প্রসেনজিৎ চ্যাটার্জির তৃতীয় স্ত্রী অর্পিতাকে চেনেন? ১৯ বছর ধরে আছেন তারা একসাথে, রইলো তার সম্পূর্ণ পরিচয়

Tollywood,Arpita Chatterjee,Prasenjit Chatterjee,Biography,LifeHistory

প্রসেনজিৎ চট্টোপাধ্যায়কে চেনেন না এমন মানুষ খুঁজে পাওয়া ভার। মানুষ তার অভিনয়ের ভক্ত। টলিউড ইন্ডাস্ট্রিতে প্রসেনজিৎ চট্টোপাধ্যায় কে টলিউড ইন্ডাস্ট্রিতে ইন্ডাস্ট্রি বলা হয়। আর সেই প্রসেনজিৎ চট্টোপাধ্যায়ের স্ত্রী অর্পিতা চট্টোপাধ্যায়।

শুধুমাত্র প্রসেনজিৎ চট্টোপাধ্যায়ের স্ত্রী এটাই অর্পিতা চট্টোপাধ্যায়ের একমাত্র পরিচয় নয়। অর্পিতা চট্টোপাধ্যায় একজন ভালো অভিনেত্রী, একজন লেখক, একজন প্রযোজক।

অভিনেত্রীর পড়াশোনা কতদূর করেছেন? তার আগের পদবী কি ছিল? তিনি প্রথম অভিনয় জগতে কবে পা রেখেছিলেন? এই ধরনের কিছু প্রশ্নের উত্তর খুঁজবো এখন। চলুন জেনে নেওয়া যাক।

১৯৭৪ সালে কলকাতাতেই জন্মেছেন অভিনেত্রী অর্পিতা। কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে স্নাতক হয়েছেন তিনি। এরপর অপর্ণা গুহঠাকুরতা এর সাথে ছাড়াছাড়ি হয়ে যাওয়ার পর ২০০২ সালে বাংলা চলচ্চিত্রের অন্যতম শ্রেষ্ঠ অভিনেতা প্রসেনজিৎ চট্টোপাধ্যায়ের সাথে বিবাহ বন্ধনে আবদ্ধ হন।

বিয়ের আগে অর্পিতার পদবী ছিল পাল। বর্তমানে তাদের একটি ছেলে রয়েছে। যার নাম তৃষানজিৎ চট্টোপাধ্যায়। অর্পিতা ও প্রসেনজিতের ছেলে তৃষানজিৎ নিজের পড়াশোনা নিয়েই এখন ব্যস্ত। তবে এমন কথা শোনা যায় যে অর্পিতা প্রসেনজিৎ বর্তমানে একসাথে থাকেন না। তবে এই নিয়ে সে রকম কোনো তথ্য আমাদের কাছে নেই।

১৯৯৯ সালে প্রভাত রায় পরিচালিত ’তুমি এলে তাই’ সিনেমার মাধ্যমে টলিউড ইন্ডাস্ট্রিতে পা রাখেন অভিনেত্রী। অভিনেত্রী অর্পিতা চট্টোপাধ্যায় অনেক ওড়িয়া সিনেমাও করেছেন। বিয়ের পরে তিনি বেশ কিছু বছর বড় পর্দা থেকে দূরে ছিলেন।

২০০৯ সালে ‘একটি তারার খোঁজে’ সিনেমায় অভিনয়ের মাধ্যমে সকল দর্শকের মন জয় করে নেন অভিনেত্রী। তার অভিনীত কিছু উল্লেখযোগ্য সিনেমার নাম তুমি এলে তাই, অসুখ, অনুপমা, উৎসব ,পরমিতার একদিন, প্রতিবাদ, দাদা ঠাকুর, ইনকিলাব ,দেবদাস, দেবা, পাগল প্রেমী, একটি তারার খোঁজে, ল্যাবরেটরি, অভিমান, দত্ত ভার্সেস দত্ত, সত্যান্বেষী, ফোর্স, চতুষ্কোণ ইত্যাদি। এছাড়াও তিনি আরো অনেক সিনেমায় অভিনয় করেছেন।

এরপর তিনি লেখিকা হিসেবে আত্মপ্রকাশ করে। হিন্দি ভাষায় তার দুটি বই প্রকাশিত হয়েছে। ২০০৭ সালে প্রকাশিত হয় ‘ভেজ ফ্রাই’ ও ২০১১ সালে প্রকাশিত হয় ‘ইয়ে ফাসলে’।

দুটি বই হিন্দি ভাষাতেই প্রকাশ পেয়েছিল। এরপর তিনি একজন প্রযোজক হিসেবে মানুষের সামনে আসেন। ‘গানের ওপারে’ ও ‘তিন ইয়ারি কথা’-এ তিনি প্রযোজক হিসেবে কাজ করেছেন।