বাংলা সিরিয়াল

মিঠাইয়ের সৌমিতৃষা কুন্ডুকে ট্রোলিংয়ের জবাবে মনফাগুনের শন বন্দ্যোপাধ্যায় কে ট্রোল! ‘প্লিজ বন্ধ করুন এইসব ট্রোলিংয়ের পর ট্রোলিং’অনুরোধ করলেন এক নেটিজেন!

ট্রোলিং এর জবাব সবসময় হয় ট্রোলিং। কিন্তু এটা কিছু মানুষ ভুলে যায়। যদি কোন একজন আপনার পছন্দের মানুষটিকে নিয়ে ট্রোলিং করে তাহলে আপনিও বাধ্য হয়ে তার পছন্দের মানুষটিকে টানবেন এটাই নিয়ম। কিন্তু পছন্দের মানুষটি যদি হন টলিউড ইন্ডাস্ট্রির বা টেলিভিশন ইন্ডাস্ট্রির কোন মানুষ তখন স্বভাবতই জিনিসটা ভীষণ খারাপ লাগে। কারণ ধারাবাহিকে কোন একটি চরিত্রকে কারোর অপছন্দ হতেই পারে তাই বলে সেই অভিনেতা বা অভিনেত্রীকে পার্সোনালি অ্যাটাক করা কেউই পছন্দ করেনা। সম্প্রতি এটাই ঘটলো।

দুদিন আগে একজন মিঠাই খ্যাত সৌমিতৃষা কুন্ডুর দু‌ইটি অবস্থার ছবি দেয়। একটি ছবিতে অভিনেত্রীকে ভীষণ মোটা লাগছে অপর ছবিতে অভিনেত্রী কে রোগা লাগছে। এই দুটি ছবি পোস্ট করে সেই নেটিজেন লেখেন,“ আচ্ছা এরা কি এক ই মানুষ আমার তো আলাদা ই লাগছে, সবাই কেন এক এক বলছে ,মানে মুখের এরম চেঞ্জ কখনো হয় নাকি ধুর মেকাপের কি এত ক্ষমতা আছে, নাকি অন্য কিছু,কেউ জানলে বলো, এই বিবর্তন এর ইতিহাস”- বোঝাই যাচ্ছে এই কথাটা ব্যঙ্গার্থক অর্থে ব্যবহার করা হয়েছে।

এই ঘটনার পর মিঠাই-ফ্যানরাও চুপ করে বসে থাকেনি তারা মন ফাগুনের ধারাবাহিকের জনপ্রিয় অভিনেতা শন বন্দ্যোপাধ্যায়ের দুটি অবস্থার ছবি পাশাপাশি দেয়, একটি মোটা ও অপরটি রোগা। তারপর সেই সেম ক্যাপশন ইউজ করে।

এইসব দেখে শুভ বুদ্ধি সম্পন্ন একজন মানুষ সোশ্যাল মিডিয়ায় এই পুরো ঘটনার প্রতিবাদ করেন। তিনি বলেন trolling এর জবাব কখনো ট্রোলিং হতে পারে না এইভাবে তো পুরোটা চলতেই থাকবে এবং পছন্দের তারকা রা অপমানিত হবেন। ওই নেটিজেনের কথা অনুযায়ী, “এসব করে কি লাভ হয় বুঝি না,কিছু মানুষের জন্য আর্টিস্টদের অপমানিত হয় এই যা।

কালকে এই গ্রুপে সৌমির পোস্ট টা দেখে আমি৷ বলেছিলাম এসব করো না। এখন কি হলো, ঐ পোস্ট টার জন্য আজ শন দাদা অপমানিত হলো”

Back to top button