ISRO বিজ্ঞানী হওয়ার অফার ও অনেক গভমেন্ট চাকরি রিজেক্ট করে IPS অফিসার হয়ে বাবার স্বপ্ন পূরণ করল মেয়ে

ছাত্রজীবনে অনেক সময় এমন পরিবর্তন আসে যখন সে বুঝতে পারে না সে কোন পথটি বেছে নেবে নিজের ভবিষ্যতের জন্য। অনেকেই নিজে আগে থেকে একটি লক্ষ্য স্থির করে রাখে কিন্তু পড়ে গিয়ে যদি তার থেকেও ভালো কোন রাস্তা সে খুঁজে পায় তবে সে সেইদিকেই চলে যায়।

এমন লক্ষ্য পরিবর্তন করার ফলে তাদের পরে চাকরি খুজতে হয়। তাই সব সময় নিজের লক্ষ্য স্থির রাখা দরকার। যে লক্ষ্যটি প্রথম থেকে স্থির করবেন সেই লক্ষ্যটি পূরণ করার চেষ্টা করবেন। আজ আমরা আপনাকে এমনই একজন এর গল্প বলতে যাচ্ছি, তিনি হলেন তৃপ্তি ভট্ট।

তিনি আইপিএস অফিসার হবে বলে অনেক চাকরির অফার ফিরিয়ে দিয়েছেন যেহেতু তার লক্ষ্য স্থির ছিল যে তিনি আইপিএস অফিসার হবেন। এমনকি “ইসরো” তাকে চাকরির জন্য অফার দিয়েছিল কিন্তু তিনি সেটিও গ্রহণ করেননি এবং ফলস্বরূপ তিনি আজ একজন আইপিএস অফিসার হতে পেরেছেন।

তিনি আলমোড়া জেলার বাসিন্দা, তিনি একজন শিক্ষক ফ্যামিলিতে জন্মগ্রহণ করেছিলেন। তিনি 2013 ব্যাচে আইপিএস অফিসার হয়েছেন। তিনি ছোট থেকেই কেবল এই স্বপ্নটাই দেখতেন এবং এটি পূরণ করার জন্য তিনি কঠোর পরিশ্রম করেছেন। তৃপ্তি পান্ত নগর বিশ্ববিদ্যালয় থেকে ইঞ্জিনিয়ারিংও শেষ করেছেন।

এরপরই তার কাছে অফারগুলি আসছে থাকে কিন্তু তিনি সিভিল সার্ভিস পরীক্ষার জন্য প্রস্তুতি নিচ্ছিলেন তখন। এর পরে তিনি 2013 সালে ইউপিএসসি পরীক্ষা দেন এবং পাশ করে আইপিএস অফিসার হন। পরীক্ষা পাস করার পরে তার ট্রেনিং শুরু হয়েছিল এবং ট্রেনিং শেষ হওয়ার পরে তিনি দেরাদুনের বিকাশ নগরে পোস্টিং পান।

তিনি খনির মাফিয়াদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা গ্রহণ করেন এবং তাদের জেল হাজতে দেন। আইপিএস অফিসার তৃপ্তি ভট্ট দীর্ঘদিন ধরে উত্তরাখণ্ডের চামোলি জেলার এ এসএসপি হিসাবে কর্মরত ছিলেন, এবং তিনি এসডিআরএফের প্রধান কমান্ডারের পদেও কাজ করছিলেন।

COVID-19 এর সময় উত্তরাখণ্ডে তাঁর ভালো সামাজিক কাজের জন্য তৃপ্তি ভট্টকে ২০২০ সালে এসডিআরএফ দ্বারা স্কচ পুরষ্কার দেওয়া হয়েছিল। COVID-19 এর সময়, উত্তরাখণ্ড পুলিশ এবং এসডিআরএফের দল প্রচুর দরিদ্র মানুষ এবং অভাবী মানুষকে সহায়তা করেছিল এবং আইপিএস তৃপ্তি ভট্ট জনগণকে সহায়তা করার ক্ষেত্রে কোনও প্রকার প্রচেষ্টা ছাড়েনি।।