পৃথিবীর মধ্যেই মাটির নী’চে হদিশ মিলল গুহারুপী অন্য এক পৃথিবীর, দেখুন ভ’য়ঙ্কর ছবি

আমরা আমাদের জীবনে এমন অনেক ঘটনার কথা শুনতে পাই যা হয়ত বিশ্বাস করা সম্ভব নয় কিন্তু তা সত্যি হয়। প্রকৃতির রূপ বিচিত্র। প্রতিদিন প্রতি নিয়ত প্রকৃতিতে ঘটে চলেছে নানা অদ্ভুত ঘটনা যা রীতিমতো অবাক করে আমাদের।

সম্প্রতি তেমনই এক ঘটনা ঘটে গেল এই পৃথিবীতেই। পৃথিবীর মধ্যেই হদিশ মিলল অন্য এক পৃথিবীর। চলুন জেনে নেওয়া যাক অন্য পৃথিবী কথা।

গুহা শুনলেই আমাদের মাথায় যেটা প্রথমে আসে সেটা হল সেই পুরনো আদি যুগের কথা যখন মানুষ ধীরে ধীরে মানুষ হয়ে উঠছিল। আর তখন তাদের থাকার জায়গা বলতে এই গুহাই ছিল। চীনের চঙকিং প্রদোষে হদিশ মিলল গুহারূপী অন্য এক পৃথিবীর।

এই পৃথিবীর কাছে রয়েছে একটা আলাদা গোটা আকাশ। স্বভাবতই পরিবেশও আলাদা। সেই আকাশে রয়েছে মেঘ ও কুয়াশা। শুধু তাই নয় গুহাটির মধ্যে খাল, বিল, পাহাড়সহ রয়েছে আরো অনেক কিছু জয়তী পৃথিবীর সমান। চীনের এই গুহাটির নাম ‘ইয়ার ওয়াং ডং’।

চঙকিং প্রদেশের বাসিন্দারা এই গুহাটি সম্পর্কে জানতেন। ওখানকার স্থানীয় বাসিন্দারা গুহাটির মধ্যে কিছুটা যাতায়াত ছিল। কিন্তু এই গুহাটির কথা অজানাই ছিল সারা পৃথিবীর মানুষের কাছে।

গুহা বিশেষজ্ঞ ও ফটোগ্রাফার দ্বারা সংগঠিত একটি দল তারা এই গুহাটির ব্যাপারে নানা তথ্য এবং ভেতরের কিছু ছবি অর্থাৎ গুহাটির গোপনীয়তা প্রকাশ্যে এনেছেন। তারা জানিয়েছেন এই গুহাটির ওপরের অংশ কুয়াশা এবং মেঘে ঢাকা।

গুহাটির ভিতরে মেঘ বালুকনা জলীয় বাষ্পসহ রয়েছে অর্থাৎ আলাদা আবহাওয়া রয়েছে যা অনেকটা শীতল পৃথিবীর তুলনায়। এই গুহার মধ্যেকার আর্দ্রতাও শীতল। যে কারণে স্বাভাবিক শ্বাস-প্রশ্বাস গ্রহণ করা খুব কষ্টসাধ্য এই গুহার মধ্যে।

গুহার ভিতরে যে খাল রয়েছে তা খুবই ভয়ঙ্কর ও বিধ্বংসী। কেননা এসব খালের জলে রয়েছে তীব্র স্রোত যা সহজেই কাউকে ভাসিয়ে নিতে পারে নিমেষে। এই গুহাটির উচ্চতা গুহার মাটি থেকে ৮২০ ফুট।

এই গুহার বিশেষজ্ঞ ও ফটোগ্রাফারদের দ্বারা সংগঠিত এই দলটি না থাকলে হয়তো আমরা কোনদিনই জানতে পারতাম না এই অন্য পৃথিবীর কথা। যা রীতিমতো বিস্মিত করেছে আমাকে, আপনাকে।