কৃষক আন্দোলোনে হস্তক্ষেপ করছে “টুকরে টুকরে গ্যাং”, অভিযোগ রবিশংকর প্রসাদের

দেশজুড়ে কৃষক আন্দোলোন এই মুহুর্তে এক ভয়াবহ আকার ধারণ করেছে৷ নয়া কৃষিবিল প্রত্যাহারের দাবী গোটা দেশ জুড়ে বিক্ষোভ দেখাচ্ছে কৃষকরা৷ এবার এই গণআন্দোলোনকে কেন্দ্র করেই ব্যবহার করা হল “টুকরে টুকরে গ্যাং”—এর মতো শব্দবন্ধ৷ জাতীয় রাজনীতির মঞ্চে আবারও উঠে এল এমন শব্দবন্ধ৷

শুক্রবার কেন্দ্রীয় আইনমন্ত্রী রবিশংকর প্রসাদ এমনটাই বললেন কৃষক আন্দোলোন প্রসঙ্গে৷ এই আন্দোলোনে যুক্ত হয়েছে বিভিন্ন বিচ্ছিন্নতাবাদী সংগঠন ৷ তারাই দখল নিয়েছে আন্দোলোনের বেশিরভাগ অংশ৷ এ বিষয়ে অনেক প্রমাণ মিলেছে বলেও সূত্র মারফৎ খবর?৷ রবিশংকর প্রসাদ এদিন বলেন,কেন্দ্র সরকার কৃষকদের সাথে কথা বলে অনেক দাবীই মিটিয়ে দিয়েছে,কিন্তু পুরোপুরি সমস্যার সমাধান না হওয়ার পিছনেও হাত রয়েছে সেইসব বিচ্ছিন্নতাবাদী সংগঠনের৷ গত জানুয়ারিতে আরটিআইয়ের জবাবে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রক মনে করেছিল যে “টুকরে টুকরে গ্যাং” সম্পর্কে কোনো তথ্য নেই তাদের কাছে৷ তবে রবিশংকর প্রসাদের মুখেই শোনা গেল উল্টো সুর৷ প্রসঙ্গত উল্লেখ্য ,”টুকরে টুকরে গ্যাং” শব্দবন্ধের ব্যবহার প্রথম শুরু হয়েছিল পদ্মশিবিরে৷

জেনএউয়ের বিরুদ্ধে বিজেপির অনেকদিনেরই অভিযোগ যে তারা দেশকে ভাঙার পরিকল্পনা করে৷ সেই কারণেই বিচ্ছিন্নতাবাদীদের “টুকরে টুকরে গ্যাং”—অভিধায় অভিহিত করে বিজেপি৷

এবার কৃষক আন্দোলোনকে কেন্দ্র করেও শোনা গেল এই শব্দবন্ধ৷ দেশদ্রোহীদের দাপট বেড়ে গেছে বলে দাবী কেন্দ্রীয় মন্ত্রীত্বের তরফে৷ কেন্দ্রীয় মন্ত্রী প্রকাশ জাভেড়েকরের দাবী যে কৃষিবিল প্রত্যাহারের সাথে ওই আন্দোলোন থেকে শারজিল ইমাম,উমর খালিদ ,গৌতম নাভলাখা সহ দেশদ্রোহিদের মুক্তির দাবী উঠছে৷ তাদের মুক্তির দাবীতে পোস্টারও দেখা গেছে এবং কয়েকজন কৃষক নেতৃত্ব দাবী করেছে তাদের নিঃশর্ত মুক্তির জন্য৷ এর ফলেই সরকার —কৃষক বৈঠকেও কোনো ফল হচ্ছোনা বলে দাবী রবিশংকর প্রসাদ,নরেন্দ্র সিং তোমার ,প্রকাশ জাভেড়কর সহ আরও অনেক নেতৃত্ব৷ তাদের মতে,শারজিল ইমামের মথো নেতার মুক্তির দাবী কৃষক বিক্ষোভ থেকে ওঠা উচিৎ নয় ,কৃষক ইউনিয়নের দখল নিয়ে নিয়েছেন দেশবিরোধী সংগঠনগুলি,এমনটাই মনে করছেন কেন্দ্রীয় মন্ত্রীরা৷