শারীরিক সম্পর্ক নাকি কোটি টাকার হিরের আংটির লোভ, কীভাবে সুস্মিতাকে কাছে টেনেছিলেন অনিল

বলিউডের সঙ্গে যেন গভীর সম্পর্ক ছিল রিলায়েন্স গ্রুপের চেয়ারম্যান অনিল আম্বানির। কানাঘুষোতে শোনা গেছে, প্রাক্তন বিশ্বসুন্দরীরাও তার কোটি কোটি সম্পত্তির লোভে সম্পর্কে জড়িয়েছিলেন। এমনকী বলি নায়িকা টিনা মুনিমকেও পরিবারের আপত্তি থাকা সত্ত্বেও শেষমেষ বিয়ে করেছিলেন অনিল আম্বানি।

কিন্তু তাতেও মেলেনি সুরাহা। একাধিক সম্পর্কে জড়িয়ে বারংবার ঝড়ের মুখোমুখি হতে হয়েছে অনিলকে। এমনকী ভাঙতে বসেছিল টিনা-অনিলের সংসারও।

একের পর এক অভিনেতার সঙ্গে নাম জড়ানোর পর রিল্যায়েন্স গ্রুপের চেয়ারম্যান অনিল আম্বানির সঙ্গে বিবাহ-বন্ধনে আবদ্ধ হতে চলেছেন এই খবর ছড়িয়ে পড়ে গোটা ইন্ডাস্ট্রিতে। অবশেষে ঐশ্বর্য যখন এই খবর জানতে পেরেছিলেন, প্রচন্ড রেগে গিয়েছিলেন অভিনেত্রী।

কোটি কোটি টাকার লোভেই নাকি অনিল আম্বানির সঙ্গে ভিড়েছিলেন ঐশ্বর্য, এই নিয়ে জোর জল্পনা শুরু হয়েছিল বি-টাউনে। সম্পর্কে জড়ানোর কোনও প্রশ্নই ওঠে না, সাফ জানিয়েছিলেন প্রাক্তন মিস ইন্ডিয়া।

সমস্ত গুজব উড়িয়ে ঐশ্বর্য বলেছিলেন, গুজব বন্ধ করো। ব্যক্তিগত জীবন নিয়ে কখনওই প্রকাশ্যে আলোচনা করেন না অভিনেত্রী। কিন্তু এই ভুয়ো খবরে নিজেকে ঠিক রাখতে না পেরে মুখ খুলেছিলেন ঐশ্বর্য।

শুধু ঐশ্বর্যই নয়, মিস ইউনিভার্স সুস্মিতা সেনের সঙ্গেও অনিলের সম্পর্ক নিয়ে জোর গুঞ্জন ছড়িয়ে পড়েছিল গোটা বি-টাউনে।

এমনকী সুস্মিতা সেনের সঙ্গে বহুমূল্য হিরের আংটিও কিনেছিলেন অনিল। তবে অনিল-সুস্মিতার সেই সম্পর্ক বেশিদূর এগোয়নি। তবে এর পিছনের কারণও জানা যায়নি।

তবে ঐশ্বর্য হোক কিংবা সুস্মিতা সেন নেটিজেনরা অনেকেই মনে করেন শুধুমাত্র টাকার লোভ দেখিয়েই বিয়ের পরও বলি নায়িকাদের সঙ্গে ভিড়েছিলেন অনিল আম্বানি।

সুস্মিতার পর প্রীতি জিন্টার সঙ্গে অনিলের নাম শোনা যায়। তবে সবটাই গুঞ্জন।

সঞ্জয় দত্তের একসময়কার প্রেমিকা টিনার সঙ্গে বিবাহ বন্ধনে আবদ্ধ হন অনিল। কিন্তু টিনাকে বিয়ের পর একাধিক সম্পর্কে জড়িয়েছিলেন অনিল।

ঘনিষ্ঠ সূত্র থেকে জানা গেছে, অনিলকে ডিভোর্স দিতে রাজি ছিলেন না টিনা। শেষমেষ সমস্ত বাধা পেরিয়ে স্থায়ী হয় অনিল-টিনার সম্পর্ক। শেষ পর্যন্ত স্বামীর পাশে শক্ত হয়েই হাল ধরেছেন টিনা।