লকডাউনে স্কুল বন্ধ, মাত্র 11 বছর বয়সেই গবাদি পশু পালন করে, দুধ বিক্রি করে মাসে 6 লক্ষ টাকা আয় করেন শ্রদ্ধা ধাওয়ান

মেয়েরা কেবল শুধু বাড়ির গর্ব নয় গোটা দেশের গর্ব। তারা আজ সমস্ত কাজ করে এবং নিজেদের নাম উজ্জ্বল করে। আপনি হয়তো এমন অনেক মহিলার কথা শুনেছেন যারা বক্সিং খেলা ক্রিকেট খেলে ব্যাডমিন্টন খেলে ইত্যাদির মাধ্যমে দেশের জন্য পদক এনেছেন এবং নাম উজ্জ্বল করেছেন তবে আজ আমরা তার সাথে পরিচয় করিয়ে দিতে যাচ্ছি তিনি দুধের ব্যবসা করেন।

আপনারা হয়তো আজ অব্দি শুধু পুরুষদেরই এই কাজ করতে দেখেছেন। তবে আজ আমরা তার সাথে পরিচয় করাতে চলেছি তিনি হলেন শ্রদ্ধা ধাওয়ান। তিনি অল্প বয়স থেকেই এই ব্যবসায় নামেন এবং ব্যবসার উন্নতি করে পরিবারকে আর্থিক সাহায্য করেন। তিনি এখন মাসে লক্ষ লক্ষ টাকা আয় করেন। মহারাষ্ট্রের আহমেদনগর থেকে 60 কিলোমিটার দূরে নিঘোজ নামের একটি গ্রামে একুশ বছর বয়সী শ্রদ্ধা ধাওয়ান তার পরিবারের সাথে থাকেন।

শ্রদ্ধা গত দশ বছর ধরে দুধের ফার্মিং পরিচালনা করছেন, তিনি নিজেই মহিষের দুধ বের করেন এবং সকালে দুধের হোম ডেলিভারি করেন। তিনি ছোট বয়স থেকেই সব দায়িত্ব নিজের কাঁধে নিয়ে ছিলেন। প্রথমে তাদের কাছে একটি মহিষ ছিল। এরপর তিনি দিন-রাত কঠোর পরিশ্রম করে চারটি মহিষ কেনেন। মহিষের যত্ন নেওয়া থেকে শুরু করে সবকিছুই তিনি করতেন।

যত সময় যায় তিনি আরো ভালো করে এই ব্যবসা করতে থাকেন। তিনি মহিষের গুণ সম্বন্ধে অনেক কিছু জেনে ছিলেন। আজ তিনি 80 টিরও বেশি খামার চালান এবং মাসে লক্ষাধিক টাকা আয় করেন। তার যে এই যাত্রা খুব সহজ ছিল তা নয় তার বন্ধু বান্ধবীদের কাছে অনেক কটাক্ষ শুনতে হয়েছে তাকে। এমনকি তার পড়াশোনার অনেক ক্ষতি হয়েছে এই ব্যবসার জন্য।

যেহেতু তাকে সারাদিন ব্যবসার দিকে মন দিতে হতো এই জন্য তিনি পড়াশোনা করতে পারেননি। কিন্তু তিনি পরে একটি সমস্যার সম্মুখীন হন এত মহিষের জন্য চারা পারছিলেন না তিনি। কিন্তু তিনি এই সমস্যার সমাধান করেন তিনি নিজেই চাষ করতে শুরু করেন। শ্রদ্ধা এখন দুধের ব্যবসার পাশাপাশি চাষ ও শুরু করেছেন।।