ভারতের সব থেকে বড়োলোক ভিখারিরা! ভিক্ষে করেই তারা কোটিপতি, আপনার থেকেও এরা অনেক ধনী

আমাদের দেশে এখনো বহু লোক ভিক্ষা করে তাদের পেট চালান। অনেকে ট্রামে, বাসে, ট্রেনে ঘুরে ঘুরে ভিক্ষা করেন, আবার অনেকে কোন দোকান বা রেস্তোরাঁর বা মন্দিরের বাইরে বসে ভিক্ষা করেন, আবার অনেকে বাড়ির দরজায় দরজায় গিয়ে দু’মুঠো খাবারের জন্য ভিক্ষা চান। আমরা প্রতিনিয়ত এমন অনেক মানুষকে দেখতে পাই যারা আমাদের চারিদিকে ভিক্ষা করে বেড়ায়।

বর্তমান যুগে বেঁচে থাকতে গেলে যেটা সবথেকে বেশি করে প্রয়োজন সেটা হল টাকা। টাকা ছাড়া মানুষ অচল। এই টাকার জন্য আমাদের সমাজে ধনী, দরিদ্র, মধ্যবিত্তের ভেদাভেদটা রয়েছে।

দরিদ্র ও মধ্যবিত্ত শ্রেণীকে নির্ভর করতে হয় ধ্বনি শ্রেণীর ওপর। যারা কিছুই করে উঠতে পারে না তারা শেষ পর্যন্ত এদিক ওদিক ভিক্ষা করে বেড়ান দু’মুঠো অন্নের জন্য।

তবে এখন অনেকেই ভিক্ষাকে কি ব্যবসা বানিয়ে নিয়েছে। এমন অনেকে আছে যারা ছোট ছেলেমেয়েদের দিয়ে ভিক্ষা করায় রাস্তায় রাস্তায়।

আবার এমন অনেকে আছে যারা হাত-পা ভেঙে দিয়ে কিংবা হাত কেটে দিয়ে প্রতিবন্ধী হিসেবে ভিক্ষা করায়। এদের ভিক্ষা করারও আবার অনেক রকম পদ্ধতি আছে। একেক জন একেক রকম পদ্ধতিতে ভিক্ষা করেন।

১) ভারত জৈন- মুম্বাইয়ের পারেল অঞ্চলে ইনি ভিক্ষা করেন। এনার দুটো বড় বড় অ্যাপার্টমেন্ট আছে। ভিক্ষা করে প্রতিমাসে প্রায় ৭৫ হাজার টাকার কাছাকাছি রোজগার করেন।

২) লক্ষ্মী দাস- ইনি ১৬ বছর বয়স থেকে কলকাতায় ভিক্ষা করেন। প্রায় ৫০ বছর ধরে তিনি ভিক্ষা করছেন। ভিক্ষা করে প্রতিদিন ইনি ১০০০ টাকা রোজগার করেন।

৩)পাপ্পু কুমার- দুর্ঘটনা পা ভেঙে যাওয়ার পর থেকে পাটনার রেল প্লাটফর্মে ইনি ভিক্ষা করেন। এনার প্রায় ১.২৫ কোটি টাকার সম্পদ রয়েছে।

৪)সর্বতীয়া দেবী- পার্টনার অশোক সিনেমার পেছনে তিনি বসবাস করেন। ভিক্ষা করে প্রতি মাসে প্রায় ৫০ হাজার টাকা মতো উপার্জন করেন।

৫)মাসু- টেলিভিশন এবং সিনেমার তারকারা যে সমস্ত রেস্তোরাঁগুলোয় যান তার বাইরে ইনি ভিক্ষা করেন। এনার দুটো ফ্ল্যাটও আছে। ভিক্ষা করে প্রতিদিন ১০০০-১৫০০ টাকা উপার্জন করেন।

ভিক্ষা করেও নাকি কোটিপতিও হওয়া যায়! এই ৫ কোটিপতি ভিখারীর কথা জানতে না পারলে হয়ত এমন কথা বিশ্বাস করাই সম্ভব হতনা।