বাংলা সিরিয়াল

সিন করতে গিয়ে ইমোশনাল হয়ে কেঁদে ফেলেন উচ্ছেবাবু! আদৃত রায়ের চরিত্রের বিশেষ দিক সামনে আনলেন সিদ্ধার্থের অনস্ক্রিন দাদাই!

একটি ধারাবাহিকের মধ্যে বিভিন্ন রকমের সিন থাকেন, কখনো স্যাড সিন থাকে তো কখনো বা হ্যাপি সিন থাকে। এখন এই সমস্ত সিন গুলিতে অভিনয় করতে করতে কখনো কখনো দেখা যায় অভিনেতারা সেই চরিত্রের মধ্যে ঢুকে পড়েছেন, সেই চরিত্রের থেকে আর বেরোতে পারছেন না।

একটি ধারাবাহিক করতে গিয়ে কখনো অভিনেতারা ভীষণ রকম ইমোশনাল হয়ে পড়েন। হয়তো একজন অভিনেতাকে কোন পার্ট দেওয়া হয়েছে কোন ইমোশনাল সিন, সেই সিনটা করতে গিয়ে সে ইমোশনাল হয়ে পড়লো তখন তাকে সেই পরিস্থিতিকে ম্যানেজ করে আবার স্বাভাবিক হতে হয়! যাতে সে সেই সিনটা করতে পারেন। এরকমই একটা ঘটনা ঘটেছিল আদৃত রায়ের ক্ষেত্রে। হ্যাঁ মিঠাইয়ের উচ্ছে বাবু তিনি।

মিঠাই তে একটা পার্ট ছিল যেখানে দেখানো হয়েছিল যে সিদ্ধার্থের দাদা‌ই প্রচন্ড অসুস্থ হয়ে পড়েছে, সেই সিনটা করতে গিয়ে সিদ্ধার্থ প্রচন্ড পরিমাণে ইমোশনাল হয়ে পড়ে‌। তার নিজের দাদাইয়ে কথা মনে পড়ে যায় এবং সে নিজেকে কন্ট্রোল করতে পারে না। সে এক নিমেষে ভেঙে পড়ে। ডাইরেক্টর এবং সিরিয়ালের অন্যান্যরা তখন তাকে বুঝিয়েসুুঝিয়ে শান্ত করে।

এই প্রসঙ্গে সিদ্ধার্থের অনস্ক্রিন দাদাই বলেন,“ এই ইমোশনাল হওয়াটা কিন্তু ওর লুস পয়েন্ট নয় এটাই ওর ক্যাপিটাল। ও যে পরিবারের সাথে ভীষণভাবে এট্যাচ আছে সেটা বোঝা যায় এই থেকে”।

এই ইন্টারভিউ টি শেয়ার করে সোশ্যাল মিডিয়া একজন ভক্ত আদৃতের গুণ উল্লেখ করেছেন আদৃত কত ইমোশনাল,ঐ নেটিজেন লিখেছেন,“ বিশ্বাসে মেলায় বস্তু,তর্কে বহুদূর…. বিশ্বাস করে,বিশ্বাস রেখে জিতে যাওয়ার মধ্যে যে কি আনন্দ তা তো মিস করে গেলে তোমরা।

হ্যা এই মানুষটাকেই তো নিকৃষ্ট বলেছিলে না?দেখো প্লিজ।একটা মানুষ যতযাই অভিনয় করুক,’শুদ্ধতা’র অভিনয় করতে পারে না।মানুষ শুদ্ধ হয় মনে,আর তো ফুটে ওঠে তার সমগ্র আচরণে! প্লিজ নেক্সট টাইম আর কষ্ট দিও না ওকে………Adrit এবং গোপু অলওয়েজ বেস্ট”

 

View this post on Instagram

 

A post shared by mithai prem (@mithailoves)

Back to top button