বাংলা সিরিয়াল

লকডাউনে প্রতিদিন হাজারো মানুষের জন্য জুগিয়েছেন অন্ন! হাত বাড়ালেই বন্ধুত্বের সেরা নিদর্শন অনীশ বাবুর গল্প সকলের কাছে অনুপ্রেরণা

বর্তমানে বাংলা রিয়েলিটি শো গুলির মধ্যে অন্যতম জনপ্রিয় হলো জি বাংলার দাদাগিরি। সপ্তাহের শনি ও রবিবার ঠিক রাত সাড়ে নটায় এই শো টিভির পর্দায় দেখা যায়। এটি দাদাগিরির নবম সিজন চলছে। সৌরভ গাঙ্গুলীর অসাধারণ সঞ্চালনায় এই শো দিনে দিনে দিনে আরো জনপ্রিয়তা পেয়েছে। সম্প্রতি টেলিকম অ্যাওয়ার্ড শো তে সেরা সঞ্চালকের সম্মান পেয়েছেন সৌরভ গাঙ্গুলী।

গত রবিবার দাদাগিরির মঞ্চে বিভিন্ন জেলার ৬জন প্রতিযোগী উপস্থিত ছিল। সেখানেই দার্জিলিংয়ের হয়ে অংশগ্রহণ করেছিলেন অনীশ দাশগুপ্ত। অনীশ বাবু ট্রাভেল এজেন্সি তে কাজ করেন। এর পাশাপাশি তিনি মানুষের দিকে নিজের সাহায্যের হাত বাড়িয়ে দিতে চেষ্টা করেন। একটি এনজিওর মাধ্যমে তিনি অসহায় মানুষদের পাশে দাঁড়ান। এরপরই বিগ স্ক্রিনে দেখানো হয় অনীশ বাবুর কিছু কর্মকাণ্ড। ২৬ বছর আগে তিনি তার এই কাজ শুরু করেন।

অনীশ বাবু জানান একদিন তিনি খেলে বাড়ি ফেরার পথে এক শিশুকে দেখে রাস্তার ধারে শুয়ে আছে তার গায়ে প্রচন্ড জ্বর। এরপর তিনি তার এক পরিচিত ডাক্তার কাকিমার কাছে গিয়ে সাহায্য চায় এবং সেই কাকিমার সেবায় ও ওষুধে ওই শিশুটি সুস্থ হয়ে ওঠে। এরপর তিনি ওই শিশুটির মুখে যেই ম্লান হাসিটা দেখেছিলেন সেটাই ভবিষ্যতে অনীশ বাবুকে সামনের দিকে এগিয়ে যাওয়ার অনুপ্রেরণা দেয়। এরপর চাকরি পেয়ে তিনি এই এনজিও আরো এগিয়ে নিয়ে যান। গ্রামে গ্রামে ভিজিট করেন এবং নিজের এই মহৎ কাজে তিনি হোম মিনিস্টারের ও সহায়তা পান। তার এনজিও র নাম ‘we together we can foundation’।

এছাড়াও তিনি নারী শ্রী নিকেতন নামের একটি স্বনির্ভর গোষ্ঠী চালান এবং সেখান থেকে সৌরভ গাঙ্গুলীর জন্য পোড়া মাটির তৈরী অনেক কিছু নিয়ে আসেন। শঙ্খ, ঘণ্টা, ম্যাজিক প্রদীপ ইত্যাদি। সৌরভ গাঙ্গুলীও তার এই মহৎ কাজের জন্য তাকে অনেক শুভেচ্ছা জানান, যাতে তিনি আরও অনেকদূর এগিয়ে যেতে পারেন।

Back to top button