে যেভাবে আগলে রেখেছিল সব্যসাচী তাতে যে সত্যিই তারা একে অপরের জন্যই তৈরি এ কথা বলার অবকাশ রাখেনা। আরে ভালোবাসা সাক্ষী দেখেছেন রিল থেকে রিয়েল প্রত্যেকটি দুনিয়ার মানুষ।

শুধু তাই নয় তাদের ভালোবাসা উদাহরণ হিসেবে ঘুরেফিরে বেরিয়েছে সোশ্যাল মাধ্যমে। বা বলা ভালো এখনো বেড়াচ্ছে। আপাতত প্রিয় মানুষের মিষ্টি স্মৃতি আগলে রেখে বাঁচতে চায় সব্য এবং অভিনেত্রীর পরিবার। কারণ সেখানে ঐন্দ্রিলার কোন শোক দুঃখ কষ্ট নেই। বরং এক প্রাণোচ্ছল ছটফটে মেয়ে সারাক্ষণ ছুটে বেড়াচ্ছে তাদের স্মৃতিতে।

Back to top button