সেমসাইডে গোল খেয়ে এখন ভেঙে পড়ার পথে তৃণমূল, শুভেন্দু ইস্যুতে সৌগত রায়কে বিঁধলেন দিলীপ ঘোষ

শুভেন্দুর রাজনৈতিক জটিলতা নিয়ে জল্পনা রয়েছে এখনও অব্যাহত৷ তিনি নিজ মুখে কিছু না জানালেও মঙ্গলবার এক বৈঠকের পরই তৃণমূলের প্রবীণ নেতা সৌগত রায় জানিয়ে দেন যে শুভেন্দু থাকছেন দলেই ,ঠিক তার পরদিনই সকালে সৌগত রায়কে হোয়াটসআপ বার্তার মাধ্যমে শুভেন্দু জানিয়ে দেন যে তিনি একসঙ্গে আর কাজ করতে চান না৷ সেদিন পিকের টিমের সাথে অভিষেক ব্যানার্জী সহ সৌগত রায় শুভেন্দু অধিকারীর সাথে বৈঠক করে বরফ গলছে বলে দাবী করেন সৌগতবাবু৷ কিন্তু পরদিনের হোয়াটসআপ বার্তা তার সম্পূর্ণ বিপরীত ইঙ্গিত দেয়৷ এই ইস্যুতেই এবার কটাক্ষ করলেন বিজেপির রাজ্য সভাপতি দিলীপ ঘোষ৷ তার মতে,সেমসাইড গোল খেয়েছে এবার শাসকদল৷ এমনকি তৃণমূলের বর্ষীয়ান নেতা সৌগত রায়ের নাম না উল্লেখ করে বলেন “বুড়ো খোকা”৷

এর দিন কয়েক আগেও দিলীপবাবু কটাক্ষের সুরে বলেছিলেন,”কল্যাণ বন্দোপাধ্যায় ও সৌগত রায়ের মতো পুরোনো খোকাদের বার করেছি পুরনো বাক্স থেকে৷” পাশাপাশি এও বলেন, তৃণমূল এখন হয়ে উঠেছে বৃদ্ধদের পার্টি৷ মাঝে যত নেতা ছিল সবাই নয় পালিয়েছে আর নয় মুখে কুলুপ এঁটেছে৷ এমনকি চন্দ্রিমা ভট্টাচার্য্যকে একহাত নেন দিলীপ ঘোষ৷ তার মতে চন্দ্রিমাও কলকাতায় না জিততে পেরে চলে গেছেন কাঁথিতে৷ কিন্তু সেখানেও তিনি কিছুই করতে পারবেন না৷ সঠিক সময় জবাব পাবেন৷

সৌগত রায়কেও আক্রমণ করতে ছাড়েননা তিনি৷ “বাকিরা ইঁদুর হলে সৌগতবাবু মোষ নাকি”—দিলীপবাবুর গলার সুরে তৃণমূলকে সরাসরি আক্রমণ স্পষ্ট৷ পাশাপাশি দিলীপবাবু এও বলেন যে তৃণমূল দুজন বয়স্ক খোকাকে এক্সট্রা প্লেয়ার হিসেবে খেলতে নামিয়েছিল কিন্তু তারা ছিলেন সাইড লাইনের বাইরেই৷ ফলে সেমসাইড গোল খেয়ে তৃণমূল এখন বিলুপ্তির পথে৷এরই সাথে পরোক্ষে শুভেন্দুকে দলে আসার জন্য স্বাগতও জানিয়ে দিলেন৷

দিলীপবাবুর মতে দুদিন বাদেই ভেঙে পড়বে তৃণমূল কংগ্রেস৷ সময় আসলেই তা দেখা যাবে৷ তবে শুভেন্দুর রাজনৈতিক অবস্থান নিয়ে এখনও রয়েছে ধোঁয়াশাই৷ সৌগত রায় ভুল বোঝাবুঝি মিটে গেছে বলে দাবী করলেও সেই দাবী উড়িয়ে দেন শুভেন্দু স্বয়ং৷ তিনি বলেন যে তার মতামত না নিয়েই ,এমনকি ৬ই ডিসেম্বরে তার প্রেস কনফারেন্সের আগেই সব জানানো হয়েছে সংবাদমাধ্যমকে৷যার ফলে আবারও ক্ষুদ্ধ শুভেন্দু অধিকারী৷ এই বিষয় নিয়েই সৌগত রায়কে পরোক্ষে কটাক্ষ করলেন দিলীপ ঘোষ৷