ইন্ডাস্ট্রিতে ১২ বছর পার করলেন সকলের প্রিয় বাহামনি ওরফে রণিতা! কেমন ছিল এই পথ জেনে নিন অভিনেত্রীর মুখ থেকে

বাংলা টেলিভিশনের বেশ জনপ্রিয় অভিনেত্রী রণিতা দাস ওরফে সবার প্রিয় বহামনি। “ইষ্টিকুটুম” ধারাবাহিকে দারুন জনপ্রিয় হয়েছিলেন তিনি। শুধু জনপ্রিয়তাই অর্জন করেননি নিজের অভিনয় দিয়ে প্রচুর মানুষের ভালোবাসাও পেয়েছিলেন তিনি।

প্রথম সিরিয়াল “ধন্যি মেয়ে” ও তারপর “ইষ্টিকুটুম”। এই দুটি সিরিয়াল করেই এত জনপ্রিয় হয়ে গেছিলেন তিনি যে আজও মানুষ তাকে দেখলেই বাহামনি বলেই ডাকে। এতগুলো বছর কেটে যাওয়ার পরেও আজও দর্শকদের মনে থেকে গেছেন তিনি।

বর্তমানে যদিও অভিনেত্রী অভিনয় জগৎ থেকে anektai দূরে। কিন্তু কেন এত জনপ্রিয়তার পরও এর দূরে কেনো চলে গেলেন তিনি। ঘনিষ্ঠ সূত্রে জানা যায় তিনি পড়াশুনার জন্য “ইষ্টিকুটুম” ধারাবাহিক থেকে দূরে চলে যান তিনি।

এমনকি তার খুব ঘনিষ্ট বন্ধু সৌপ্তকও চলতি বছরের নির্বাচনে তৃণমূল পার্টির সঙ্গে যোগদান করেন। তিনিও তার ধারাবাহিক ছেড়ে বেরিয়ে এসেছিলেন। ইষ্টিকুটুম এর পর ২০১৫ সালে রণিতাকে আবার দেখতে পাওয়া যায় কালার্স বাংলায়। কিন্তু কোনো সিরিয়ালে নয় বরং একটি রিয়েলিটি শো সঞ্চালনা করতে।

২০১৬ সালে আবার কালার্স বাংলায় “সোহাগী সিঁদুর” নামে ধারাবাহিকে দেখতে পাওয়া যায়। রণিতাকে শেষ বার দেখা যায় ২০১৮ সালে “আনএফরড সিজন ২” নামে ওয়েবসিরিজে।

লোকমুখে শোনা যায় রণিতা ইষ্টিকুটুম থেকে সরে আসার আসল কারণ ছিল সে এই চরিত্রটি করে লোকের প্রচুর সমালোচনার সম্মুখীন হয়ে পড়েছিলেন। যার ফলে বাধ্য হয়ে তিনি টেলিভিশন জগৎ থেকে অনেক দূরে চলে যান। আর অন্যদিকে তার বয়ফ্রেন্ডও “জল নূপুর” ধারাবাহিক থেকে সরে যান।

অনেকে মনে করেন দুজনে একসঙ্গে প্ল্যান করে সরে গেছিলেন। তবে আবার দুজনে একসাথে ২০১৮ সালে পর্দায় ফিরেও আসেন। কালার্স বাংলার ” শ্রীচৈতন্য মহপ্রভু” ধারাবাহিকে দুজকে শিব পার্বতীর ভূমিকায় দেখতে পাওয়া যায়।

যদিও টেলিভিশন জগৎ থেকে চলে যাওয়ার জন্য রণিতা বরাবরই একটাই কথা বলে থাকেন। তিনি বলেন সিরিয়ালের হেকটিক সিডিউলে তার শরীর প্রচন্ড পরিমাণে খারাপ হয়ে যায় এবং তিনি ঠিক মত অভিনয় করতেও পারছিলেন না। তাই তিনি কিছুদিনের জন্য অভিনয় জগৎ থেকে কিছুদিনের বিরতি নিয়েছিলাম। যদিও আজ পর্যন্ত আসল সত্য কারুরই জানা নেই।