টুম্পা গানের বাস্তব রূপ! শীতের রাতে নববধূ পালাল প্রাক্তন প্রেমিকের সাথে, বর খেল সজোরে ঘুসি

এতদিন করোনা আবহে লকডাউনের জন্য বিয়ের অনুষ্ঠান বন্ধ থাকলেও এখন আবার জমিয়ে শুরু হয়েছে বিবাহপর্ব৷ লকডাউনের দরুণ পিছিয়ে যায় অনেকের বিয়েই৷ এমনই এক বিয়ে হয় উত্তরবঙ্গে গত সপ্তাহে৷ পাত্র শিলিগুড়ির আর পাত্রী জলপাইগুড়ির৷ ছেলেটি বর্তমানে একটি বেসরকারি সংস্থায় কর্মরত৷ এক বছর আগে দুজনের দেখা হয় বলে স্থানীয় সূত্রে খবর৷ তিন মাসেই দু’তরফে পাকা কথা হয়৷ বিয়ে হওয়ার কথা ছিল আগেই৷ লকডাউনের জন্য পিছিয়ে যায়৷ পরিস্থিতি খানিক স্বাভাবিক হওয়ার পর পাত্র পাত্রীর পরিবার কথা বলে দিনক্ষণ ঠিক করে বিয়ের৷ শিলিগুড়ির ছেলেটি আর জলপাইগুড়ির মেয়েটির মধ্যে সম্পর্ক আরও দৃঢ় এই কয়েকমাসে ফোনের মাধ্যমেই৷

এরপর দিন সাতেক আগে বিয়ে সম্পন্ন হওয়ার পর দু’জনে জলপাইগুড়ি আসে অষ্টমঙ্গলায়৷ বৃহস্পতিবার শীতের রাতে অষ্টমঙ্গলা সেরে নবদম্পতি গাড়ি করে ফিরছিলেন শিলিগুড়িতে৷ পথে আসে বিপত্তি৷ দুই অপরিচিত যুবক বাইকে এসে গাড়ি থামায়৷ তারপর গাড়ি থেকে নববধূটিকে নামায় ,বর স্বভাবতই বাধা দিতে চাইলে যুবকটি জোর ঘুসি চালায়৷ তারপরই ঘটে গেল আজব কাণ্ড! বর কিছু বুঝে ওঠার আগেই তার নতুন বিয়ে করা বউ তার হাত ছাড়িয়ে যুবকটির বাইকে উঠে চোখের সামনে দিয়ে বেরিয়ে যায়৷ যুবকটির সাথে যে বন্ধুটি ছিল সে সরে পড়ে অন্ধকারে৷ কিছুই দিশা করতে না পেরে শিলিগুড়ির বাসিন্দা ছেলেটি গিয়ে পুলিশে অভিযোগ জানায়৷ চলন্ত গাড়ি থেকে বৌ ছিনতাইয়ের কথা খুলে বলে পুলিশকে৷ তবে পিকচার আভি বাকি হ্যায় মেরে দোস্ত!!

শোনা গেল নববধূটি পালিয়েছেন তার প্রেমিকের সাথে৷ বাইকে এসে যে ছিনতাই করে নিয়ে গেল যে অপরিচিত যুবকটি সে আসলে মেয়েটির প্রেমিক৷ জলপাইগুড়ির মেয়েটি নিজ মুখে জানায় যে সে প্রাপ্তবয়স্ক৷ তাই নিজের ইচ্ছায় প্রেমিকের সাথে পালিয়ে গেছে৷ প্রেমিক—প্রেমিকা কোতোয়ালি থানায় গিয়ে পুলিশকে সব জানায়৷ থানার আইসি জানান যে বিষয়টি খতিয়ে দেখা হচ্ছে৷ থানার গেটে পাত্র আর নিজের পরিবারের সাথে দেখা হয় মেয়েটির৷ তারা অনেক বোঝানোর চেষ্টা করেও ব্যর্থ হন৷ ভালোবাসা তো এমনই! বাধা দিতে পারে না কেউই৷