ভাইরাল

আন্দোলন করতে এসেছে অথচ জানে না সামান্য মাধ্যমিক বানান টুকুও, অনলাইন পরীক্ষার দাবি করলো পশ্চিমবঙ্গের শিক্ষার্থীরা, ভাইরাল ভিডিও

দেশে ফের শুরু হয়েছে করোনার প্রকোপ। করোনা র তৃতীয় ঢেউ ইতিমধ্যেই নিজের ভয়ংকর রূপ নিয়ে ফিরে এসেছে। আর এই করোনা প্রকোপের জন্যই দীর্ঘ ২ বছর ধরে শিক্ষা ব্যবস্থায় এসেছে বিরাট বড় পরিবর্তন। সমস্ত শিক্ষা প্রতিষ্ঠান গুলি বন্ধ থাকার কারণে ছাত্রছাত্রীদের পড়াশুনায় ছন্দপতন ঘটেছে। এখন সমস্ত শিক্ষা ব্যবস্থায় অনলাইনে হচ্ছে যার ফলে পঠন-পাঠনের দারুন অসুবিধা হচ্ছে ছাত্র-ছাত্রীদের এবং এই নিয়ে প্রায় প্রতিদিনই আন্দোলন হচ্ছে রাস্তাঘাটে।

এরকম একটি আন্দোলনের দাবিতে রাস্তায় নামল জলপাইগুড়ির একটি আমি স্কুলের ছাত্রছাত্রীরা। তাদের দাবি অফলাইনে মাধ্যমিকের টেস্ট পরীক্ষা বাতিল করতে হবে। করোনা পরিস্থিতিতে সমস্ত পড়াশুনা অনলাইন হচ্ছে তাই পরীক্ষা অনলাইন নিতে হবে অফলাইন নেওয়া যাবে না। আরশি আন্দোলন উপস্থিত হয়েছে সংবাদমাধ্যমে কিছু রিপোর্টাররা তাদের কাছ থেকে মাধ্যমিক বানান জিজ্ঞাসা করা হলে তাদের বানানো শুনে রীতিমতো আঁতকে ওঠে রিপোর্টাররা।

মাধ্যমিক উচ্চমাধ্যমিক পরীক্ষা নিয়ে জোট কাটেনি এখনও ছাত্র-ছাত্রীদের দাবি সারাবছর অনলাইনে পড়াশোনা হয়ে অফলাইনে এক্সাম যারা দিতে পারবে না কারণ অনলাইনে ছাত্র-ছাত্রীদের সিলেবাস শেষ হয়নি স্কুল কর্তৃপক্ষ কোন সাবজেক্ট এর সিলেবাস শেষ করতে পারিনি এখনো অব্দি। সমস্ত ছাত্র-ছাত্রীদের দাবি পরীক্ষার দিন পিছোতে হবে তারা করোনা পরিস্থিতির জন্য কোনোরকমে কোন প্রস্তুতি নিতে পারেনি। আর এই আন্দোলন জানিয়ে 34 নম্বর জাতীয় সড়কে আন্দোলন করে তারা। পরিস্থিতি সামলাতে পুলিশ হাজির হয় সেখানে। সুমন সাহা ,সুপ্রকাশ জানা, কেয়া মুস্তাফা, কাবেরী রায় মাধ্যমিক উচ্চ মাধ্যমিক বানান উচ্চারণ করতে গিয়ে থতমত খেয়ে যায়।

নিজেদের শিক্ষকতা নিয়ে তাদের কোনো রকম কোনো মাথাব্যথা নেই তাদের দাবি শুধু পরীক্ষা তারা অনলাইন দেবে অফলাইন দেবে না। জানানো তোমার পরীক্ষার বানান টুকু জানে না তারাই বেশিরভাগ পরীক্ষা পিছিয়ে দেওয়ার আন্দোলনে শামিল হয়েছে আর এইসব ভিডিওই সোশ্যাল-মিডিয়ায়-ভাইরাল হচ্ছে প্রতিদিন এসব দেখে হাসির রোল উঠছে জনসমাজে যারা দেশের ভবিষ্যৎ তাদের শিক্ষাগত যোগ্যতা এই হাল তাহলে দেশের ভবিষ্যৎ টিকে থাকবে না তার কি গ্যারান্টি রয়েছে প্রশ্ন তুলেছে আমজনতা।

Facebook Notice for EU! You need to login to view and post FB Comments!
Back to top button