বাংলা সিরিয়াল

‘ত্রিনয়নীর লাইট ভার্সন হয়েও গৌরী সব সময় নাকে কান্না কাঁদতে থাকে’গৌরীর নাকি কান্না নাপসন্দ বলে সাফ জানাচ্ছেন দর্শকরা! তবে কি নির্মাতারা গৌরীর চরিত্রে এবার বলিষ্ঠতা আনবেন?

একটি আধ্যাত্মিক কাহিনী ও বৈজ্ঞানিক মানসিকতার মেলবন্ধনে তৈরি হয়েছে জি বাংলার জনপ্রিয় ধারাবাহিক গৌরী এলো। এই ধারাবাহিকে নায়িকা গোরীকে মা কালীর অংশ হিসেবে দেখানো হয়। অন্যদিকে গৌরীর বর ঈশানকে মহাদেবের অংশ হিসাবে দেখানো হয়। ধারাবাহিকে উঠে আসে শিবশক্তির মিলনের বিষয়। বলা হয় যেদিন মায়ের অংশের সাথে দেবাদিদেবের অংশের মিল হবে সেদিন ঘোমটা কালীর মুখের থেকে ঘোমটা খুলে যাবে। অন্যদিকে ঈশানের পরিবারে মায়ের অংশ রূপে সবাই চেনে শৈলমাকে। বলাই বাহুল্য শৈল মার মধ্যে কোন দেবীত্ব নেই সে এক প্রকারের ভন্ড মানুষ। তার প্রচুর ভক্ত সে ভন্ডামি করে যোগাড় করেছে কিন্তু তার মধ্যে দৈবী কোন প্রকাশ নেই শুধু রয়েছে ছলনা।

এই শৈলমা প্রথম থেকেই বুঝতে পারে যে গৌরীর মধ্যে কিছু একটা শক্তি আছে যেটা সকলের থেকে আলাদা যে কারণে সে একাই সমস্ত কাজ করে ফেলতে পারে যা এক প্রকারে অসম্ভব। এই কারণে সে সারাদিন গৌরির পিছনে লেগে থাকে এবং গৌরীকে হেনস্তা করা গৌরীকে অপদস্থ করায় তার কাজ। ধারাবাহিকে দেখানো হয় যে, গৌরীর মধ্যে মাঝে মধ্যে অন্যায় দেখলে দেবীত্ব জেগে ওঠে তবে অন্যান্য সময় সে সব সময় কান্না কাটি করে, অত্যন্ত দুর্বল মনের মানুষ হিসেবে তাকে প্রেজেন্ট করা হয়েছে। গৌরীর এই চরিত্র নিয়ে বর্তমানে ট্রল করছেন একদল মানুষ।

তাদের বক্তব্য অপরাজিতা অপু ধারাবাহিকের সুপর্ণা যেমন সব সময় কাঁদতো, তেমনি গৌরীও সব সময় কাঁদে। চ্যানেল ঘোরাতে গিয়ে কখনো যদি গৌরী এলো ধারাবাহিকের দিকে চোখ যায় তখন‌ই চোখে পড়ে সারাক্ষণ সে কেঁদে চলেছে।‌ নেটিজেনদের বক্তব্য একটা মানুষ সারাক্ষণ কি করে এত কাঁদতে পারে? কেউ আবার বলেছেন ‘গৌরী ত্রিনয়নী লাইট ম্যাক্স প্রো, সারাক্ষণ নাকে কান্না কাঁদতেই থাকেন!’ উল্লেখ্য জি বাংলার অপর একটি জনপ্রিয় সিরিয়াল ত্রিনয়নীতে ত্রিনয়নী ভূত এবং ভবিষ্যৎ দুই দেখতে পেতেন,তবে তার চরিত্রের মধ্যে এইভাবে দুর্বলতা দেখানো হয়নি তার চরিত্রের মধ্যে একটা বলিষ্ঠতা প্রকাশ পেয়েছিল। নেটিজেনরা গৌরীকে ত্রিনয়নী লাইট এই কারণেই বলেছে কারণ গৌরীকেও দেবীর অংশ রূপে দেখানো হয়, কিন্তু গৌরী অন্যায় দেখলে একমাত্র দেবী হয়ে ওঠে অন্য সময় সারাক্ষণ নাকে কান্না কাঁদতে থাকে, এই নাকে কান্না সহ্য করতে পারছেন না নেটিজেনরা।

Back to top button