বাংলা সিরিয়াল

কোনও সেলিব্রিটি নয়, ফ্যাশন সেন্স শিখিয়েছেন নিজের মা, শিক্ষক দিবসের শুভেচ্ছা জানাতে গিয়ে মুখ খুললেন মিঠাই

জীবন পথে চলতে গিয়ে আমরা অনেক সময় বহু কিছুর সম্মুখীন হই। আর তা থেকে আমাদের কিছু না কিছু শিক্ষা গ্রহণ হয়। আমাদের জীবনের প্রথম শিক্ষক হল আমাদের পিতা-মাতা। আমাদের জীবনের সঙ্গে ওতপ্রোতভাবে জড়িয়ে থাকে আমাদের বাবা-মা। একটা সদ্য শিশুকে মানুষে পরিণত করার জন্য বাবা-মারা অনেক কষ্ট করেন এবং আমাদের অনেক কিছু জিনিস তারা শেখান। সেইগুলোই আমরা বড় হয়ে অক্ষরে অক্ষরে পালন করি।

নিজেদের কর্মজীবন হোক বা ব্যক্তিগত জীবন হোক সততার সাথে সব সময় চলার শিক্ষাই দিয়েছেন আমাদের বাবা-মা রা। ছোট থেকে পিতা-মাতা শিখিয়েছেন যে সাফল্য অর্জন করেও নিজের মাতৃভূমিকে যেন ভুলে না যাই। শৈশব থেকেই কিভাবে ভালো মানুষ হয়ে উঠতে পারি, সেই শিক্ষা দিয়েছেন আমার বাবা মায়েরা। আমি এইটুকু হলফ করে বলতে পারি যে তাদের দেখানো পথেই আমি চলছি তাই হয়তো আজকের দিনে দাঁড়িয়ে জনসাধারণ আমাকে এত ভালবাসে।আমার মায়ের কাছে থেকে আমি আরও একটি জিনিস পেয়েছি। ফ্যাশন সেন্স। মা ছোটবেলায় যেভাবে আমাকে সাজাতেন আমি এখনো চেষ্টা করি সেই ভাবেই সাজগোজ করতে।

মিঠাই সিরিয়ালে পাঠ করতে গিয়ে আমি অনেক কিছুই শিখেছি।বিশ্বজিৎ আঙ্কল (চক্রবর্তী), স্বাগতাদি (বসু), অর্পিতাদিরা (মুখোপাধ্যায়) আমাকে কত কিছু শিখিয়েছে! শুটিং সেটে কিভাবে হুল্লোড় করার পরেও নিজের কাজে মন দেওয়া যায় তাই এই মানুষগুলোকে দেখেই আমি শিখেছি। প্রতিটি সংলাপকে আরো কিভাবে বিশ্বাসযোগ্য করে তোলা যায় তা প্রতিনিয়ত শিখিয়ে যান বিশ্বজিৎ আঙ্কেল।

একটা সঙ্কটের দৃশ্য শ্যুট হবার সময় সিদ্ধার্থের মাথায় হাত রেখে সান্তনা দেয় মিঠাই। স্বাগতাদি তখন আমায় বললেন, ‘মাথায় হাত রাখিস না। ওর হাতটা শক্ত করে ধর’। আমি তাই করেছিলাম দৃশ্যটি সত্যিই দর্শকদের মনোমুগ্ধ হয়েছিল। আবার এই অভিনয় জগতে পরিচালক রাজেনদা (রাজেন্দ্র প্রসাদ দাস) আমার অন্যতম শিক্ষক। অভিনয় জীবনে প্রতিটি ধাপ আমার শেখা, রাজেন্দ্র কে দেখে। তার প্রতি যে আমি কত কৃতজ্ঞত তা ভাষায় প্রকাশ করতে পারবো না।

পরিশেষে আসি আমার অনুরাগীদের কথায়। অনুরাগী বললে ভুল হবে তারা আমার বৃহত্তর পরিবার। আমার সাথে একটু দেখা করার জন্য অসুস্থ শরীর নিয়েও স্টুডিওর সামনে তারা দাঁড়িয়ে থাকে। তাই তাদের প্রতি রয়েছে আমার শিক্ষক দিবসের শুভেচ্ছা।

Back to top button